আশির দশকের বাংলা সংগীতাঙ্গনের সাড়া জাগানো সংগীতশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ। বিশেষ করে দেশের পপ সংগীতের ইতিহাসে যে ক’জন সংগীতশিল্পীর নাম আগে চলে আসে, তিনি তার মধ্যে অন্যতম। শুধু গানই নয়, তার পোশাক-আশাক, সাজগোজ, স্টেজ পারফরম্যান্স— সবকিছুতেই পপ মিউজিকের ফ্যাশন ও ভাবধারার বহিঃপ্রকাশ ছিল। ঝলমলে পোশাক, ব্যাক ব্রাশ চুল, সানগ্লাস পরে মাতিয়েছেন বাংলার স্টেজ। তার গানের ভক্ত তো রয়েছেই। কিন্তু তার সানগ্লাস নিয়েও ভক্তদের আগ্রহের কমতি নেই। সানগ্লাস ছাড়া ফেরদৌস ওয়াহিদকে খুব একটা দেখা যেত না বললে ভুল হবে না।
ফেরদৌস ওয়াহিদের ব্যক্তিগত সংগ্রহে ছিল শতাধিক সানগ্লাস। সেগুলো ছিল নানা ব্র্যান্ডের। সানগ্লাসের ব্র্যান্ডের মধ্যে তার পছন্দ ছিল রে-ব্যান, আরেকটি হলো আরমানি। ব্র্যান্ডটি পোশাকের জন্যও বেশ পরিচিত। এছাড়া মামুনিয়াখ্যাত এ সংগীতশিল্পী বিভিন্ন সময় দেশের বাইরে স্টেজ শো করতে যেতেন। যখনই দেশের বাইরে গিয়েছেন বিভিন্ন দেশের নামকরা শপিংমল থেকে সংগ্রহ করেছেন নানা ব্র্যান্ডের সানগ্লাস। আমেরিকা ও ইউরোপ থেকেই বেশির ভাগ সানগ্লাস কিনতেন তিনি। এসব সানগ্লাসের অর্থমূল্য কত হতে পারে? এ নিয়ে তার ভক্তদের মনে নিশ্চয়ই প্রশ্ন জাগতে পারে। ফেরদৌস ওয়াহিদ জানালেন, দেশের বাইরে থেকে কেনা সানগ্লাসগুলোর দাম কোনোটাই ৬০০ ডলারের বেশি নয়।
সানগ্লাস সাধারণত বিভিন্ন রঙের হয়। তবে ফেরদৌস ওয়াহিদ বরাবরই প্রাধান্য দিয়েছেন কালো রঙকে। ব্ল্যাক সানগ্লাস ছাড়া অন্য রঙের সানগ্লাসে তাকে খুবই কমই দেখা যেত। তবে একটা সময় এসে কালোর সঙ্গে যুক্ত করেছেন লাল, সবুজসহ ভিন্ন কিছু রঙের সানগ্লাস। ফেরদৌস ওয়াহিদ জানালেন, তার সংগৃহীত সানগ্লাসের বেশির ভাগই তিনি পরিচিতদের দিয়ে দিয়েছেন। তার কাছে বর্তমানে সানগ্লাস রয়েছে আট-দশটি।