কার্গিল যুদ্ধে গিয়েছিলেন নানা পাটেকর

কিন্তু কার্গিলে কী কী কাজ করেছিলেন তা বলতে রাজি হননি। তবে বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত আমি কিউআরটি—কুইক রিঅ্যাকশন টিমের সদস্য হয়ে যাই। যখন গিয়েছিলাম, আমার ওজন ছিল ৭৬ কেজি। আর দুই মাস পর যখন ফিরে আসি, তখন ওজন ৫৬ কেজি। অন্তত দেশের জন্য এতটুকু তো আমরা করতে পারি।’

অসাধারণ অভিনয় প্রতিভার পাশাপাশি নানা পাটেকর ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক। ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন দেশপ্রেম থেকে। ২০২৪ সালে এক সাক্ষাৎকারে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছিলেন তিনি। জানিয়েছিলেন, কার্গিলে তিনি কিউআরটি (কুইক রিঅ্যাকশন টিম)-এর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

‘দ্য ল্যালানটপ’-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নানা পাটেকর স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘তখন জর্জ ফার্নান্ডেজ ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। আমি কার্গিলে যেতে চেয়েছিলাম।’ শুরুতে নানাকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছিল। কিন্তু প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার পর সেদিনই তাকে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়।

নানা পাটেকর বলেন, ‘আমি সেখানে ৬০ দিন ছিলাম।’ কিন্তু কার্গিলে কী কী কাজ করেছিলেন তা বলতে রাজি হননি। তবে বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত আমি কিউআরটি—কুইক রিঅ্যাকশন টিমের সদস্য হয়ে যাই। যখন গিয়েছিলাম, আমার ওজন ছিল ৭৬ কেজি। আর দুই মাস পর যখন ফিরে আসি, তখন ওজন ৫৬ কেজি। অন্তত দেশের জন্য এতটুকু তো আমরা করতে পারি।’

১৯৯৯ সালের আগস্টে প্রকাশিত ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, নানা পাটেকর ‘দুই সপ্তাহেরও বেশি সময়’ সেনাসদস্যদের সঙ্গে কাটিয়েছিলেন। এক পোস্ট থেকে অন্য পোস্টে ঘুরে বেড়াতেন তিনি।

কার্গিলে নানা পাটেকর। ছবি: দি স্টেটসম্যান

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছিল, তার অভিনীত ও পরিচালিত সিনেমা ‘প্রহার’-এর জন্য নানা পাটেকর মারাঠা লাইট ইনফ্যান্ট্রির সঙ্গে কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। ওই প্রতিবেদনে তাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছিল, ‘আমাদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র বোফর্স নয়, একে-জিরোও নয়; আমাদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র আমাদের জওয়ানরা।’

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

আরও