অস্ট্রেলিয়ার মাঠে দুই টেস্টের সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। ১৩ আগস্ট ডারউইনে শুরু হবে প্রথম টেস্ট। আজ সোমবার ডারউইনের সংবাদ সম্মেলনে দলের শীর্ষ পেসার তাসকিন আহমেদ অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলার উচ্ছ্বাস চে রাখতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলতে এখানে আসতে পেরে সত্যি সম্মানিত বোধ করছি। অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্যতম সেরা দল, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।’
২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। ২০০৩ সালে প্রথমবারের মতো দেশটিতে টেস্ট খেলে টাইগাররা। সেবার দুটি ম্যাচেই ইনিংস ব্যবধানে হার জুটেছে। তবে তাসকিন দুই দলের প্রথম সিরিজ থেকে নয়, ২০১৭ সালে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে অজিদের বিপক্ষে জয় পাওয়া ম্যাচ থেকে অনুপ্রেরণা নিতে চান। তিনি বলেন, ‘সবাই মিলে দারুণ একটা সিরিজ খেলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয় পেয়েছিলাম, তাদের বিপক্ষে খেলতে আমাদের বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে সেটা। তবে হোম ও অ্যাওয়ে কন্ডিশনের মধ্যে তো বড় ফারাক থাকেই, দেখা যাক এবার কী হয়।’
অস্ট্রেলিয়া বিশ্ব ক্রিকেটের পরাশক্তি। তাদের মাঠে টেস্ট সিরিজ খেলা বড় চ্যালেঞ্জের বলে মনে করেন তাসকিন। তার কথায়, ‘তাদের (অস্ট্রেলিয়া) মাটিতে ও তাদের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেট খেলা আমাদের সব ক্রিকেটারের জন্য অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত। আমাদের জন্য সিরিজটা নিশ্চিতভাবেই সহজ হবে না, তবে আমরা নিজেদের সেরাটা দিতে আশাবাদী।’
দুই টেস্ট সিরিজ খেলতে নামার আগে প্রস্তুতি ম্যাচে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হেরে গেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এই হারের হতাশা ভুলে সামনে তাকানোর কথা জানালেন তাসকিন। তিনি বলেন, ‘হেরে যাওয়ার অনুভূতিটা অবশ্যই সুখকর ছিল না। তবে ক্রিকেটে এমনটা হতেই পারে। আমরা এখনো এখানকার কন্ডিশন ও উইকেটের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। ম্যাচটা হেরে গেলেও ভালো একটা প্রস্তুতি হয়েছে।’