ডেভিড ক্রসবির বিদায়

যুক্তরাষ্ট্রের কিংবদন্তি গায়ক, গীতিকার ও গিটারিস্ট ডেভিড ক্রসবি। গত শতকের ষাটের দশকের আলোচিত দুই ব্যান্ডের সদস্য তিনি। ৮১ বছর বয়সে মারা গেলেন ‘দ্য বার্ডস’ ও ‘ক্রসবি, স্টিলস অ্যান্ড ন্যাশ’-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ডেভিড।

যুক্তরাষ্ট্রের কিংবদন্তি গায়ক, গীতিকার ও গিটারিস্ট ডেভিড ক্রসবি। গত শতকের ষাটের দশকের আলোচিত দুই ব্যান্ডের সদস্য তিনি। ৮১ বছর বয়সে মারা গেলেন ‘দ্য বার্ডস’ ও ‘ক্রসবি, স্টিলস অ্যান্ড ন্যাশ’-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ডেভিড। 

ক্রসবির বিখ্যাত হওয়ার কারণ কেবল ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা হওয়া নয়। তিনি ছিলেন গায়ক, গিটারবাদক হিসেবেও অর্জন করেছেন খ্যাতি। প্রায় সাত দশকের ক্যারিয়ার ছিল তার। ব্যান্ডের পাশাপাশি একক গানও প্রকাশ করেছেন। লিখেছেন বহু গান। ‘এইট মাইলস হাই’, ‘উডেন শিপস’, ‘অলমোস্ট কাট মাই হেয়ার’ গানগুলোর সহলেখক ছিলেন ক্রসবি।

গত শতকের ষাটের দশকে লস অ্যাঞ্জেলেসে বসবাস শুরু করেন ডেভিড। গানের সঙ্গে যুক্ত হতে থাকেন এ সময়। ১৯৬৩ সালে রজার ম্যাকগুইন ও জেনে ক্লার্কের সঙ্গে ‘দ্য বার্ডস’ গঠন করেন। ১৯৬৫ সালে তাদের ব্যান্ডের ‘টার্ন! টার্ন! টার্ন!’ বেশ আলোচিত হয়েছিল। ওই বছর সেরা নতুন শিল্পী হিসেবে গ্র্যামির মনোনয়ন পায় ব্যান্ডটি।

কিন্তু এ ব্যান্ডের সঙ্গে বেশিদিন থাকতে পারেননি তিনি। সদস্যদের সঙ্গে মতপার্থক্য হওয়ার কারণে ১৯৬৭ সালে এটি ছেড়ে দেন ক্রসবি। পরের বছর গঠিত ব্যান্ড ‘‌ক্রসবি, স্টিলস অ্যান্ড ন্যাশ’-এর প্রকাশিত প্রথম অ্যালবাম ‘ক্রসবি, স্টিলস অ্যান্ড ন্যাশ’ জনপ্রিয় হয়। এ ব্যান্ডের সদস্যরাও উদীয়মান শিল্পী হিসেবে গ্র্যামি পেয়েছিলেন। ১৯৭১ সালে ক্রসবির প্রথম একক অ্যালবাম ‘ইউ আই কুড অনলি রিমেম্বার মাই নেম’ প্রকাশিত হয়। আরেকটি একক অ্যালবাম ‘ক্রজ’ বিলবোর্ড টপ ১০০ চার্টে জায়গা করে নিয়েছিল।

ক্রসবি গল্পটা আর দশজন গায়কের মতোই। জীবনের একপর্যায়ে মাদকে জড়িয়ে পড়েছিলেন তিনি। ১৯৯৬ সালে পাঁচ মাস কারাবাসও করেছেন। এর আগেই লিভার ট্রান্সপ্লান্ট হয়েছিল। বার্ধক্যসহ নানা জটিলতায় ভুগছিলেন এ শিল্পী। সেসবের সঙ্গে লড়াই করে যাপন করা দীর্ঘ বর্ণময় জীবনের অবসান হলো।


সূত্র: ভ্যারাইটি

আরও