‘শ্রাবণ সন্ধ্যা’য় বর্ষা উদযাপন

এখন চলছে বর্ষাকাল। কখনো ঝিরিঝিরি, কখনো মুষলধারে বৃষ্টি হয়। না হলেও প্রায় দিনই আকাশ থাকে মেঘে ঢাকা।

এমন সময়ই আয়োজন হলো সংগীতায়োজন ‘শ্রাবণ সন্ধ্যা’। ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের আয়োজনে শ্রাবণ সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয় ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনে। এ আয়োজনে সংগীত পরিবেশন করেন ড. চঞ্চল খান, অনীল কুমার সাহা ও অলক কুমার সেন। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

সংগীতায়োজন শুরু হয় দীনেশ ত্রিবেদীর স্বাগত বক্তব্য দিয়ে। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানান আয়োজনে অংশগ্রহণের জন্য। এরপর সংগীত পরিবেশন করেন ডক্টর চঞ্চল খান। তিনি রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী ও রবীন্দ্র গবেষক। রবীন্দ্রনাথের বর্ষার গান থেকে গেয়েছেন তিনি। সঙ্গে ছিল তার বাদক দল। একে একে শিল্পী গাইলেন ‘বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল’, ‘এসো শ্যামল সুন্দর’, ‘মালতীলতা দোলে’, ‘মেঘের পরে মেঘ জমেছে’, ‘বজ্রবাণী দিয়ে গাঁথা’, ‘ঝরঝর বরিষে বারিধারা’, ‘শাওন গগন ঘোর ঘনঘটা’ ও ‘এসেছিলে তবু’।

গানের মাঝে মাঝে তিনি রবীন্দ্রনাথের গান, সুর ও রাগ সম্পর্কে কথা বলেন। ফলে গানের সঙ্গে পরিচিত হন শ্রোতারা।

তারপর সংগীত পরিবেশন করেন পণ্ডিত অনীল কুমার সাহা ও মলয় কুমার সেন। অনীল কুমার সেন ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের শিল্পী। তিনি বাফায় (বুলবুল ললিতকলা একাডেমি) দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেছেন। বহু পুরস্কারে ভূষিত শিল্পী তিনি। তারই ছাত্র অলক কুমার সেন। তিনি একাধারে প্লেব্যাক, গজল ও উচ্চাঙ্গসংগীত শিল্পী। তারা সন্ধ্যার রাগ দিয়ে সংগীত শুরু করেন। এরপর একে একে বর্ষার রাগ, গজলও গেয়েছেন। বর্ষাকে উদযাপনে গেয়েছেন মল্লার। সেতার, তবলা, হারমোনিয়ামের মতো যন্ত্রগুলোর সঙ্গে তাদের কণ্ঠ মিলে বর্ষার অনুভব দেয় শ্রোতাদের।

ভারতীয় হাইকমিশনের এমপি হলে শ্রাবণ সন্ধ্যার সংগীতায়োজন উপভোগ করেন সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তি, গণমাধ্যমকর্মী ও সংগীতানুরাগীরা।

আরও