স্পেনসারের অভিনেত্রী ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট বললেন

ডায়ানা ইতিহাসের এক অজ্ঞেয় চরিত্র

প্রিন্সেস ডায়ানার জীবনীনির্ভর সাইকোলজিক্যাল ড্রামা স্পেনসার বড় পর্দায় মুক্তি পাবে আগামী ৫ নভেম্বর। ছবিটি পরিচালনা করছেন পাবলো ল্যারিয়েন আর চিত্রনাট্য লিখেছেন স্টিভেন নাইট।

প্রিন্সেস ডায়ানার জীবনীনির্ভর সাইকোলজিক্যাল ড্রামা স্পেনসার বড় পর্দায় মুক্তি পাবে আগামী নভেম্বর। ছবিটি পরিচালনা করছেন পাবলো ল্যারিয়েন আর চিত্রনাট্য লিখেছেন স্টিভেন নাইট। ডায়ানার চরিত্রে অভিনয় করেছেন আমেরিকান অভিনেত্রী ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট। ছবিতে মূলত উঠে আসবে প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে ডায়ানার বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি টানা রাজপরিবার থেকে তার বের হয়ে আসা। ছবিতে আরো অভিনয় করেছেন টিমোথি স্পাল, সিন হ্যারিস স্যালি হকিন্স।

স্পেনসার ছবিতে ডায়ানার চরিত্র করতে গিয়ে বেশ পরিশ্রম করতে হয়েছে ক্রিস্টেনকে। চরিত্রের জন্য তার গবেষণা নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন এন্টারটেইনমেন্ট উইকলির সঙ্গে। তিনি বলেন, তিনি (ডায়ানা) বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি কিন্তু তার সব সাক্ষাত্কারে একই রকম কথা বলেননি। অনেক ক্ষেত্রেই তার খামখেয়ালি ভাব দেখা যায়। তথ্যের ক্ষেত্রে নানা রকম উপাদান পাওয়া যায়।

ক্রিস্টেনের মনে হয়েছে, ডায়ানার মনের খোঁজ পাওয়াটা অসম্ভব। দুঃখজনক কিংবা দুর্ভাগ্যজনক যা- বলি না কেন, ডায়ানা ইতিহাসের এক অজ্ঞেয় চরিত্র। অথচ তিনি মানুষের ঘনিষ্ঠ হতে, তাদের সামনে নিজেকে মেলে ধরতে চাইতেন।

ক্রিস্টেনকে ডায়ানার চরিত্রে কাস্ট করার পর বেশ সমালোচনা হয়েছিল যে তিনি এজন্য সেরা বিকল্প নন। তবে ক্রিস্টেন আত্মবিশ্বাসী ডায়ানার চরিত্র বড় পর্দায় তুলে ধরতে তিনি তার দায়িত্ব ঠিকঠাকভাবেই পালন করতে পেরেছেন। সেপ্টেম্বরে ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে স্পেনসারের প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে ছবিটি প্রশংসা পেয়েছে, বিশেষত ক্রিস্টেন স্টুয়ার্টের অভিনয়।

কাজটি অবশ্য ক্রিস্টেনের জন্য সহজ ছিল না। সে অভিজ্ঞতার কথা তিনি বর্ণনা করেছেন এভাবে—‘গত ছয় মাস আমি একেবারে ডায়ানার জীবনে মগ্ন হয়েছিলাম। তারই ফল পর্দায় দেখা যাবে। এর পরও হয়তো অনেকে বলবেন, আমার কাজটি নিখুঁত হয়নি। তবে এমন মন্তব্য নিয়ে আমি তেমন কিছু ভাবছি না।

অবশ্য একটি জায়গায় ডায়ানার চরিত্র করতে গিয়ে ক্রিস্টেনকে হার মানতে হয়েছে। নিজের চুল ঢাকতে হয়েছে তাকে এবং জানিয়েছেন উইগ পরতে না হলে তাদের শুটিং করতে আরো অনেক কম সময় লাগত।

১৯৯৭ সালে প্রিন্সেস ডায়ানা যখন গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যান তখন টুয়েলাইট তারকা ক্রিস্টেনের বয়স মাত্র তিন। চরিত্রটির জন্য যখন তাকে প্রস্তাব দেয়া হয় তখন তিনি সায় দেন। এক্ষেত্রে অবশ্য তার মনে টানাপড়েনও কাজ করেছে। প্রথমত, তিনি যুক্তরাজ্যের নাগরিক নন। দ্বিতীয়ত, ব্রিটিশ রাজপরিবারের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্কও নেই। চিত্রনাট্য পড়ার আগেই জানতাম যে ব্যাপারটা এমন তুমি তো না বলতে পারবে না। কারণ সেক্ষেত্রে তোমাকে সবাই ভীতু বলবে আমি সত্যিই ভয় পেয়েছিলাম। কারণ এখানে আমি তো আগন্তুক। আমি যুক্তরাজ্যের মানুষ নই। রাজপরিবারের সঙ্গেও আমার তেমন কোনো সম্পর্ক নেই।

 

সূত্র: এন্টারটেইনমেন্ট উইকলি

আরও