নোলানের সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করতে মরিয়া ছিলেন মারফি

ইউনিভার্সাল পিকচার্সের নতুন সিনেমা ‘ওপেনহেইমার’। আগামী ২১ জুলাই সিনেমাটি থিয়েটারে মুক্তি পাবে।

ইউনিভার্সাল পিকচার্সের নতুন সিনেমা ‘ওপেনহেইমার’। আগামী ২১ জুলাই সিনেমাটি থিয়েটারে মুক্তি পাবে। ওপেনহেইমার পরিচালনা করেছেন ক্রিস্টোফার নোলান। আর নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন কিলিয়ান মারফি। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেয়া সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে সিনেমায় অভিনয় প্রসঙ্গে কথা বলেছেন এ অভিনেতা। ক্রিস্টোফার নোলানের সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করতে তিনি মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন।

ক্রিস্টোফার নোলানের সঙ্গে কিলিয়ান মারফির সম্পর্ক প্রায় ২০ বছরের। এর মধ্যে বিখ্যাত নির্মাতার ব্যাটম্যান সিরিজের তিনটি সিনেমা, ইনসেপশন ও ডানকার্কে পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেছেন  মারফি। কিন্তু কখনই মূল চরিত্রে এ অভিনেতাকে প্রস্তাব দেননি নোলান। ওপেনহেইমারে প্রথমবারের মতো সে সুযোগ পেলেন।

আণবিক বোমার জনক জে. রবার্ট ওপেনহেইমার। তিনি একজন তত্ত্বীয় পদার্থবিজ্ঞানী ছিলেন। তাকে নিয়ে সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন নোলান। ওপেনহেইমারে পদার্থবিজ্ঞানীর চরিত্রটি ফুটিয়ে তুলবেন কিলিয়ান মারফি। 

ক্রিস্টোফার নোলানের পরিচালনায় অভিনয় করতে বরাবরই উদগ্রীব মারফি। সঙ্গে ছিল মূল চরিত্র হওয়ার গোপন আকাঙ্ক্ষা। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে মারফি বলেন, ‘ক্রিসকে আমি সবসময় এ কথা বলেছি। তার সিনেমায় অভিনয় করতে আমি সর্বদা প্রস্তুত। চরিত্র নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই। ক্রিসের সিনেমায় যেকোনো ধরনের চরিত্র করতে আমি রাজি। কিন্তু আমার একটি গোপন আকাঙ্ক্ষা ছিল, আমি তার পরিচালনায় প্রধান চরিত্রে অভিনয় করতে উদগ্রীব ছিলাম।’

অবশেষে কিলিয়ান মারফির সে ইচ্ছা পূরণ হলো। ওপেনহেইমার সিনেমায় তাকে নাম ভূমিকায় অভিনয়ের প্রস্তাব দেন ক্রিস্টোফার নোলান। মারফিকে এ নির্মাতা বলেছিলেন, ‘শোনো, আমি একটি চিত্রনাট্য লিখেছি। এটি ওপেনহেইমারকে নিয়ে। আমি তোমাকে আমার ওপেনহেইমার হিসেবে চাই।’ নোলানের প্রস্তাব পেয়ে উচ্ছ্বসিত হয়েছিলেন মারফি। 

এ সিনেমায় কাজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে কিলিয়ান মারফি বলেন, ‘এটি অনেক বড় একটি দায়িত্ব। ওপেনহেইমারকে ঘিরে বিতর্ক ছিল। একই সঙ্গে তিনি ছিলেন আইকন। নোলানের সঙ্গে কাজ করাটা চ্যালেঞ্জিং ছিল। কিন্তু তার সেটে থাকাটাই আমার উদ্দেশ্য ছিল।’

সূত্র: ভ্যারাইটি

আরও