চার পরিচালকের নির্মিত তথ্যচিত্র নো আদার ল্যান্ড। এর অন্যতম পরিচালক ফিলিস্তিনি নাগরিক হামদান বলাল। তথ্যচিত্রটি সম্প্রতি একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে সেরা তথ্যচিত্রের পুরস্কার জিতেছে। এতে পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের দুরবস্থার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
কিছুদিন আগে ইসরায়েলি সেটলারদের একটি দল হামদানকে লাঞ্ছিত করে। শারীরিকভাবে আঘাত করে আহতও করা হয় তাকে। এরপর সেনারা তাকে হাতকড়া পরিয়ে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে যায়। যদিও পরদিনই তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। হামদান দাবি করেছেন, তার নির্মিত তথ্যচিত্রের কারণেই প্রতিশোধ নেয়া হয়েছে তার ওপর।
এ ঘটনায় একাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস ক্ষমা চেয়ে বিবৃতি দিয়েছে। এতে অস্কার পুরস্কারের ভোটদানের অধিকার থাকা ব্যক্তিদের স্বাক্ষর ছিল। তারা স্বীকার করেছেন, একজন অস্কারজয়ী নির্মাতার অপহরণের পরও তাকে কিংবা তার সিনেমা নিয়ে কোনো বক্তব্য না দেয়া তাদের ভুল হয়েছে।
এর আগে গত বুধবার একাডেমির পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। তবে সেখানে হামদান বা নো আদার ল্যান্ড নিয়ে কোনো উল্লেখ ছিল না। এ নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে শুক্রবার একাডেমি নতুন বিবৃতি দেয়। এতে তারা বলে, ‘আমাদের আগের বিবৃতির কারণে হামদানসহ যারা মনঃক্ষুণ্ন হয়েছেন এবং মনে করেছেন যে আমরা তাদের সমর্থন করছি না, তাদের কাছে দুঃখপ্রকাশ করছি। একাডেমি বিশ্বের কোথাও এ ধরনের কোনো নৃশংসতা সমর্থন করে না।’
দেরিতে হলেও একাডেমি স্বীকার করেছে যে হামদানের ওপর হওয়া হামলাটি নৃশংস এবং তাকে অন্যায়ভাবে আটক করে রাখা হয়েছিল।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান