দীপাবলি এলেই বদলে যায় চারপাশের চেনা দৃশ্য। আলোয় সেজে ওঠে শহর। চলে খাওয়া-দাওয়া আর আড্ডা। অভিনেত্রী ফাতিমা সানা শেখের কাছেও দীপাবলি মানে এসব ছোট ছোট আনন্দ। সঙ্গে আছে পছন্দের মিষ্টি আর একটু বেশি সাজগোজের সুযোগ।
সম্প্রতি ‘এইচটি সিটি শোস্টপার্স’-এর সঙ্গে আলাপচারিতায় উৎসব নিয়ে নিজের ভাবনার কথা জানিয়েছেন ফাতিমা। তার কাছে দীপাবলির সবচেয়ে সুন্দর দিক হলো চারপাশের আনন্দময় পরিবেশ। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দীপাবলির মধ্যে এমন কিছু একটা আছে, যা সবাইকে আনন্দিত করে তোলে। শহরটা সুন্দর করে সাজানো হয়, মানুষ নতুন পোশাক পরে, একে অন্যের বাড়িতে বেড়াতে যায়, ভালো খাবার খায়। চারপাশে একধরনের উষ্ণতা ছড়িয়ে থাকে।’
দীপাবলি তাকে ফিরিয়ে নেয় শৈশবেও। মনে পড়ে আলোকসজ্জায় ঝলমল করত পুরো পাড়া। নতুন পোশাক, মিষ্টি আর বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করতেন তিনি। শৈশবের স্মৃতি নিয়ে ফাতিমা বলেন, ‘বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পারি, ছোট বিষয়গুলোই আসলে উৎসবকে এত বিশেষ করে তুলেছিল।’
খাবারের প্রসঙ্গে মিষ্টিপ্রীতির কথা অকপটেই জানিয়েছেন ফাতিমা। গুলাব জামুন, পেড়া ও রসমালাই তার পছন্দের তালিকায় রয়েছে। বিশেষ করে ঘিয়ে তৈরি টাটকা মিষ্টিতে তার দুর্বলতা। ফাতিমার কথায়, ‘উৎসব উপভোগ করার জন্যই। সামনে ভালো খাবার থাকলে ক্যালরি গুনে সময় নষ্ট করতে চাই না।’
সাজগোজের ক্ষেত্রেও দীপাবলি তার কাছে বিশেষ উপলক্ষ। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী পোশাক পছন্দ করেন তিনি। শাড়ি তার সবচেয়ে প্রিয়। অভিনেত্রীর ভাষ্যে, শাড়ি এমন একটি পোশাক, যা অনায়াসেই বৈচিত্র্যময় ও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে। এবারের দীপাবলিতে প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটাবেন ফাতিমা।
উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি জীবন নিয়েও কিছু প্রত্যাশা রয়েছে ফাতিমার। জীবনের এ পর্যায়ে এসে মানসিক প্রশান্তিকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের আকাঙ্ক্ষার কথা জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘এখন আমি মানসিক শান্তিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিই। নতুন কিছু শিখতে চাই, ঘুরে বেড়াতে চাই, ভিন্ন ভিন্ন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হতে চাই। এমন কাজ করতে চাই, যা আমাকে আনন্দ দেয় ও অনুপ্রাণিত করে। পাশাপাশি জীবনে অপ্রত্যাশিত কিছু ভালো চমক এলে আরো ভালো।’
সূত্র: বলিউড হাঙ্গামা