বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

২৪ আপডেট
  • ২০ জুলাই, ২০২৬

    আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দাপুটে জয়, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

    আরেকটি ইতিহাসের সাক্ষী হলো নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়াম। বিশ্বকাপের ফাইনালে গতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের যেন কোণঠাসা করে রেখেছিল লামিন ইয়ামালরা। একের পর এক আক্রমণে আলবিসেলেস্তেদের রক্ষণ বার বার ভাঙলেও দীর্ঘসময় গোলের দেখা পায়নি তারা। তবে ম্যাচের ১০৬তম মিনিটে টরেসের গোলে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জয়ের মধ্য দিয়ে এবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলো লা ফুয়েন্তের স্পেন ।

    ম্যাচের শুরু থেকেই বেশ আক্রমণাত্মক ছিল দুদলই। প্রথম সুযোগও আসে মাত্র চার মিনিটের মাথায়। বক্সের ভেতর দারুণ ওয়ান-টু পাসের পর ফাইনাল ম্যাচের প্রথম সুযোগটি পান ইয়ামাল। তবে সংকীর্ণ কোণ থেকে নেয়া তার শটটি গোলরক্ষক মার্টিনেজ আটকে দেন। এরপরই আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ থেকে আবার বলের নিয়ন্ত্রণ নেয় স্পেন। সেখান থেকে বল পেয়ে আরেকবার লক্ষ্যভেদের চেষ্টা করেন ইয়ামাল। কিন্তু সে চেষ্টাও ব্যর্থ হয় দিবু কারণে।

    এরপরই আসে আর্জেন্টিনার কাউন্টার অ্যাটাক। স্প্যানিস রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে বল নিয়ে এগিয়ে যান মেসি। কিন্তু প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক সিমোন দ্রুত নিজের লাইন ছেড়ে বেরিয়ে এসে বলটি ক্লিয়ার করেন। ষোলোতম মিনিটে ফাউলের শিকার হন মেসি। স্পেনের বক্সের বাইরে থেকে ফ্রি-কিক নিলেও গোলের দেখা পাননি।

    ম্যাচের ৩৭তম মিনিটে আরেকটি সুযোগ পান মিকেল ওইয়ারসাবাল। আর্জেন্টাইন বক্সের ঠিক বাইরে বল পেয়ে তাৎক্ষণিক শট নেন তিনি। তবে তার সে চেষ্টা সহজেই রুখে দেন গোলরক্ষক। পরের মিনিটেই বাম প্রান্ত থেকে গোলপোস্ট বরাবর একটি নিচু জোরালো শট নেন কুকুরেয়া। শটটি গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেও, ব্যাক পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায়।

    ম্যাচের ৪৪ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখা লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে চোটের কারণে তুলে নিলেন স্কালোনি। মাঠে নেমেছেন নিকোলাস ওতামেন্দি। এরপর আরো কয়েক দফা চেষ্টা করেও গোলের দেখা পাইয়নি কোনো দলই। গোলশূন্যভাবে শেষ হয় প্রথমার্ধ।

    দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোন্সালেসকে উঠিয়ে নেন স্কালোনি। তার পরিবর্তে মাঠ আসেন পারেদেস। আর্জেন্টিনা তাদের চিরচেনা ৪-৫-১ ফর্মেশনে ফিরে যায়।

    এর পরের মিনিটেই স্পেনের হয়ে বোনা লক্ষ্যের দিকে একটি শট নিয়েছিলেন। কিন্তু তা গোলে পরিণত হয়নি। পর মুহূর্তেই রদ্রিকে পেছন থেকে ধাক্কা মেরে হলুদ কার্ড দেখেন বদলি নামা লিয়ান্দ্রো পারেদেস।

    ম্যাচের ৫৬ মিনিটে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ চিরে বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন ওইয়ারসাবাল। কিন্তু বক্সের প্রান্তে এসে পাস দিতে গিয়ে আক্রমণের গতি ও ধার হারিয়ে ফেলেন তিনি। সেই সুযোগে বলটি ক্লিয়ার করে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ।

