ডিজনি ফক্স ও তাদের মিউট্যান্ট চরিত্রগুলোর স্বত্ব অধিগ্রহণের পর এটিই হবে প্রথম এক্স-মেন সিনেমা। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় এমসিইউর বিভিন্ন সিনেমায় কয়েকজন এক্স-মেন চরিত্রের উপস্থিতি দেখা গেছে। বিলিয়ন ডলার আয় করা ব্লকবাস্টার ‘ডেডপুল অ্যান্ড উলভারিন’ এবং ডিজনি প্লাসের জনপ্রিয় অ্যানিমেটেড সিরিজ ‘এক্স-মেন ’৯৭’ ধীরে ধীরে মিউট্যান্টদের আবারো দর্শকের সামনে ফিরিয়ে এনেছে।
এবার ফক্সের ‘ডার্ক ফিনিক্স’-এর পর প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় একটি পূর্ণাঙ্গ এক্স-মেন সিনেমা আসছে।
এমসিইউর বিভিন্ন সিনেমায় ফক্সের এক্স-মেন ফ্র্যাঞ্চাইজির তারকাদের ক্যামিওও দেখা গেছে। যেমন ‘ডক্টর স্ট্রেঞ্জ ইন দ্য মাল্টিভার্স অব ম্যাডনেস’-এ প্রফেসর চার্লস জেভিয়ারের ভূমিকায় আবারো অভিনয় করেছেন প্যাট্রিক স্টুয়ার্ট। ‘দ্য মার্ভেলস’-এর শেষ দৃশ্যেও দেখা গেছে কেলসি গ্রামারকে। সেখানে নীল চুলের অত্যন্ত মেধাবী বিজ্ঞানী বিস্ট চরিত্রে হাজির হয়েছিলেন তিনি।
ডেডপুল অ্যান্ড উলভারিন ফক্সের এক্স-মেন চরিত্রগুলোকে এমসিইউতে ফেরার পথ তৈরি করে দেয়ার পর ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ সে দরজা পুরোপুরি খুলে দিচ্ছে। এ টিমআপ সিনেমায় স্টুয়ার্ট ও গ্রামারের পাশাপাশি ম্যাগনেটোর ভূমিকায় ইয়ান ম্যাককেলেন, লেজার রশ্মি ছোড়া সাইক্লপস চরিত্রে জেমস মার্সডেন, টেলিপোর্ট করতে সক্ষম নাইটক্রলার চরিত্রে অ্যালান কামিং এবং রূপ পরিবর্তনকারী মিস্টিক চরিত্রে রেবেকা রোমিন ফিরবেন।
ডেডপুল অ্যান্ড উলভারিনে অভিষেকের পর চ্যানিং ট্যাটামের কার্ড ছুড়ে আক্রমণ করা গ্যামবিট চরিত্রটিও ডুমসডেতে যোগ দেবে। সিনেমাটি ১৮ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা।
২০০০-এর দশকে ফক্সের এক্স-মেন সিনেমাগুলো বেশ সাফল্য পেয়েছিল। এর মধ্যে ছিল মূল ট্রিলজি এবং পরবর্তী প্রিকুয়াল সিনেমাগুলো, যেখানে তরুণ প্রফেসর জেভিয়ার ও ম্যাগনেটোর ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন জেমস ম্যাকঅ্যাভয় ও মাইকেল ফাসবেন্ডার।
তবে এ ফ্র্যাঞ্চাইজির সবচেয়ে বড় তারকা হয়ে উঠেছিলেন হিউ জ্যাকম্যানের উলভারিন। তার চরিত্রকে কেন্দ্র করে তিনটি স্বতন্ত্র সিনেমা নির্মাণ হয়। পরে তিনি ব্লকবাস্টার ডেডপুল অ্যান্ড উলভারিনেও ফিরে আসেন।
তবে ‘দ্য নিউ মিউট্যান্টস’-এর মাধ্যমে ফক্সের এক্স-মেন ফ্র্যাঞ্চাইজির যাত্রা অনেকটাই থমকে যায়। ফলে বড় পর্দায় এক্স-মেনদের আর কোনো নির্দিষ্ট ঠিকানা ছিল না। এবার সে শূন্যতা পূরণ করতে মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সে ফিরছে এক্স-মেন।
সূত্র: ভ্যারাইটি