সিলেট টেস্ট

দ্বিতীয় দিনশেষে বাংলাদেশের লিড ১৫৬ রান

তাইজুল ও নাহিদ তিনটি করে এবং তাসকিন ও মিরাজ দুটি করে উইকেট নেন।

৫ আপডেট
  • ১৭ মে, ২০২৬

    দিনের শেষ বলে উইকেট হারাল বাংলাদেশ

    মুমিনুল হক প্রথম তিনটি বল রক্ষণাত্মক খেলেন। আর মাত্র তিনটি বল টিকতে পারলেই ২ উইকেট নিয়ে দিন শেষ করতে পারতো বাংলাদেশ। তবে খুররম শাহজাদের করা চতুর্থ বলটিকে ডিপ থার্ড ম্যান অঞ্চল দিয়ে মারতে গিয়ে উইকেটকিপার রিজওয়ানকে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। সময় ও পরিস্থিতির বিচারে তার এ শটটি অত্যন্ত অপ্রয়োজনীয় ছিল হয়তো। ৬০ বলে ৩০ রান করে বিদায় নেন ঢাকায় দুই ইনিংসেই ফিফটি করা মুমিনুল। বাংলাদেশ মাঠ ছাড়ে ৩ উইকেটে ১১০ রান নিয়ে। লিড ১৫৬ রানের।

  • ১৭ মে, ২০২৬

    বাংলাদেশের ১০০ রান

    দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেটে ১০০ রান তুলেছে বাংলাদেশ। ২২.১ ওভারে ১০০ রান এসেছে স্বাগতিকদের। দলের সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ১০৯ রান। লিড ১৫১ রানের। মুমিনুল ২৯ ও শান্ত ৯ রানে ব্যাট করছিলেন।

  • ১৭ মে, ২০২৬

    ফিফটি করে আউট জয়

    ৬৪ বলে ৫২ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলে আউট হয়ে গেছেন মাহমুদুল হাসান জয়। এরপর মুমিনুল হকের সঙ্গে যোগ দেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। মুমিনুল ২৬ ও শান্ত ২ রানে ব্যাট করছেন। দলের সংগ্রহ ৯৫/২।

  • ১৭ মে, ২০২৬

    বাংলাদেশের ৫০ রান

    দ্বিতীয় ইনিংসে দশম ওভারে ৫০ রান পেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান আউট হয়ে যাওয়ার পর মাহমুদুল হাসান জয় দারুণ ব্যাট করছেন। ৪২ বলে ৩৬ রানে ব্যাট করছিলেন তিনি। সঙ্গে ৬ রানে ব্যাট করছেন মুমিনুল। বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫৭/১।

  • ১৭ মে, ২০২৬

    তানজিদকে হারিয়েছে বাংলাদেশ

    ৪৬ রানের লিড পেয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ১৫ রানের মাথায় ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। সিলেটে অভিষিক্ত এ ব্যাটার খুররম শাহজাদের বলে গালিতে ক্যাচ দেন সৌদ শাকিলকে।

সিলেট টেস্টে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ২৭৮ রানের জবাবে ২৩২ রানে অলআউট হয়ে গেছে পাকিস্তান। বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেটে ১১০ রান তুলে আজ দ্বিতীয় দিন মাঠ ছাড়ে। দুই ইনিংস মিলে তাদের লিড ১৫৬ রানের।

আজ রোববার দ্বিতীয় দিন সকালে বিনা উইকেটে ২১ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তান প্রথম সেশন শেষ করে ৪ উইকেটে ৯৪ রান তুলে। ২৪ ওভারে তাদের শীর্ষ ৪ ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরান বাংলাদেশের বোলাররা। এরপর ২৫ ওভারের দ্বিতীয় সেশনে আরো ৪ উইকেট তুলে নেন স্বাগতিক বোলাররা। এ সময় অতিথি দলটি তুলতে পেরেছে ১১০ রান। সব মিলে, ৮ উইকেটে ২০৬ রান নিয়ে চা বিরতিতে যায় সফরকারী দল। তাদের প্রথম ইনিংস থেকে তখনো ৭২ রানে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ।

সকালে শুরুতেই বাংলাদেশ দলকে উৎসবের উপলক্ষ্য এনে দেন জ্যেষ্ঠ পেসার তাসকিন আহমেদ। তিনি পাকিস্তানের দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দেন পরপর দুই ওভারে। এরপর সহ-অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের জোড়া আঘাত। তার ঘূর্ণিতে বিভ্রান্ত হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন শান মাসুদ ও সৌদ শাকিল।

৭৯ রানে ৪ উইকেট পতনের পর সেখান থেকে ৬৩ রানের জুটি দলকে টানেন অভিজ্ঞ বাবর আজম ও সালমান আগা। পূর্ণ ফিট না হওয়ায় ঢাকায় খেলা হয়নি বাবরের। সিলেট টেস্টে সুযোগ পেয়েই নামের প্রতি সুবিচার করলেন তিনি। ৮৪ বলে ৬৮ রানের ঝলমলে এক ইনিংস খেলে পাকিস্তানকে ভরাডুবি থেকে বাঁচান। দলীয় ১৪২ রানে নাহিদ রানার কাছে হার মানেন তিনি। ঢাকায় ৫ উইকেট নেয়া নাহিদ রানার লেংথ বলটি লেগে খেলতে গিয়ে তিনি ক্যাচ তুলে দেন মুশফিকুর রহিমের হাতে।

উইকেট শিকারে শামিল হন তাইজুল ইসলামও। তার ঘূর্ণিতে হার মানেন সালমান আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। ১৭৫ রানে স্বীকৃত ৭ ব্যাটারের বিদায় ঘটে। চা-বিরতির একটু আগে হাসান আলীকে লেগ বিফোর করেন তাইজুল।

তৃতীয় সেশন শুরুর পর প্রথম ওভারেই খুররম মনজুরকে ফেরান নাহিদ রানা (২০৭/৯)। সাজিদ খান ২৮ বলে চার ছক্কা ও দুই বাউন্ডারিতে ৩৮ রান করে আতঙ্ক ছড়ালেও বাংলাদেশ ঠিকই লিড নিয়ে মাঠ ছাড়ে। নাহিদ রানার বলে মুমিনুলকে ক্যাচ দেন সাজিদ।

তাইজুল ও নাহিদ তিনটি করে এবং তাসকিন ও মিরাজ দুটি করে উইকেট নেন।

আরও