ঘন কুয়াশার কবলে পড়ে মানিকগঞ্জের আরিচা-কাজিরহাট ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শনিবার বেলা ১০টা পর্যন্ত টানা ১৫ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। ওই সময় মাঝনদীতে যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে আটকে ছিল তিনটি ফেরি। চারটি ঘাটে পারের অপেক্ষায় আটকে রয়েছে ৬ শতাধিক যানবাহন।
বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ জানায়, ঘন কুয়াশায় নৌ দুর্ঘটনা এড়াতে শুক্রবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টা থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। এসময় মাঝনদীতে আটকে পড়ে শাহ মখদুম, বরকত ও এনায়েতপুরী নামে তিনটি ফেরি। ওই তিন ফেরিতে যাত্রী ও যানবাহনের চালক-শ্রমিকরা পড়েন চরম দুর্ভোগে।
এদিকে, আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটেও রাত ৮টা থেকে ঘন কুয়াশার প্রকোপ বেড়ে গেলে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। এসময় আরিচা ও কাজিরহাট ঘাটে পারের অপেক্ষায় আটকে পড়ে দুই শতাধিক যানবাহন।
এদিকে, ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চারটি ঘাটে পার হতে আসা যাত্রীবাহী বাস, নৈশকোচ, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসসহ শত শত পণ্যবাহী ট্রাক আটকে পড়ে। রাত বাড়তে থাকলে যানবাহনের সংখ্যাও বাড়তে থাকে। সকাল থেকে নতুন করে আরো যানবাহন এসে আটকে পড়ে ঘাট এলাকায়। পাটুরিয়া ঘাটে আটকেপড়া যানবাহনের সারি ঘাট থেকে মহাসড়কে তিন থেকে চার কিলোমিটার পর্যন্ত ছাড়িয়ে যায়।
আরিচা সেক্টরের ডিজিএম আবদুস সালাম জানান, টানা ১৫ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় ঘাটগুলোতে বহু সংখ্যক যানবাহন আটকে পড়েছে। তবে যাত্রী দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যাত্রীবাহী বাস, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস আগে পার করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সাধারণ পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার করা হবে।