যেমন যাচ্ছে হলিউডের বক্স অফিস

বছর প্রায় শেষ। বাকি আছে মাত্র ১৫ দিন। হলিউডের বক্স অফিস এ বছর বেশি আয় করা সিনেমা তেমন পায়নি।

এ বছর প্রায় শেষ। বাকি আছে মাত্র ১৫ দিন। হলিউডের বক্স অফিস এ বছর বেশি আয় করা সিনেমা তেমন পায়নি। মার্ভেলের ‘ডেডপুল অ্যান্ড উলভারিন’ ও অ্যানিমেশনের দু-একটি সিনেমা ব্যবসা দিয়েছে বেশি। যেসব সিনেমা নিয়ে আশা করা হয়েছিল, তার মধ্যে হতাশ করেছে ‘জোকার: ফোলি আ দু’। তবে মাঝারি মানের ব্যবসা দিয়েছে রিডলি স্কটের ‘গ্ল্যাডিয়েটর টু’। বছরের শেষে বক্স অফিসের মান রেখেছে ‘মোয়ানা টু’ ও ‘উইকেড’।

থ্যাংকসগিভিংয়ে মুক্তি পেয়েছিল এ দুই সিনেমা। দুটোই বক্স অফিসে ভালো করেছে। আয়ের ক্ষেত্রে বজায় রেখেছে ধারাবাহিকতা। মোয়ানা টু মুক্তি থেকে এ পর্যন্ত সময়ে মোট আয় করেছে প্রায় ৩২ কোটি ডলার।

কিন্তু হতাশ করেছে সোনির ‘ক্র্যাভেন: দ্য হান্টার’। সিনেমাটি নিয়ে দর্শক ও বক্স অফিসের বেশ আশা ছিল। কিন্তু আর-রেটেড এ সিনেমা মুক্তির পর পরই মুখ থুবড়ে পড়েছে বক্স অফিসে। শো দেখতে দর্শকের কোনো খবর নেই। বলা হচ্ছে, মোটের ওপর ১ কোটি ১০ লাখ ডলারের মতো ওপেনিং পেয়েছে এ সিনেমা।

১২ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছে ‘লর্ড অব দ্য রিংস’-এর অ্যানিমেশন। ‘লর্ড অব দ্য রিংস: দ্য ওয়ার অব দ্য রোহিরিম’ নিয়ে অল্পবিস্তর কথা হলেও সিনেমাটির অবস্থা খুবই খারাপ। লর্ড অব দ্য রিংসের পাঁড় ভক্তরাও নাকি সিনেমাটি দেখতে যাচ্ছেন না। মুক্তির পর এটি আয় করেছে মাত্র ৫০ লাখ ডলার। একেবারেই ফ্লপ।

বক্স অফিসের এমন অবস্থা হওয়ার কারণ ভালো সিনেমার অভাব। দর্শক যে ধারার সিনেমা দেখতে চায়, তা আনতে পারেনি হলিউড। গ্ল্যাডিয়েটর টু নিয়ে সম্ভাবনা ছিল, কিন্তু সিনেমাটি প্রথমটির সিকুয়াল হিসাবেই দর্শক দেখতে গেছেন। আলাদা আকর্ষণ আনতে পারেননি রিডলি স্কট। আবার অনেক দর্শক ভিএফএক্স নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। প্রথম সিনেমার বাস্তবতা ও সিনেমাটিক দুনিয়া তাদের ভালো লেগেছিল, কিন্তু দ্বিতীয়টির মধ্যে সে ক্ল্যাসিক বিষয় ছিল না বলে অনেক দর্শকের অভিযোগ।

সূত্র: ডেডলাইন

আরও