বেকহ্যামের স্মৃতি জাগালেন গুলার, রিয়ালের বড় জয়

শেষদিকে এসে গুলারের ওই অসম্ভব শটটি কেবল রিয়ালের বড় জয়ই নিশ্চিত করেনি, বরং স্টেডিয়ামকে করেছে স্তব্ধ। আলভারো আরবেলোয়া মুগ্ধ হয়ে বলেছেন, ‘সবাই অবিশ্বাস্য চোখে তাকিয়ে ছিল। এই একটি গোল দেখার জন্যই টিকেটের পুরো দাম উসুল হয়ে যায়।‘

ফুটবল মাঠে সময় যেন থমকে গিয়েছিল সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর ৮৯ মিনিটে। প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক মাতিয়াস দিতুরোকে অনেকটা এগিয়ে থাকতে দেখে রিয়াল মাদ্রিদ মিডফিল্ডার আরদা গুলার যখন নিজের অর্ধ থেকে ৬৫-৭০ মিটার দূর দিয়ে সেই জাদুকরী লব নিলেন, তখন গ্যালারির হাজারো দর্শক যেন তিন দশক পিছিয়ে গিয়েছিল ১৯৯৬ সালের সেই ঐতিহাসিক সেলহার্স্ট পার্কে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে ডেভিড বেকহ্যামের সেই কিংবদন্তি গোলের কথা মনে করিয়ে দিয়ে এলচের বিপক্ষে রিয়ালের ৪-১ ব্যবধানের জয়ের দিনে গুলার এক বিস্ময়কর মুহূর্ত উপহার দিলেন।

ম্যাচটিতে শুরু থেকেই রিয়াল মাদ্রিদ এলচেকে নিজেদের অর্ধেই আটকে রেখেছিল। দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক আক্রমণে কোণঠাসা হয়ে পড়া এলচে রক্ষণভাগ আর কুলিয়ে উঠতে পারছিল না।

আরদা গুলার। ছবি- মার্কা

শেষদিকে এসে গুলারের ওই অসম্ভব শটটি কেবল রিয়ালের বড় জয়ই নিশ্চিত করেনি, বরং স্টেডিয়ামকে করেছে স্তব্ধ। আলভারো আরবেলোয়া মুগ্ধ হয়ে বলেছেন, ‘সবাই অবিশ্বাস্য চোখে তাকিয়ে ছিল। এই একটি গোল দেখার জন্যই টিকেটের পুরো দাম উসুল হয়ে যায়।‘

মৌসুমের এখনো অনেকটা বাকি, কিন্তু আরদা গুলারের গোলটি এখনই পরবর্তী ‘ফিফা পুসকাস অ্যাওয়ার্ড’ এর অন্যতম বড় দাবিদার হিসেবে উঠে এসেছে। অভিজ্ঞ লুকা মদ্রিচের বিদায়ের পর রিয়ালের মাঝমাঠে গুলার যে আস্থার জায়গা তৈরি করছেন, এই গোলের মাধ্যমে তিনি নিজেকে যেন এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেলেন।

আরও