আবুধাবি টেস্ট

৩য় দিন শেষে বাংলাদেশের লিড ৩২৯ রানের, হাতে আছে ৪ উইকেট

আফগানরা ২৪০ রানে গুটিয়ে গেলে ১০৬ রানের লিড পায় বাংলাদেশ। যদিও এ সুবিধা আদায় করে নিতে পারছে না টাইগাররা। তারা ৫৩ রানেই হারিয়েছে ৩টি উইকেট।

৯ আপডেট
  • ১১ অক্টোবর, ২০২৬

    তৃতীয় দিন শেষে চালকের আসনে বাংলাদেশ

    আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে চালকের আসনে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদের হ্যাটট্রিকের পর ব্যাট হাতে দারুণ জবাব দেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম। তাদের দারুণ জুটিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে সুবিধাজনক জায়গায় পৌঁছে গেছে তারা। তৃতীয় দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে দলটির সংগ্রহ ৬ উইকেটে ২২৩ রান।

    প্রথম ইনিংসের ১০৬ রানের লিড মিলিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে আছে ৩২৯ রানে। ক্রিজে আছেন লিটন দাস (৫*) ও মেহেদী হাসান মিরাজ (০)। দিনের শেষভাগে এসে শান্ত ৮২ রান করে আউট হয়েছেন। অন্যদিকে মুশফিক আউট হন ৮১ রানে। তাতে ভাঙে শান্ত-মুশফিকের ১৫৯ রানের জুটি! চতুর্থ দিনের সকালে আরও কিছু রান যোগ করে আফগানিস্তানের সামনে বড় লক্ষ্য ছুড়ে দিতে চাইবে বাংলাদেশ।

    প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই সাদমান ইসলামের উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ১৩ রান করে বিদায় নেন তিনি। তানজিদ হাসান ৩৮ বলে ৩১ রানে থামলেও তার আগে দ্রুত ফিরে যান মুমিনুল হক (৭)। তখন ৫৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।

    সেখান থেকে দলকে সামাল দেন শান্ত ও মুশফিক। চতুর্থ উইকেটে দুজনের দারুণ জুটি আফগানিস্তানের বোলারদের দীর্ঘ সময় উইকেটবঞ্চিত রাখে। একই সঙ্গে ম্যাচে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্ত করে।

    ৬৬তম ওভারে জিয়াউর রহমানের বলে শহীদউল্লাহর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মুশফিক। তাতে ১৪৮ বলে ৯টি চারে ৮১ রানে থামেন অভিজ্ঞ ব্যাটার। কিছুক্ষণ পর কায়েস আহমেদের বলে বোল্ড হন শান্তও। ১৯১ বলে ৮২ রানের ইনিংসে পাঁচটি চার মেরেছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। এরপর জিয়াউর রহমানের শিকার হন হাসান মাহমুদ। মাত্র ১ রান করে ফেরায় ২২৩ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে দিন শেষ করে বাংলাদেশ।

    এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ৩৪৬ রানের জবাবে ২৪০ রানে অলআউট হয় আফগানিস্তান। আফগানদের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন ইয়ামিন আহমদজাই ও জিয়া উর রহমান। একটি করে নেন মোহাম্মদ সালিম ও কায়েস আহমেদ।

  • ১১ অক্টোবর, ২০২৬

    দ্বিতীয় ইনিংসে ৮১ রান করে ফিরলেন মুশফিকুর রহিম

    অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এবং অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিমের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের লিড পার হলো ৩০০ রান। তবে লিড যখন ৩১৮, তখনই আউট হয়ে যান মুশফিকুর রহিম। ১৪৮ বল মোকাবেলা করে ৮১ রান করে আউট হন তিনি। এ রিপোর্ট লেখার সময় দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের রান ৪ উইকেট হারিয়ে ২১২। ৭৭ রান নিয়ে ব্যাট করছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, ১ রান নিয়ে রয়েছেন লিটন দাস। বাংলাদেশের লিড ৩১৯ রানের।

  • ১১ অক্টোবর, ২০২৬

    শান্ত-মুশফিকে তিনশ’ ছাড়িয়ে বাংলাদেশের লিড

    আফগানিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে দুর্দান্ত খেলছে বাংলাদেশ। মুমিনুল হক ফেরার পর নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের দৃঢ়তায় এগিয়ে চলছে স্বাগতিকরা। দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে বাংলাদেশের লিড ছাড়িয়েছে তিনশ’। এর মধ্যে মুশফিকের পর হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন অধিনায়ক শান্তও। ৬৩ ওভার শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১২ রান। ক্রিজেট ৭৭ রানে শান্ত ও ৮১ রানে আছেন মুশফিক। বাংলাদেশের লিড ৩১৮ রান।

    প্রথম ইনিংসে রানের খাতা খুলতে না পারা মুশফিক দ্বিতীয় ইনিংসে দেখিয়েছেন ধৈর্য। ৭৩ বলে ক্যারিয়ারের ৩০তম টেস্ট ফিফটি তুলে নেন তিনি। অন্য প্রান্তে শান্তও ধীরে ধীরে ইনিংস গুছিয়ে নিয়েছেন। একবার এলবিডব্লিউর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান বাংলাদেশ অধিনায়ক। পরে ১৩৫ বলে টেস্ট ক্যারিয়ারের অষ্টম হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি।

  • ১১ অক্টোবর, ২০২৬

    নাজমুলেরও ফিফটি

    মুশফিকের পর এবার ফিফটি করলেন নাজমুলও। এটির তার ৮ম ফিফটি। মুশফিকের সঙ্গে তার জুটিতে লিডটা আরো বড় করছে বাংলাদেশ। এখন তা ২৮৪ রানের। ৭৪ রান করা মুশফিক আছেন সেঞ্চুরির পথে।

