নতুন একটি মিশন নিয়ে হাজির হচ্ছেন টম ক্রুজ। ‘মিশন: ইম্পসিবল’ সিরিজের নতুন সিনেমা ‘মিশন ইম্পসিবল-ফাইনাল রেকনিং’। সোমবার রাতে প্রকাশ হয় সিনেমাটির প্রথম ট্রেলার এবং বরাবরের মতো এবারো টম ক্রুজ দর্শককে বিস্মিত করেছেন অসাধারণ সব স্টান্ট ও অ্যাকশন দিয়ে। তবে মিশন: ইম্পসিবল এইটের মধ্য দিয়েই সম্ভবত শেষ হচ্ছে এ ফ্র্যাঞ্চাইজি।
ইথান হান্টের মিশন নিয়ে সবসময়ই আগ্রহী থাকেন দর্শক। গত বছর মুক্তি পেয়েছিল মিশন: ইম্পসিবলের একটি সিনেমা। কিন্তু যথেষ্ট আয় করতে পারেনি বক্স অফিসে। তবে তাতে দর্শকের আগ্রহ কমে না। টম ক্রুজ মানেই অ্যাকশন ও গল্পের কম্বিনেশন। এবারো তাই দর্শক আশা করছেন আগের সিনেমাগুলোর মতোই দুর্দান্ত হতে যাচ্ছে ইথান হান্টের মিশন।
কিন্তু সিনেমাটি দিয়ে শেষ হবে মিশন: ইম্পসিবল, এমন ভাবার কারণ কী? কারণ মূলত অনেক। প্রথমত, এ সিরিজ আগের মতো দর্শক টানতে পারছে না। প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে অরিজিনাল অ্যাকশন সিনেমা অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে। সে কারণে কিছুটা পিছিয়েছে ক্রুজের মিশন ইম্পসিবলও।
এর মধ্যে তার টপ গান আয় করেছিল বিলিয়ন ডলার। তবে তা সম্ভব হয়েছিল মূলত নস্টালজিয়ার কারণে। মিশন: ইম্পসিবলে তা পাওয়া যায়নি। ২০ কোটি ডলারে নির্মিত ডেড রেকনিং পার্ট ওয়ান ৫০ কোটি ডলারের মতো আয় করেছে, কিন্তু আশা ছিল আরো বেশি।
ডেড রেকনিং পার্ট টুর নাম বদলে ফাইনাল রেকনিং রাখার কারণে ধারণা করা হচ্ছে এটি সিরিজের শেষ সিনেমা হবে। এছাড়া টম ক্রুজের বয়সও একটা বড় বিষয়। আরো দুই তিন বছর পর এখনকার মতো স্টান্ট করা সম্ভব হবে না তার পক্ষে।
এবারের সিনেমাটির মধ্য দিয়ে আবারো পরিচালকের আসনে থাকছেন ক্রিস্টোফার ম্যাকুয়ের। তার প্রতিই ভরসা রেখেছে প্যারামাউন্ট ও স্কাইডান্স। সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল এ বছরই। কিন্তু ব্যবসা, শুটিং ও নানা জটিলতার কারণে এটি পেছানো হয়েছে। এখন মুক্তির তারিখ ঠিক করা হয়েছে ২০২৫ সালের ২৩ মে।
সূত্র: ইয়ন