গিনেস বুকে ‘রাকা’র রেকর্ড

রাকার জন্য তৈরি বিশেষ মোশন-ক্যাপচার প্রক্রিয়ায় চার বছর বয়সী শিশু থেকে ৭০ বছর বয়সী পারফর্মার—মোট ৩৭ জনকে একই সেশনে একই সময়ে ধারণ করা হয়। চ্যালেঞ্জটি ছিল একসঙ্গে ৩৭ জনের প্রত্যেকের আলাদা পারফরম্যান্স নিখুঁতভাবে ধারণ করা

অ্যাটলি কুমার পরিচালিত আসন্ন সিনেমা ‘রাকা’। সম্প্রতি সিনেমাটি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম লিখিয়েছে। ‘একসঙ্গে রিয়েল-টাইমে সবচেয়ে বেশি মানুষের মোশন ক্যাপচার’ বিভাগে বিশ্বরেকর্ড গড়েছে রাকা। একই সময়ে ৩৭ জন পারফর্মারের মুভমেন্ট ধারণ করে এ রেকর্ড অর্জন করা হয়। ঘটনাটি ভারতীয় সিনেমার প্রযুক্তিগত সক্ষমতার ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতেই রেকর্ডটি অর্জিত হয়েছিল। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এর স্বীকৃতি দেওয়া হয় ১৫ সেপ্টেম্বর। এদিন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সনদ তুলে দেওয়া হয় সিনেমার প্রধান অভিনেতা আল্লু অর্জুন ও নির্মাতা অ্যাটলির হাতে।

রাকার জন্য তৈরি বিশেষ মোশন-ক্যাপচার প্রক্রিয়ায় চার বছর বয়সী শিশু থেকে ৭০ বছর বয়সী পারফর্মার—মোট ৩৭ জনকে একই সেশনে একই সময়ে ধারণ করা হয়। চ্যালেঞ্জটি ছিল একসঙ্গে ৩৭ জনের প্রত্যেকের আলাদা পারফরম্যান্স নিখুঁতভাবে ধারণ করা এবং একটি নির্দিষ্ট ক্যাপচার ভলিউমের মধ্যে সেগুলোর স্বাতন্ত্র্য অক্ষুণ্ণ রাখা।

মোশন ক্যাপচার বা ‘মোক্যাপ’ একটি আধুনিক প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে বাস্তব মানুষের শরীরের নড়াচড়া রেকর্ড করে তা ডিজিটাল বা কম্পিউটার-জেনারেটেড চরিত্রে স্থানান্তর করা হয়। সহজভাবে বললে, সেন্সরযুক্ত বিশেষ পোশাক ব্যবহার করে কোনো অভিনেতার শরীরের নড়াচড়া এবং কখনো মুখের অভিব্যক্তিও ধারণ করা হয়। পরে সেই নড়াচড়া ডিজিটাল চরিত্রের মধ্যে প্রয়োগ করা হয়।

রাকা এই প্রযুক্তিকে বড় পরিসরে প্রয়োগ করেই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে জায়গা করে নিয়েছে। মোশন ক্যাপচারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো, প্রত্যেক পারফর্মারের নড়াচড়া আলাদাভাবে ও নির্ভুলভাবে অনুসরণ করা এবং একই সঙ্গে একজনের গতিবিধি যেন অন্যজনের ট্র্যাকিংয়ে বাধা না দেয়, তা নিশ্চিত করা।

সূত্র: দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

আরও