ছুটির দিনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘অচলায়তন’ মঞ্চায়নে প্রাচ্যনাট

বাঙালির নাটক-থিয়েটারের একটা বড় জায়গাজুড়ে আছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

বাঙালির নাটক-থিয়েটারের একটা বড় জায়গাজুড়ে আছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সে ধারায় তার ‘অচলায়তন’ নাটকটি মঞ্চায়ন করতে যাচ্ছে দেশের অন্যতম নাট্যদল প্রাচ্যনাট। আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় পরীক্ষণ থিয়েটার হলে ও আগামীকাল একই সময়ে জাতীয় নাট্যশালার মূল মঞ্চে মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে প্রাচ্যনাটের ‘অচলায়তন’। নাগরিক নাট্য সম্প্রদায় ও মঙ্গলদীপ ফাউন্ডেশনের প্রণোদনায় প্রাচ্যনাটের ৪২তম প্রযোজনা এটি। নাটকটি নির্দেশনা দিয়েছেন আজাদ আবুল কালাম। 

নাটকটি নিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রাচ্যনাটের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের তত্ত্বনাটক, প্রতীকী নাটক নিয়ে অনেক সমালোচকদের অস্পষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। সে অভিযোগ খণ্ডন করতেই আমাদের অচলায়তন মঞ্চায়নের প্রয়াস এবং নাটকটির প্রতীকের ব্যবহার যথার্থ রূপে প্রকাশের ইচ্ছা থেকেই এ চেষ্টা। অচলায়তন বিদ্যাপীঠকে আমরা কল্পনা করেছি একটি বালিকা বা নারী শিক্ষাগৃহ হিসেবে। আমাদের মতো পশ্চাৎপদ ও ধর্মীয়-সামাজিক চিন্তায় অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী নারী। নারীকে কুসংস্কার আর নানা বিধি-নিষেধের মধ্যে আটকে রাখার নানা ষড়যন্ত্র বিদ্যমান এবং কখনো সে ষড়যন্ত্রে নারী নিজেও যেন প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়।’

এ বিদ্যায়তনের দুই শিক্ষার্থী পঞ্চক ও মহাপঞ্চক। তারা আপন ভাই হলেও তাদের জীবনদর্শন বিপরীত। পঞ্চক বিদ্রোহী মনোভাবসম্পন্ন, সে সব রকমের গতানুগতিকতাকে প্রশ্ন করে ও অচলায়তনের নিয়মতান্ত্রিকতার ত্রুটিগুলোকে চিহ্নিত করে। অন্যদিকে মহাপঞ্চক গতানুগতিক চিন্তা প্রবাহে অন্ধভাবে বিশ্বাস করে ও বিদ্যায়তনের সব নিয়মকেই বিনা প্রশ্নে অনুসরণ করে। তাদের কেন্দ্র করেই এগিয়ে যায় এ নাটকের গল্প। 

নাটকটির বিভিন্ন চরিত্র রূপায়ণ করছেন সানজিদা প্রীতি, শাহানা রহমান সুমি, শাহেদ আলী সুজন, তৌফিকুল ইসলাম ইমন, শাখাওয়াত হোসেন রেজভী, জাহাঙ্গীর আলম, চেতনা রহমান ভাষা, প্রমুখ। 

আরও