ইলোন মাস্কের ‘ওডিসি’ নিয়ে বিরক্ত দর্শক

২৩ অক্টোবর গ্রোক ইমাজিনের এক্স অ্যাকাউন্টে প্রথম পর্বটি প্রকাশ করা হয়। প্রকল্পটির সঙ্গে সৃজনশীল সহযোগী হিসেবে যুক্ত রয়েছে ওয়ান্ডার স্টুডিওস ও পরিচালক ডেভ ওয়াকার।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে নির্মিত হচ্ছে চলচ্চিত্র। ছোট পরিসরেই আছে এখনো। তবে এ কাজে এক ধাপ এগোলেন ইলোন মাস্ক। তার এআই প্লাটফর্ম গ্রোক ইমাজিন নতুন একটি কাজ এনেছে। হোমারের মহাকাব্য ওডিসি থেকে চলচ্চিত্র নির্মাণ করছে প্লাটফর্মটি। এরই মধ্যে প্রকাশ হয়েছে এআই-নির্ভর চলচ্চিত্রের প্রথম পর্ব। ব্যাপ্তি সাত মিনিট। ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ মহাকাব্যটির পূর্ণদৈর্ঘ্য সংস্করণ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে দর্শক পছন্দ করছে না এ সংস্করণ।

২৩ অক্টোবর গ্রোক ইমাজিনের এক্স অ্যাকাউন্টে প্রথম পর্বটি প্রকাশ করা হয়। প্রকল্পটির সঙ্গে সৃজনশীল সহযোগী হিসেবে যুক্ত রয়েছে ওয়ান্ডার স্টুডিওস ও পরিচালক ডেভ ওয়াকার। প্রকাশিত দৃশ্যগুলোয় দেখা যায়, ট্রয়ের অভিযানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ওডিসিয়াস। একটি দৃশ্যে পেনেলোপির সঙ্গে তার কথোপকথন আছে। এছাড়া গ্রিক বাহিনীর ট্রয়ের উদ্দেশে সমুদ্রযাত্রার দৃশ্যও রয়েছে। পাশাপাশি কাহিনী এগিয়েছে ওডিসিউসের ছেলে টেলিমেকাসের বেড়ে ওঠা ও যুদ্ধের প্রশিক্ষণ নেয়ার মধ্য দিয়ে।

পর্বটি থেকে প্রাথমিকভাবে ধারণা পাওয়া যায়, দীর্ঘ চলচ্চিত্রের আখ্যান নির্মাণে গ্রোক ইমাজিন কীভাবে এআই-নির্মিত দৃশ্য ব্যবহার করছে। তবে প্রথম পর্ব প্রকাশের সঙ্গে দেয়া পোস্টে পরবর্তী পর্বগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান।

গত জুলাইয়ে এক্সে মাস্ক ঘোষণা দিয়েছিলেন, বছরের শেষ নাগাদ গ্রোক ইমাজিনের মাধ্যমে দি ওডিসি অবলম্বনে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হবে। তার ভাষায়, সিনেমাটি হবে ‘ঐতিহাসিকভাবে নির্ভুল ও হোমারের শিল্পসৃষ্টির প্রতি বিশ্বস্ত’। এআই দিয়ে তৈরি দৃশ্য প্রচলিত চলচ্চিত্র নির্মাণের গল্প বলার দক্ষতা ও শৈল্পিক মানের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারবে কিনা তা নিয়ে এরই মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। কিছু প্রতিবেদনে ছবিটির কয়েকটি দৃশ্যের বাস্তবসম্মত উপস্থাপনার প্রশংসা করা হলেও অন্যদিকে দৃশ্যের গতি, সংলাপ ও আবেগের প্রকাশ নিয়ে সমালোচনা করেছে দর্শকের একাংশ।

এক্সে একজন লিখেছেন, একেবারেই আগ্রহী নই। এআই কখনই অভিনেতা, চিত্রনাট্যকার, পরিচালক ও সম্পাদকের প্রতিভার বিকল্প হতে পারবে না।

আরেকজনের মন্তব্য, ইলোনের রুচি কেমন, তা নিখুঁতভাবে তুলে ধরেছে এটি। একেবারে জঘন্য।

তৃতীয় এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, এটি জ্যাক স্নাইডারের সিনেমার মতোই খারাপ। পুরো ছবির আবহে কোনো সামঞ্জস্য নেই।

সূত্র: ইয়ন

আরও