আটটি দল দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে লড়ছে। ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড ও হংকং এবং ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইন্দোনেশিয়া। প্রতিবারের মতো এবারো ফেভারিট হিসেবে খেলতে নেমেছে ভারত। যদিও এ বছর টি-টোয়েন্টিতে তাদের সময়টা ভালো যায়নি, ১৬ ম্যাচের মধ্যে নয়টিতে হেরেছে হারমানপ্রীত কাউরের দল।
স্কোয়াডের গভীরতাই ভারতকে শিরোপার ফেভারিট হিসেবে জায়গা করে দিচ্ছে। যদিও তাদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারে শ্রীলংকার মেয়েরা। এ বছর ১০টি জয়ের বিপরীতে তিনটি ম্যাচে হেরেছে সিংহলিজরা। চামারি আতাপাত্তুর দল ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২-১-এ, বাংলাদেশকে ৩-০-তে ও পাকিস্তানকে ২-১-এ হারিয়েছে।
আগের পাঁচ আসরের মধ্যে তিনবারই শিরোপা জিতেছে ভারত। বাকি দুই আসরের মধ্যে ২০১৮ সালে বাংলাদেশের কাছে ও ২০২২ সালে শ্রীলংকার কাছে হেরে রানার্সআপ হয় ভারতের মেয়েরা।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলংকার কাছে টানা দুটি সিরিজে হেরে এশিয়া কাপ খেলতে গেছে পাকিস্তান। ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারের পর জুনের বিশ্বকাপে পাঁচ ম্যাচ খেলে চারটিতেই হেরে যায় পাকিস্তানের মেয়েরা। এ বছর টি-টোয়েন্টিতে উত্থান-পতন গেছে বাংলাদেশের। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে সাত ম্যাচের সবক’টিতেই জয় পায় নিগার সুলতানার দল। যদিও এর পরের ১২ ম্যাচের মধ্যে তারা হেরেছে ৮টিতে।