বেলজিয়ামকে হারিয়ে সেমিফাইনালে স্পেন

স্পেন তাদের ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠল। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথমবার সেমিতে উঠে শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন জাভি, ইনিয়েস্তারা।

অল ইউরোপিয়ান কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামকে ২-১ গোলে হারিয়ে ২৩তম ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল স্পেন। আগামী মঙ্গলবার ডালাসে তাদের প্রতিপক্ষ ফ্রান্স।

ম্যাচের শুরু থেকেই বেশ দাপুটে মেজাজে ছিল স্পেন। সে অনুযায়ী আক্রমণও চালিয়ে গেছে প্রতিপক্ষের শিবিরে। ম্যাচের ৩০তম মিনিটে চমৎকার এক আক্রমণ থেকে স্পেনকে লিড এনে দেন পেদ্রির পরিবর্তে আজ শুরুর একাদশে সুযোগ পাওয়া ফাভিয়ান রুইজ।

ডি-বক্সের খুব কাছ থেকে দানি ওলমোর নেয়া শট বেলজিয়ান গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া রুখে দিলে রিবাউন্ড থেকে আসা বল লুফে নেন রুইজ। তার নেয়া শট ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ায়।

গোল হজম করতেই সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে বেলজিয়াম। সে সুযোগ আসে ৪১তম মিনিটে। স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সিমনকে পরাস্ত করে বল জালে পাঠান চার্লস ডি কেটেলারা। চলতি বিশ্বকাপে এটিই স্পেনের জালে প্রথম গোল। ১-১ সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ।

দ্বিতীয়ার্ধে বেশ চিন্তায় পড়তে হয় বেলজিয়ামকে। চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। স্পেনের মতো দলের সামনে তার এ চোট দুশ্চিন্তায় ফেলে পুরো দলকে। কোর্তোয়ার বদলি হিসেবে আসেন তরুণ গোলরক্ষক সেনে ল্যামেন্স।

আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের মধ্যেই ম্যাচের ৮৮তম মিনিটে জয়সূচক গোল পায় স্প্যানিশরা। পাউ কুবারসি ২৫ গজ দূর থেকে জোরালো শট নিলে সেটি সেভ করলেও গ্রিপে রাখতে পারেননি গোলকিপার। ডি-বক্সের ভেতরেই বল পেয়ে যান মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনো। মুহূর্তেই নেয়া নিখুঁত শটে গোলপোস্টে বল পাঠান।

এর আগে শেষ ষোলোয় পর্তুগালের বিপক্ষে ৯১ মিনিটে গোল করেন মেরিনো। এবার শেষ আটেও স্পেনের জয়ের নায়ক এই আর্সেনাল তারকা।

আরও