ব্রাজিলকে কাঁদিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ে

২০০২ সালের পর বিশ্বকাপের নকআউটে কোনো ইউরোপিয়ান দলকে হারাতে পারেনি ব্রাজিল।

ব্রাজিলের হেক্সার অপেক্ষা আরো বাড়ল। ২৩তম ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে তাদের বিদায় ঘটল। রোববার রাতে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরেছে সেলেসাওরা। নরওয়ের দুটি গোলই করেন ম্যানচেস্টার সিটির ফরওয়ার্ড আর্লিং হালান্ড।

উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে প্রথমার্ধের ১৪ মিনিটে পেনাল্টি মিস করেন ব্রাজিলের ব্রুনো গিমারেস। এরপর প্রথমার্ধে গোল পায়নি কোনো দলই। দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য মরিয়া হয় সেলেসাওরা। যদিও ভিনিসিয়ুস, এনদ্রিক আর গিমারেসদের আক্রমণগুলো ব্যর্থ হয় বারবার। দুর্দান্ত কয়েকটি সেভে ব্রাজিলকেও ম্যাচে রাখেন গোলকিপার অ্যালিসন। শেষ রক্ষা অবশ্য হয়নি। শেষ দিকে ১০ মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে ব্রাজিলিয়ানদের হৃদয় ভাঙেন হালান্ড। ৭৯ মিনিটে ক্রস থেকে হেডারে ও ৯০ মিনিটে বুলেট গতির নিচু শটে তিনি গোল করেন। শেষ মুহূর্তে দুই গোল খাওয়ার পর আর ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হয়নি পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের পক্ষে। যোগ করা সময়ের শেষ দিকে নেইমার পেনাল্টি থেকে গোল করলেও তা ব্রাজিলকে বাঁচানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। কেননা ততক্ষণে যোগ করা সময়ও শেষ হয়ে যায়।

২০০২ সালের পর বিশ্বকাপর নকআউটে কোনো ইউরোপিয়ান দলকে হারাতে পারেনি ব্রাজিল। এছাড়া, নরওয়ে একমাত্র দল যাদের মুখোমুখি হয়ে ব্রাজিল কখনই জিততে পারেনি। পাঁচবারের মুখোমুখিতে নরওয়ে তিনবার জিতেছে, বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়।

এ ম্যাচে জোড়া গোল করে লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পেকে ছুঁয়ে ফেলেছেন হালান্ড। তিনজনেরই গোল সাতটি করে। এক বিশ্বকাপে আগে কখনই তিন খেলোয়াড় সাতটি করে গোল করেননি।

মেক্সিকো ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার বিজয়ীকে শেষ আটে সামনে পাবে নরওয়ে।

আরও