সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, হলিউড অভিনেত্রীর মৃত্যুর পরিস্থিতি সম্পর্কে ধীরে ধীরে আরো তথ্য সামনে আসছে। পুলিশ কর্তৃপক্ষ ৯১১-এ করা ফোনকলের নতুন কিছু তথ্য প্রকাশ করেছে।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে টিএমজেডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার বেলা ১টা ৫১ মিনিটে হেইডেনের এক বন্ধু ৯১১-এ ফোন করে জানান, গ্রিনভিলের ওই বাসভবনের ভেতর অভিনেত্রী সাড়া দিচ্ছেন না এবং তার হৃদ্যন্ত্র বন্ধ হয়ে গেছিল। ফোনকলের অডিওতে জানা যায়, অতিরিক্ত মাদক গ্রহণের কারণে অসুস্থ এক ব্যক্তিকে সিপিআর দেয়ার জন্য ঘটনাস্থলে চিকিৎসাকর্মীদের পাঠানো হয়েছিল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রিনভিল পুলিশের কর্মকর্তা ও জরুরি চিকিৎসাসেবাকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এরপর প্যারামেডিকরা অ্যাডভান্সড কার্ডিয়াক লাইফ সাপোর্টের মাধ্যমে হেইডেনকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করেন। এ চিকিৎসা পদ্ধতিতে সিপিআরের পাশাপাশি বিশেষ ওষুধ, শ্বাসনালিতে টিউব স্থাপন এবং হৃদ্যন্ত্রের ছন্দ পর্যবেক্ষণের মতো ব্যবস্থা নেয়া হয়। প্যারামেডিকরা হেইডেনের বুকে চাপ প্রয়োগ করে হৃদ্যন্ত্র সচল করার চেষ্টা করলেও ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল।
সোমবারই তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। করোনারের কার্যালয় জানিয়েছে, ময়নাতদন্তে এমন কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি, যা তার মৃত্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। তবে আরো তদন্ত ও কিছু পরীক্ষার ফল হাতে পাওয়ার পর তার মৃত্যুর কারণ ও ধরন নির্ধারণ করা হবে।
করোনারের কার্যালয় জানিয়েছে, মৃত্যুর সময় হেইডেন ওই বাসভবনে সাময়িকভাবে অবস্থান করছিলেন। তার মৃত্যুর বিষয়ে গ্রিনভিল কাউন্টি করোনারের কার্যালয় ও গ্রিনভিল সিটি পুলিশ বিভাগ পৃথকভাবে তদন্ত শুরু করেছে।
শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় শুরু করেছিলেন হেইডেন। পরে এনবিসির জনপ্রিয় সিরিজ ‘হিরোস’-এ ক্লেয়ার বেনেট চরিত্রে অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পান। এরপর সংগীতনির্ভর নাট্যধর্মী সিরিজ ‘ন্যাশভিল’-এ জুলিয়েট বার্নস চরিত্রে অভিনয় করেন। এ চরিত্রের জন্য দুটি গোল্ডেন গ্লোব মনোনয়নও পেয়েছিলেন তিনি।
সূত্র: ইয়ন