    ৫৮তম মিনিটে মন্তিয়েলের পরিবর্তে মাঠে নামেন মোলিনা। রাইট-ব্যাক পজিশনে এটি আর্জেন্টিনার সরাসরি পরিবর্তন। ৬২ মিনিটে একসঙ্গে দুজনকে বদলি করে স্পেন। মিকেল ওইয়ারসাবাল ও ফাবিয়ান রুইজের পরিবর্তে মাঠে আসেন ফেরান তোরেস ও পেদ্রি।

    এর কিছু পরই বক্সের ঠিক বাইরে থেকে ওলমো একটি ডিপিং ড্রাইভ শট নেন। গোলরক্ষক মার্টিনেসের সামনে এসে ড্রপ খেয়ে স্পিন করে বল মাঠের বাইরে কর্নারে চলে যাওয়ায় এ যাত্রায় বেঁচে যায় আর্জেন্টিনা।

    দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে যায় স্পেন। হাইড্রেশন ব্রেকের ঠিক ইয়ামালের ক্রস থেকে ফেরান তোরেসের দারুণ এক হেড থামিয়ে দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।

    ৭০তম মিনিটে রোমেরো এবং দে পলের পরিবর্তে মাঠে নামেন মেদিনা এবং সিমিওনে। এরপরই ছন্দে ফেরার চেষ্টা করে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাক অ্যালিস্টার বলের দখল ফিরে পেয়ে স্পেনের সীমানায় থাকা ফাঁকা জায়গায় বাড়িয়ে দেন। এ পাস থেকে অবশ্য কোনো সুযোগ তৈরি হয়নি, তবে আর্জেন্টিনা ওপরের দিকে উঠে এসে বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করে। যদিও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। আবারও পাল্টা আক্রমণে উঠে আসে স্পেন।

    ৭৪তম মিনিটে ওলমো এবং বোনার পরিবর্তে মাঠে নামেন মেরিনো এবং উইলিয়ামস। ৭৬তম মিনিটে বক্সের প্রান্তে কিছুটা জায়গা তৈরি করে নিয়েছিলেন পেদ্রি। কিন্তু তার নেয়া শটটি সরাসরি গোলরক্ষকের গায়ে চলে যায়।

    ৭৭ ও ৭৮তম মিনিটে পরপর দুটি কর্ণার পায় স্পেন। তবে সেখান থেকেও কোনো গোলের দেখা পায়নি তারা।

    ৮১তম মিনিটে গোলের আরেকটি সুযোগ হাতছাড়া করে স্পেন। ডান প্রান্ত থেকে উইলিয়ামস চিপ করে বল বাড়িয়ে দেন এবং লাপোর্তে সেটি হেড করার জন্য তেড়ে আসেন। কিন্তু তার নেয়া হেডটি সরাসরি গোলরক্ষকের হাতে চলে যায়।

    ৮৭তম মিনিটে আক্রমণ সাজায় আর্জেন্টিনা। ইনসাইড-রাইট পজিশনে বল পেয়ে যান টরেস। এবার তাকে বল বাড়িয়ে দিয়েছিলেন মেরিনো। তবে নিজের ডান কাঁধের ওপর দিয়ে আসা বলটিকে তিনি টেনে গোলপোস্টের দিকে রাখতে পারেননি।

    অতিরিক্ত সময়ের তৃতীয় মিনিটে পাউ কুবারসিকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় এনজো ফার্নান্দেজকে। সেখান থেকে ফ্রি কিক নেন ইয়ামাল। তবে তার সেই শট রুখে দেন মার্টিনেজ। দ্বিতীয়ার্ধও শেষ হয় গোলশূন্যভাবেই।
    অতিরিক্ত সময়েও একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে যায় স্পেন। মেরিনোর গোল বাতিল

    ৯৬তম মিনিটে স্পেনের হয়ে গেল দেন মেরিনো। গোলটি সঙ্গে সঙ্গেই বাতিল করে দেন রেফারি। গোলের আগে স্পেনের মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনো আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজের ওপর ফাউল করেছিলেন বলে সিদ্ধান্ত দেন তিনি।

