কামাল আউর মীনা

ট্র্যাজেডি কুইন মীনা কুমারীর বায়োপিকে সাইফ-তৃপ্তি

হিন্দি সিনেমার অন্যতম আইকনিক অভিনেত্রী মীনা কুমারীর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়কে কেন্দ্র করে নির্মিত হবে ছবিটি। একইসঙ্গে এতে মীনা কুমারীর সঙ্গে পরিচালক কামাল আমরোহির প্রেমের সম্পর্কও তুলে ধরা হবে। পরবর্তী সময়ে তারা বিয়ে করেছিলেন

হিন্দি সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেত্রী মীনা কুমারী ও চলচ্চিত্র নির্মাতা কামাল আমরোহির প্রেম, বিয়ে ও সম্পর্কের গল্প এবার উঠে আসছে বড় পর্দায়। সিদ্ধার্থ পি মালহোত্রা নির্মিত বায়োপিক ‘কামাল আউর মীনা’তে প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের জন্য সাইফ আলী খান ও তৃপ্তি দিমরির সঙ্গে নির্মাতারা চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনা করছেন। খবর ভ্যারাইটি ইন্ডিয়া।

সিদ্ধার্থ সম্প্রতি জানিয়েছিলেন, ছবিটির প্রধান দুই চরিত্রের অভিনেতা-অভিনেত্রী চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর পরই ভ্যারাইটি ইন্ডিয়া জানতে পারে, সাইফ আলী খান ও তৃপ্তি দিমরির সঙ্গে ছবিটির প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের বিষয়ে অগ্রসর পর্যায়ের আলোচনা চলছে।

একটি সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘কামাল আউর মীনা’ নেটফ্লিক্সের জন্য নির্মিত একটি অরিজিনাল ফিল্ম। এতে ‘ট্র্যাজেডি কুইন’-খ্যাত মীনা কুমারী ও কামাল আমরোহির জীবনকাহিনি তুলে ধরা হবে।

বর্তমানে সাইফ ও তৃপ্তির সঙ্গে চুক্তির বিষয়চূড়ান্ত করার পাশাপাশি শুটিংয়ের সময়সূচি নিয়েও আলোচনা চলছে। ছবিটি এখন প্রি-প্রোডাকশন পর্যায়ে রয়েছে।

এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘কামাল আউর মীনা’র ঘোষণা দেয়া হয়। ছবিটি প্রযোজনা করছেন মীনা কুমারী ও কামাল আমরোহির নাতি বিলাল আমরোহি।

হিন্দি সিনেমার অন্যতম আইকনিক অভিনেত্রী মীনা কুমারীর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়কে কেন্দ্র করে নির্মিত হবে ছবিটি। একইসঙ্গে এতে মীনা কুমারীর সঙ্গে পরিচালক কামাল আমরোহির প্রেমের সম্পর্কও তুলে ধরা হবে। পরবর্তী সময়ে তারা বিয়ে করেছিলেন।

এর আগে মীনা কুমারীর জীবন নিয়ে একাধিকবার বায়োপিক নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রীতিশ নন্দী কমিউনিকেশনসের প্রযোজনায় এমনই একটি প্রকল্প থেকে পরে সরে দাঁড়িয়েছিলেন বিদ্যা বালান। ২০২৪ সালে পরিচালক মনীশ মালহোত্রাও নিশ্চিত করেছিলেন, তিনি মীনা কুমারীর বায়োপিক পরিচালনা থেকে সরে গেছেন। ওই প্রকল্পে কৃতি শ্যাননকে প্রধান চরিত্রে নেয়ার কথা ছিল বলে খবর প্রকাশিত হয়েছিল। এছাড়া ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও কিয়ারা আদভানির নামও মীনা কুমারীর বায়োপিকের বিভিন্ন উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল।

মীনা কুমারীর উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে বৈজু বাওরা (১৯৫২), সাহিব বিবি আউর গুলাম (১৯৬২), কাজল (১৯৬৫), ফুল আউর পাথর (১৯৬৬) ও পাকিজা (১৯৭২)।

আরও