আজ নায়করাজের নবম মৃত্যুবার্ষিকী

নায়করাজ রাজ্জাককে হারানোর দিন আজ। ২০১৭ সালের আজকের দিনে পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে পরপারে চলে যান।

যাওয়ার আগে বাংলাদেশ ও বাংলা সিনেমায় রেখে গেছেন অনস্বীকার্য অবদান। বাংলা সিনেমা যখন দর্শক পাচ্ছিল না সে সময় বড় পর্দায় অভিষেক তার। এরপর দর্শককে হলে ফেরানো থেকে শুরু করে দীর্ঘ সময় সিনেমায় রাজত্ব করেছেন তিনি।

১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি কলকাতার টালিগঞ্জে জন্ম রাজ্জাকের। তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশনে ‘ঘরোয়া’ শিরোনামে এক ধারাবাহিক নাটক দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু হয় তার। এরপর সুযোগ পান আব্দুল জব্বার খানের সঙ্গে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করার। পরে ‘১৩ নাম্বার ফেকু ওস্তাগার লেন’ সিনেমায় ছোট একটি চরিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় তার পথচলা শুরু। এরপর অর্ধশতকের যাত্রা আর প্রাপ্তি রাজার আসন। ২০১৭ সালে মৃত্যুর আগ অবধি সিনেমার সঙ্গেই ছিলেন তিনি। প্রায় ৩০০ সিনেমায় অভিনয় করেছেন, পরিচালনা করেছেন ১৬টি।

মৃত্যুর দুই বছর আগে ২০১৫ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হন নায়করাজ রাজ্জাক। এছাড়া ১৯৭৬, ১৯৭৮, ১৯৮২, ১৯৮৪ ও ১৯৮৮ সালে তিনি মোট পাঁচবার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে তাকে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার দেয়া হয়।

নায়করাজের নবম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে। নায়করাজ রাজ্জাকের ছোট ছেলে খালিদ হোসেন সম্রাট বলেন, ‘আব্বা ছাড়া দেখতে দেখতে নয়টি বছর চলে গেল। স্বাভাবিকভাবেই পারিবারিকভাবে আব্বাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। এর বাইরে চলচ্চিত্র পরিবার বা ইন্ডাস্ট্রি আব্বাকে মনে করল কি করল না সেটা নিয়ে আগে মন খারাপ হতো, এখন আর এসব নিয়ে ভাবি না আসলে। আমরা শুধু আব্বার জন্য সবার কাছে দোয়া চাই। আমি বিশ্বাস করি, আব্বা বেঁচে থাকবেন যুগের পর যুগ তার ভক্ত-দর্শকের হৃদয়ে।’

আরও