আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে গতকাল প্রথম দিন ৮ উইকেটে ৩১৭ রান তুলেছে বাংলাদেশ। দুর্দান্ত সূচনা করা বাংলাদেশের একটি পর্যায়ে স্কোর ছিল ২২১/২। এরপর ব্যাটিং ধসের মুখে পড়ে নাজমুল হোসেন শান্তরা ৮৪ রানে হারান ৬ উইকেট। ৩০৫ রানে অষ্টম উইকেট হারানো টাইগারদের প্রথম দিনশেষে সংগ্রহ ৮ উইকেটে ৩১৭ রান। দুই টেল-এন্ডার নাঈম হাসান ১১ ও তাইজুল ইসলাম ৪ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন।
সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক টেস্ট জয় পাওয়া বাংলাদেশকে গতকাল দারুণ সূচনা এনে দেন সাদমান ইসলাম ও তানজিদ হাসান তামিম। ১২৪ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন দুজন। নিজের চতুর্থ টেস্টে দ্বিতীয় সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগানো তানজিদ ৭১ বলে ৮৩ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে বিদায় নেন। এরপর ৯০ বলে ৬০ রানের জুটি গড়েন সাদমান ও অভিজ্ঞ মুমিনুল হক। ১১১ বলে ৬৭ রান করে সাজঘরে ফিরে যান সাদমান।
সাবেক অধিনায়ক মুমিনুল ও বর্তমান অধিনায়ক শান্ত মিলে ইনিংসটা মেরামত করছিলেন। তারা ৩৭ রানের জুটি গড়ে দলের সংগ্রহ দুশ পার করালেও এরপর ছন্দপতন। স্কোরটা ২ উইকেটে ২২১ রান থেকে পরিণত হয় ২২৫/৫-এ। একে একে সাজঘরে ফিরে যান মুমিনুল (৩৯), মুশফিকুর রহিম (০) ও শান্ত (২৯)।
৫ উইকেট পতনের পর বিপদে হাল ধরেন লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। ১৩০ বল মোকাবেলায় ৬২ রান যোগ করেন দুজন। ব্যক্তিগত ২৪ রান করে ইসমত আলমের শিকার হন মিরাজ। এরপর নাঈম হাসানকে নিয়ে বোর্ডে ১৬ রান যোগ করে দলকে তিনশ রান এনে দেন লিটন। যদিও দলের তিনশ আর নিজের ফিফটির পর পরই মোহাম্মদ সেলিমের বলে ইয়ামিন আহমাদজাইকে ক্যাচ দেন লিটন। ৪ বাউন্ডারিতে ৮৯ বলে ৫৩ রান করেন তিনি। পরে আরো এক উইকেট হারালে দিনশেষে টাইগারদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩১৭/৮।
এর আগে টেস্টে দুবার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। দুই দল জিতেছে একটি করে ম্যাচ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে চলমান টেস্টটি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ নয়। এর পরই ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজ খেলবে শান্তর দল। গুরুত্বপূর্ণ দুটি সিরিজের আগে আফগানিস্তানকে হারাতে চায় টাইগাররা।