গণজাগরণের চারুকলা প্রদর্শনী চলছে শিল্পকলায়

বছরজুড়ে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন থাকে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে।

বছরজুড়ে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন থাকে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে। সে ধারাবাহিকতায় চলছে ‘গণজাগরণের চারুকলা প্রদর্শনী ২০২৩।’ মাসব্যাপী এ আয়োজনে তিন শতাধিক চারুশিল্পী ও আলোকচিত্র শিল্পীর অংশগ্রহণে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা বিভাগের ব্যবস্থাপনায় চলছে এ প্রদর্শনী। গত ৩০ ডিসেম্বর শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালায় একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। ‘উন্নয়নের বাংলাদেশ, নান্দনিক বাংলাদেশ’ শীর্ষক জাতীয় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ও ‘‌উন্নয়নের চারুশিল্প’ শীর্ষক এ চিত্রকলা প্রদর্শনী চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত।

গণজাগরণের চারুকলা প্রদর্শনী ২০২৩-এর আয়োজনে লিয়াকত আলী লাকী বলেন ‘রাজনীতিতে যিনি জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হন, তিনি শাসক নন সেবক। রাজনীতির মূল চাবিকাঠিই হলো শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি। এ সাংস্কৃতিক অগ্রযাত্রায় সবার অংশগ্রহণ জরুরি। শিল্পী, সাহিত্যিকদের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদেরও সংস্কৃতির হাল ধরতে এগিয়ে আসতে হবে।’ 

শিল্পকলা একাডেমি জানিয়েছে, দেশের বরেণ্য চারুশিল্পীদের অংশগ্রহণে উন্নয়নের চারুশিল্প শীর্ষক আর্টক্যাম্প থেকে সংগৃহীত ৬৯ জন চারুশিল্পীর ৬৯টি চিত্রকর্ম নিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মাসব্যাপী এ প্রদর্শনী। আর্টক্যাম্পে অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের মধ্যে রয়েছেন হাশেম খান, ফরিদা জামান, আবুল বারাক আলভী, আবদুল মান্নান, কনক চাঁপা চাকমা, মোহাম্মদ ইউনুস, শেখ আফজাল, চৈতন্য মল্লিক। এছাড়া এ আলোকচিত্র প্রতিযোগিতায় ২১৪ জন আলোকচিত্র শিল্পীর ৬৩৮টি আলোকচিত্র জমা পড়েছে। সেখান থেকে ১২৯ জন শিল্পীর ২৩৫টি আলোকচিত্র এ প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতায় নির্বাচন করা হয়েছে। নির্বাচিত ২৩৫টি আলোকচিত্র হতে তিনটির পুরস্কার দেয়া হবে, যার অর্থমূল্য যথাক্রমে ৫০ হাজার, ৪০ হাজার, ৩০ হাজার টাকা। এছাড়া ১০টি বিশেষ পুরস্কার দেয়া হবে, যার প্রতিটির অর্থমূল্য ১০ হাজার টাকা। 

শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালার ২, ৩ ও ৪ নম্বর গ্যালারিতে গণজাগরণের চারুকলা প্রদর্শনী প্রতিদিন বেলা ১১টা হতে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলবে।

আরও