গানে গানে মোহাম্মদ রফিকে স্মরণ

আগামী ৩১ জুলাই মোহাম্মদ রফির মৃত্যুবার্ষিকী। দিনটি সামনে রেখে ভারতীয় হাইকমিশনের ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র (আইজিসিসি) ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে একটি সংগীতানুষ্ঠান আয়োজন করে।

সংগীতের এক অনন্য প্রতিভা মোহাম্মদ রফি। ভারতের এ শিল্পী বহু ভাষায়, বহু ধরনের গান গেয়েছেন। আগামী ৩১ জুলাই তার মৃত্যুবার্ষিকী। দিনটি সামনে রেখে ভারতীয় হাইকমিশনের ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র (আইজিসিসি) ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে একটি সংগীতানুষ্ঠান আয়োজন করে।

এ উপলক্ষে ভারতের কণ্ঠশিল্পী প্রিয়ংবদা ব্যানার্জি এবং বাংলাদেশের শিল্পী মো. রাশেদ উদ্দিন রফির কালজয়ী গানসহ কয়েকটি শাস্ত্রীয় সংগীত পরিবেশন করেন। তাদের পরিবেশনা ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক সুরেলা প্রতিফলন হয়ে ওঠে।

প্রিয়ংবদা ব্যানার্জি রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি, ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীত, লোকসংগীত ও সমকালীন সংগীতের শিল্পী। সংগীতপ্রেমী পরিবারে বেড়ে উঠেছেন তিনি। রবীন্দ্রসংগীতের একাধিক অ্যালবাম রয়েছে প্রিয়ংবদার। উনিশ ও বিশ শতকের বাংলা সংগীতধারার প্রতি তার গভীর অনুরাগ রয়েছে। আজকের অনুষ্ঠানেও তিনি গান গেয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন।

তার সঙ্গে মঞ্চে ছিলেন বাংলাদেশের কণ্ঠশিল্পী মো. রাশেদ উদ্দিন। শাস্ত্রীয় ও সমকালীন বাংলা গানের প্রাণবন্ত পরিবেশনার জন্য তিনি সুপরিচিত। বাংলাদেশের সংগীতচর্চা ও প্রসারে তার অবদান এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজনে আকর্ষণীয় মঞ্চ উপস্থিতির জন্য তিনি প্রশংসিত। দুজন শিল্পীই মোহাম্মদ রফির কালজয়ী গানগুলো গেয়েছেন।

স্মরণসন্ধ্যায় উপস্থিত ছিলেন দেশের বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিত্ব, গণমাধ্যমকর্মী, সংগীতের শিক্ষার্থী ও সংগীতপ্রেমীরা।

এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। বক্তব্যে তিনি বলেন, রফি সাহেবের কালজয়ী গান আজও বিশ্বের নানা প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে। তিনি শিল্পীর বিনয়, উদারতা এবং সংগীতের প্রতি তার অবিচল নিষ্ঠার কথাও তুলে ধরেন। মোহাম্মদ রফিকে সংগীতজগতের এক অনন্য মহীরুহ হিসেবে অভিহিত করেন দীনেশ ত্রিবেদী।

অনুষ্ঠানটি ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের চলমান সাংস্কৃতিক বিনিময় কার্যক্রমের অংশ। সংগীতের মাধ্যমে সীমান্ত অতিক্রম করে মানুষের হৃদয়কে একসূত্রে গেঁথে দেয়া কিংবদন্তি শিল্পীদের সম্মান জানানো এবং ভারত-বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

আরও