জেমস বন্ডে ডাক পেলে কী করবেন পিয়ার্স ব্রসনান

ব্রসনান ১৯৯৫ থেকে ২০০২ পর্যন্ত সাত বছর বন্ড চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। এ অভিনেতার গোল্ডেন আই, টুমরো নেভার ডাইস, দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ নট এনাফ ও ডাই অ্যানাদার ডে’র পর বন্ডের জুতোয় পা গলান ড্যানিয়েল ক্রেগ।

পিয়ার্স ব্রসনানের বয়স এখন ৭২ বছর। ০০৭ এজেন্টের চরিত্রে এক সময় ঝড় তোলা এ অভিনেতা বললেন, ‘জেমস বন্ড’ পরিচালক ডেনিস ভিলেনভ ডাক দিলে অবসর ভেঙে সিক্রেট সার্ভিসের মিশনে ফিরবেন। রেডিও টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সম্প্রতি মজার করে কথাটি বলেন তিনি। খবর ডেডলাইন।

অ্যামাজন এমজিএম স্টুডিওসের জন্য নাম ঠিক না হওয়া নতুন জেমস বন্ড সিনেমার চিত্রনাট্য লিখছেন স্টিভ নাইট। পিয়ার্স ব্রসনান জানান, যদি ‘সিনিয়র সিটিজেন বন্ড’ হিসেবে ডাকা হয়, তবে তিনি খুশি মনে ফিরবেন।

ব্রসনান ১৯৯৫ থেকে ২০০২ পর্যন্ত সাত বছর বন্ড চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। এ অভিনেতার গোল্ডেন আই, টুমরো নেভার ডাইস, দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ নট এনাফ ও ডাই অ্যানাদার ডে’র পর বন্ডের জুতোয় পা গলান ড্যানিয়েল ক্রেগ।

স্ত্রী শে স্মিথের সঙ্গে পরবর্তী জেমস বন্ড কে হচ্ছেন তা জানতে আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন জানিয়ে পিয়ার্স ব্রসনান বলেন, আমি মনে করি না কেউই ৭২ বছর বয়সী ভাঁজপড়া চেহারার বন্ড দেখতে চাইবে। তবে যদি ভিলেনভের হাতে লুকানো কিছু থাকে, আমি এক মুহূর্তেই রাজি হয়ে যাবো। কেন নয়? দারুণ বিনোদন এটি। অনেক হাসির খোরাক হতে পারে। টাক লুকানোর পরচুলা, প্রসথেটিক্স… কে জানে?’

ড্যানিয়েল ক্রেগ ২০০৬ সালে ‘ক্যাসিনো রয়্যাল’-এর মাধ্যমে বন্ড চরিত্রে অভিনয় শুরু করেন। ২০২১ সালে ‘নো টাইম টু ডাই’-এর পর তার স্থলাভিষিক্ত কে হচ্ছে তা নিয়ে জল্পনার শেষ নেই।

নেটফ্লিক্সে রিচার্ড ওসমানের উপন্যাস অবলম্বনে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘দ্য থার্সডে মার্ডার ক্লাব’। ছবিটির অন্যতম চরিত্র পিয়ার্স ব্রসনান। গল্পে একদল প্রবীণকে খুনের রহস্য সমাধান করতে দেখা যাবে। বার্ধক্য ও নতুন সিনেমা প্রসঙ্গে ব্রসনান বলেন, ‘বয়স যত বাড়ে, তত বেশি স্বাধীন হয়ে ওঠে মানুষ। কারণ মৃত্যুর ছায়া ঘনিয়ে আসে। এ গল্পের ভেতরে এক ধরনের মাধুর্যময়তা আছে। (সিনেমায়) চারজন মানুষ নিজেদের মনকে সক্রিয় রাখতে চান, আবার মৃত্যুর বাস্তবতাকেও মেনে নেন— যা আমাদের সবার জন্য অবধারিত আর পুরোটা মোড়ানো আছে এক হত্যার রহস্য সমাধানের ভেতর।’

এদিকে ব্রসনানের যাচ্ছে ‘দ্য থার্সডে মার্ডার ক্লাব’ সহ-অভিনেত্রী হেলেন মিরেন সম্প্রতি বলেছেন, ‘জেমস বন্ড মানে জেমস বন্ডই, অন্য কিছু হলে সেটা আর বন্ড থাকে না।’

মূলত ব্রসনানের মন্তব্য ধরে হেলেন এ মন্তব্য করেন। যেখানে বলা হয়েছিল, কোনো নারী যদি বন্ড চরিত্রে অভিনয় করেন তবে তা হবে রোমাঞ্চকর। তবে কয়েক দিন আগে পিয়ার্স ব্রসনান বলেন, ‘অবশ্যই বন্ড একজন পুরুষ হওয়া উচিত।’

আরও