মঙ্গলবার তামিম ইকবালের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভায় পরিচালকদের মধ্যে বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্ব বন্টন করা হয়েছে। তামিম ওয়ার্কিং ও ফ্যাসিলিটিজ বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব নিজের কাছে রেখেছেন। ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের দায়িত্ব কাউকে দেয়া হয়নি। এই বিভাগে আলাদা চেয়ারম্যান না থাকলে সাধারণত সভাপতিরই দায়িত্ব পালন করার কথা।
সহসভাপতি ফাহিম সিনহাকে দেয়া হয়েছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল ও গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের দায়িত্ব। তার বাবা আফজালুর রহমান বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের প্রধান ছিলেন।
মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে গতকাল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ চলাকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ ও বাংলাদেশে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইলকে স্বাগত জানান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। ছবি: বিসিবি
গ্রাউন্ডস ও হাই পারফরম্যান্স ইউনিটের প্রধান হয়েছেন শানিয়ান তানিম। অ্যাডহক কমিটিতে গ্রাউন্ডসের দায়িত্বে থাকা রফিকুল ইসলামকে দেয়া হয়েছে নারী উইংয়ের দায়িত্ব।
মিনহাজুল আবেদীন পেয়েছেন এইজ গ্রুপ বিভাগের দায়িত্ব। এছাড়া, ডিসিপ্লিনারি বিভাগে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, অর্থ বিভাগে ইসরাফিল খসরু এবং সিকিউরিটি ও টেন্ডার অ্যান্ড পারচেজ কমিটির প্রধান হয়েছেন সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ। টুর্নামেন্ট বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন অভিজ্ঞ প্রশাসক সিরাজউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর।
লজিস্টিকস ও প্রটোকল কমিটির চেয়ারম্যান ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল, মেডিকেল বিভাগে প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ মাহবুব আহমেদ শামীম এবং মিডিয়া কমিটির প্রধান হয়েছেন আসিফ রাব্বানি।
এছাড়া, মঈন উদ্দীন চৌধুরী সিসিডিএম, আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদকে ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড, সাইদ বিন জামানকে অডিট ও শেখ মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে ওয়েলফেয়ার কমিটির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। রাজশাহী থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া মীর শাকরুল আলমের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে এদিন। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের পুত্র শাকরুল আলম। বাকিদের মধ্যে ১৮ জন বিভিন্ন বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব পেয়েছেন। বাকি ৬ জনের মধ্যে সরফরাজ আহমেদ ও মির্জা ফয়সল আমীনকে দুটি কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছেন। বাকি চারজনকে কোনো দায়িত্ব দেয়া হয়নি।