চ্যাম্পিয়নস লিগ

লরেন্তে-প্রদর্শনী থামল ভ্যান ডাইকের হেডারে, লিভারপুলের নাটকীয় জয়

৯২ মিনিটে কর্নার থেকে হেড করে লিভারপুলকে রক্ষা করেন ভ্যান ডাইক। স্টেডিয়ামে তখন উল্লাসের ঝড়, আর হতাশায় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন অ্যাটলেটিকো কোচ দিয়েগো সিমিওনে।

অ্যানফিল্ড যেন আবারও রোমাঞ্চের মঞ্চ। লিভারপুল অধিনায়ক ভার্জিল ভ্যান ডাইকের স্টপেজ-টাইম হেডারে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ৩-২ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ অভিযাত্রা শুরু আর্নে স্লটের শিষ্যদের।

ম্যাচে ঝড়ো সূচনা পায় অলরেডরা। মাত্র চার মিনিটে মোহাম্মদ সালাহর ফ্রি-কিক থেকে গোল করে লিভারপুলকে এগিয়ে দেন অ্যান্ডি রবার্টসন। দুই মিনিট পরেই নিজে গোল করেন সালাহ। রায়ান গ্রাভেনবার্চের সঙ্গে ওয়ান-টু খেলে তিন ডিফেন্ডারকে পাশ কাটিয়ে দুর্দান্ত ফিনিশিং। মাত্র ছয় মিনিটেই ২-০!

তবে প্রথমার্ধের শেষেই ম্যাচে ফেরে অ্যাটলেটিকো। মার্কোস লরেন্তে যোগ করেন একটি গোল, আর ৮১ মিনিটে চমৎকার ভলিতে সমতা ফেরান। অ্যানফিল্ডে লোরেন্তের অতীত ইতিহাসও তখন স্লটবাহিনীর সমর্থকদের মনে করিয়ে দিচ্ছিল আতঙ্ক। কারণ ২০২০ সালে এখানেই তিনি লিভারপুলকে বিদায়ের স্বাদ দিয়েছিলেন।

কিন্তু এবার ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হয়নি। ৯২ মিনিটে কর্নার থেকে হেড করে লিভারপুলকে রক্ষা করেন ভ্যান ডাইক। স্টেডিয়ামে তখন উল্লাসের ঝড়, আর হতাশায় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন অ্যাটলেটিকো কোচ দিয়েগো সিমিওনে।

সালাহ গোল করার পাশাপাশি এক অ্যাসিস্টও করেন, তবে সহজ একটি সুযোগ পোস্টে লাগিয়ে মিস করায় হতাশ হন দর্শকরা। নতুন রেকর্ড সাইনিং আলেকজান্ডার ইসাকও খেললেন অভিষেক ম্যাচ। তবে সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেননি।

পুরো ম্যাচে লিভারপুলের শট ছিল ২০টি, অ্যাটলেটিকোর মাত্র ১০। সুযোগ নষ্ট হলেও আর্নে স্লটের দল আবারও শেষ মুহূর্তের নাটকীয় গোল দিয়ে জয় নিশ্চিত করল—যেমনটা তারা গত মৌসুমের প্রিমিয়ার লিগে বারবার করেছে।

অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ কোচ সিমিওনে ম্যাচ শেষে বলেন, ‘লরেন্তে আবারও এই মাঠে দারুণ খেলেছে। কিন্তু আজ ভাগ্য আমাদের পাশে ছিল না।’

আরও