গতকাল হারারেতে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচটি ৪ উইকেটে জিতেছে টাইগাররা। তাওহীদ হৃদয়ের নেতৃত্বাধীন দলটি ২-১-এ সিরিজ জিতে নিয়েছে।
১৪৪ রানের টার্গেটটা সফলভাবে চেজ করার পথে ছিল বাংলাদেশ। ৭ উইকেট হাতে নিয়ে শেষ ১২ বলে প্রয়োজন ছিল ৯ রানের। এ সময় বেশ নাটকীয়তা হলো। ১৯তম ও ২০তম ওভারে তিনটি উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। পরে ২০তম ওভারের চতুর্থ বলে মেহেদী হাসানের বাউন্ডারিতে সব অনিশ্চয়তার অবসান ঘটে, জিতে যায় বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান তামিম ৫৮ বলে ৬৬ রান করে ম্যাচসেরা হয়েছেন। ১৪০ রান করে সিরিজসেরাও তিনি।
এর আগে একমাত্র টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে হারের পর তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজও হেরে যায় বাংলাদেশ। সফরকারীরা টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে নামে নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাসকে ছাড়াই। তার অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেন তাওহীদ হৃদয়। এই দলটি টি-টোয়েন্টি সিরিজে সফলতা পেল।
ম্যাচ ও সিরিজসেরা খেলোয়াড় তানজিদ হাসান বলেন, ‘প্রথমেই আলহামদুলিল্লাহ, আমরা সিরিজটা জিতেছি। দারুণ লাগছে। আমি মনে করি, আমাদের বোলাররা দুর্দান্ত বোলিং করেছে। তারা উইকেটে বেশ ভালো বল করেছে। আমরা মনে করেছি, এ উইকেটে প্রথম ছয় ওভার কঠিন হবে, তাই আমি চেষ্টা করেছি টিকে থেকে পার্টনারশিপ তৈরি করতে।’
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
জিম্বাবুয়ে: ২০ ওভারে ১৪৩/৭ (ডিওন মায়ার্স ৭৩, ব্রায়ান বেনেট ৪৭; মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ২/৩৫, তাসকিন আহমেদ ০/১৬)। বাংলাদেশ: ১৯.৪ ওভারে ১৪৪/৬ (তানজিদ ৬৬, পারভেজ ২৪, হৃদয় ২৪; এনগারাভা ২/২০, ব্র্যাড ইভান্স ২/২৬, সিকান্দার ২/৩৮)। ফল: বাংলাদেশ ৪ উইকেটে জয়ী। সিরিজ: বাংলাদেশ ২-১-এ জয়ী। প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ ও সিরিজ: তানজিদ হাসান।