আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলোকে ‘মিস্টেকেন আইডেন্টিটি’ বা ভুল খেলোয়াড়কে শাস্তি নিয়মের আওতায় লাল কার্ড দেখানো হয়। এটি ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম এমন ঘটনা হিসেবে আলোচনায় এসেছে। খবর বিবিসি।
বাংলাদেশ সময় আজ সকালে কানসাস সিটিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ৭২তম মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এমবোলো। ঘটনাটি শুরু হয় ৭১তম মিনিটে, যখন এমবোলোর ওপর ফাউল করেছেন এমন অভিযোগে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি জোয়াও পেদ্রো সিলভা পিনহেইরো।
তবে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) ঘটনাটি পুনরায় পর্যালোচনা করে দেখতে পান, পারেদেস নয়, বরং এমবোলোই ট্যাকলের সময় ডাইভ দিয়েছিলেন। রেফারি ভিডিও রিপ্লে দেখে আগের সিদ্ধান্ত বাতিল করেন এবং পারেদেসের হলুদ কার্ড প্রত্যাহার করে এমবোলোকে হলুদ কার্ড দেখান। এটি ছিল ম্যাচে এমবোলোর দ্বিতীয় হলুদ কার্ড, ফলে তাকে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেয়া হয়।
এ সিদ্ধান্তে সুইজারল্যান্ডের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ তীব্র প্রতিবাদ জানালেও রেফারি নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। মাঠ ছাড়ার সময় আবেগাপ্লুত এমবোলোকে সতীর্থরা সান্ত্বনা দেন।
ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি) মিসটেকেন আইডেন্টিটিকে ম্যাচের ফল বদলে দিতে পারে এমন গুরুতর রেফারিং ভুল হিসেবে বিবেচনা করে।
নতুন ভিএআর নিয়ম অনুযায়ী, রেফারি যদি ভুল খেলোয়াড়কে হলুদ বা লাল কার্ড দেখান, তাহলে ভিডিও পর্যালোচনার মাধ্যমে সেই সিদ্ধান্ত সংশোধন করা যায়।
তবে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) ঘটনাটি পুনরায় পর্যালোচনা করে দেখতে পান, পারেদেস নয়, বরং এমবোলোই ট্যাকলের সময় ডইভ দিয়েছিলেন। রেফারি ভিডিও রিপ্লে দেখে আগের সিদ্ধান্ত বাতিল করেন এবং পারেদেসের হলুাদ কার্ড প্রত্যাহার করে এমবোলোকে হলুদ কার্ড দেখান। এটি ছিল ম্যাচে এমবোলোর দ্বিতীয় হলুদ কার্ড, ফলে তাকে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেয়া হয়।