  • ১১ অক্টোবর, ২০২৬

    ১০০ রানের জুটি করল শান্ত ও মুশফিক

    দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৫৩ রানেই তিন উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে বাংলাদেশ। তবে চতুর্থ উইকেট জুটিতে অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাটে সেই চাপ সামলে নিয়েছে দল। এ জুটির ১০০ রানের বেশি ভর করে ২৬৬ রানের লিড নিয়েছে বাংলাদেশ। ক্রিজে মুশফিক ৬৬ ও শান্ত ৪১ রানে ব্যাট করছেন।

  • ১১ অক্টোবর, ২০২৬

    লিড আড়াইশ পেরিয়ে ২৬৮ রান

    দলের বিপদে হাল ধরা মুশফিকুর রহিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত শতরানের পার্টনারশিপ গড়েছেন। দুজনের ১০৯ রানের জুটিতে ভর করে দলের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৩ উইকেটে ১৬২ রান, দলের লিড ছিল ২৬৮।

  • ১১ অক্টোবর, ২০২৬

    মুশফিকের ফিফটি

    ৭৩ বলে ফিফটি করেছেন মুশফিক। এটা টেস্টে তার ৩০তম ফিফটি। সেঞ্চুরি করেছেন ১৪টি।

  • ১১ অক্টোবর, ২০২৬

    ৩ উইকেটে ১২৪ রান তুলেছে বাংলাদেশ

    ৫৩ রানে ৩ উইকেট পতনের পর হাল ধরেন মুশফিকুর রহিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। দুজনের ফিফটি পার্টনারশিপে দলের রান একশ পেরিয়েছে, লিডও পেরিয়েছে সোয়া দুশ। ৩ উইকেটে ১২৪ রান তুলে চা বিরতিতে গেছে বাংলাদেশ। টাইগারদের লিড ছিল ২৩০ রান। মুশফিক ৪৮ ও শান্ত ২৩ রানে ব্যাট করছিলেন।

  • ১১ অক্টোবর, ২০২৬

    মুশফিক-শান্তর ব্যাটে লিড সোয়া দুশ

    ৫৩ রানে ৩ উইকেট পতনের পর হাল ধরেন মুশফিকুর রহিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। দুজনের ফিফটি পার্টনারশিপে দলের রান একশ পেরিয়েছে, লিডও পেরিয়েছে সোয়া দুশ। ৩ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ১২০ রান। লিড ২২৬ রানের। মুশফিক ৪৫ ও শান্ত ২২ রানে ব্যাট করছিলেন।

আবুধাবির শেখ জ়ায়েদ স্টেডিয়ামে রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের তৃতীয় দিন বল হাতে রেকর্ড গড়লেন পেসার হাসান মাহমুদ। প্রথম বাংলাদেশী পেসার হিসেবে টেস্টে হ্যাটট্রিক করার অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়লেন তিনি। তার অনবদ্য বোলিং নৈপুন্যে আফগানরা ২৪০ রানে গুটিয়ে গেলে ১০৬ রানের লিড পায় বাংলাদেশ। যদিও এ সুবিধা আদায় করে নিতে পারছে না টাইগাররা। তারা ৫৩ রানেই হারিয়েছে ৩টি উইকেট।

২০০০ সালে টেস্টে অভিষেকের পর থেকে বাংলাদেশ খেলেছে ১৬১টি টেস্ট। এটা ১৬২তম। এতদিন বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক ছিল মাত্র দুটি। প্রথমটি ২০০৩ সালে পেশোয়ারে পাকিস্তানের বিপক্ষে লেগ স্পিনার অলোক কাপালির ও দ্বিতীয়টি দশ বছর পর ২০১৩ সালে চট্টগ্রামে নিউজ়িল্যান্ডের বিপক্ষে অফস্পিনার সোহাগ গাজ়ীর। সেই দুটোই ছিল স্পিনারদের। এবার সেই তালিকায় নাম লেখালেন পেসার।

ম্যাচের ৮৩তম ওভারের তৃতীয় বলে হাসানের লেংথ ডেলিভারি নিচু হয়ে ভেতরে ঢোকে, ব্যাটার ইসমত আলম বুঝে ওঠার আগেই স্টাম্প উড়ে যায়। এর পর ক্রিজে আসা কায়েস আহমেদের ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে বল চলে যাচ্ছিল গালির দিকে; কিন্তু উইকেটের পেছনে ডানদিকে লাফিয়ে পড়ে নিচু হয়ে ক্যাচ নেন লিটন দাস। এরপরের ডেলিভারিটি জিয়া-উর-রেহমানের প্যাডে আঘাত হানতেই হ্যাটট্রিক পূরণ করেন হাসান মাহমুদ।

প্রথম ইনিংসে ৫৫ রান দিয়ে ৫ উইকেট তুলে নিইয়েছেন এ ডানহাতি পেসার, যা তার টেস্ট ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা বোলিং ফিগার। আগের দিন ৪ উইকেটে ২১১ রান নিয়ে দিন শেষ করা আফগানিস্তান এদিন সকালে হাসানের তোপে মাত্র ২৯ রানের ব্যবধানে নিজেদের শেষ ৬টি উইকেট হারায়। ১০৬ রানের লিড পায় বাংলাদেশ। এবাদত ৪ উইকেট নেন ৫৬ রানের খরচায়।

এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক ও তানজিদ হাসানকে হারিয়েছে বাংলাদেশ।

আরও