এরই মধ্যে সিনেমাটি পেল প্রথম আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। ভিয়েতনামের চতুর্থ ডানাং এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে এশিয়ার সেরা হিসেবে ক্রিটিকস চয়েজ অ্যাওয়ার্ড জিতেছে সিনেমাটি। মুক্তির পর থেকে এখনো দেশ-বিদেশের হলে চলছে এটি, অর্জন করেছে দর্শকপ্রশংসাও।
এ অর্জনে উচ্ছ্বসিত তুষি বলেন, ‘ক্রিটিকস চয়েজ অ্যাওয়ার্ড সবসময় আলাদা একটি গুরুত্ব বহন করে। সেখানে এশিয়ার সেরা সিনেমা হিসেবে ক্রিটিকস চয়েজ পুরস্কার পেয়েছে রইদ। দেশ ও দেশের বাইরের দর্শক সিনেমাটি গ্রহণ করেছে, এ পুরস্কার সেটাই মনে করিয়ে দেয়। একজন শিল্পীর জন্য স্বীকৃতি সম্মানের। একই সঙ্গে টিমের জন্য যেমন অর্জন, তেমনি সম্মানের। সিনেমার অভিনেত্রী হিসেবে আমি অনেক বেশি খুশি। এটা আমার এবং আমার টিমের জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি।’
মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত এ সিনেমায় নাজিফা তুষির বিপরীতে অভিনয় করেছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান। এছাড়া বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা গেছে গাজী রাকায়েত ও আহসানুল ইয়ামিন রিয়াদসহ আরো অনেককে।
চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের মতে, ডানাং এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের এ স্বীকৃতি শুধু রইদ টিমের জন্যই নয়, বরং গোটা বাংলাদেশী চলচ্চিত্র শিল্পের জন্যও একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশীয় সিনেমার এমন সাফল্য ভবিষ্যতে নতুন গল্প ও নির্মাণে আরো অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে মনে করছেন তারা।
ক্যারিয়ারের ধারাবাহিকতা নিয়ে নাজিফা তুষি জানিয়েছেন, ভবিষ্যতেও ভালো গল্প ও ভিন্নধর্মী চরিত্রে অভিনয় করে নিজের অর্জনের ধারা অব্যাহত রাখতে চান। তার ভাষায়, ‘দর্শকের ভালোবাসা ও আস্থাই একজন শিল্পীর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি, রইদের এ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি সে আস্থারই প্রতিফলন।’