    ১০৫তম মিনিটে আক্রণ সাজানোর চেষ্টা চালান মেসি। প্রথম টাচে নিজের মার্কারকে কাটিয়ে একটু সরে যান, আর দ্বিতীয় টাচে বাঁ পায়ের বাইরের অংশ দিয়ে আলতো বাঁকানো পাসে বল বাড়িয়ে দিলেন সিমিওনের দিকে। উইঙ্গার সিমিওনেকে পেছন থেকে এসে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলেন কুকুরেয়া।

    অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল পায় স্পেন। ১০৬তম মিনিটে ডিপ ক্রস থেকে পাওয়া বল আর্জেন্টিনার বক্সের কাছ থেকে হেডের মাধ্যমে নিচে নামিয়ে দেন উইলিয়ামস। দৌড়ে এসে জোরালো শটে সেই বল জালে জড়ান টরেস।

    ম্যাচের শেষাংশে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করে আর্জেন্টিনা। তবে স্পেনের সাজানো ফুটবলের সামনে পাত্তা পায়নি তারা।

  • ২০ জুলাই, ২০২৬

    গোল! স্পেন ১-০ আর্জেন্টিনা

    অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হতে না হতেই—টরেসের গোলে আবার লিড নিল স্পেন।

  • ২০ জুলাই, ২০২৬

    ১০৫ মিনিটেও গোলশূন্য ফাইনাল

    ম্যাচের ১০৫ মিনিট শেষ। দফায় দফায় আক্রমণ চালিয়েও গোলের দেখা পায়নি স্পেন। অন্যদিকে ১০ জনের আর্জেন্টিনাও চেষ্টা করছে গোল হজম না করার।

  • ২০ জুলাই, ২০২৬

    আবারো বিশাল সুযোগ হাতছাড়া স্পেনের

    ১০৩তম মিনিটে বাম প্রান্ত থেকে উইলিয়ামস ক্রস বাড়িয়েছিলেন, আর মেরিনো দৌড়ে এসে সেই বলের নাগাল পান। সম্পূর্ণ অরক্ষিত থাকা সত্ত্বেও তার নেয়া গ্ল্যান্সিং হেডটি গোলপোস্টের কোণ ঘেঁষে বাইরে চলে যায়।

  • ২০ জুলাই, ২০২৬

    মেরিনোর গোল বাতিল

    ৯৬ মিনিটে স্পেনের গোলটি সঙ্গে সঙ্গেই বাতিল করে দেন রেফারি। গোলের আগে স্পেনের মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনো আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজের ওপর ফাউল করেছিলেন বলে সিদ্ধান্ত দেন তিনি।

  • ২০ জুলাই, ২০২৬

    অতিরিক্ত সময়ে গড়াল গোলশূন্য ম্যাচ

    বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষ হয়েছে গোলশূন্যভাবেই। ফলে অতিরিক্ত সময়ে গড়াল শিরোপা নির্ধারণী এ ম্যাচ।

    ম্যাচের শুরু থেকেই বেশ আক্রমণাত্মক ছিল দুদলই। প্রথম সুযোগও আসে মাত্র চার মিনিটের মাথায়। বক্সের ভেতর দারুণ ওয়ান-টু পাসের পর ফাইনাল ম্যাচের প্রথম সুযোগটি পান ইয়ামাল। তবে সংকীর্ণ কোণ থেকে নেয়া তার শটটি গোলরক্ষক মার্টিনেজ আটকে দেন। এরপরই আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ থেকে আবার বলের নিয়ন্ত্রণ নেয় স্পেন। সেখান থেকে বল পেয়ে আরেকবার লক্ষ্যভেদের চেষ্টা করেন ইয়ামাল। কিন্তু সে চেষ্টাও ব্যর্থ হয় দিবু কারণে।

    এরপরই আসে আর্জেন্টিনার কাউন্টার অ্যাটাক। স্প্যানিস রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে বল নিয়ে এগিয়ে যান মেসি। কিন্তু প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক সিমোন দ্রুত নিজের লাইন ছেড়ে বেরিয়ে এসে বলটি ক্লিয়ার করেন। ষোলোতম মিনিটে ফাউলের শিকার হন মেসি। স্পেনের বক্সের বাইরে থেকে ফ্রি-কিক নিলেও গোলের দেখা পাননি।

    ম্যাচের ৩৭তম মিনিটে আরেকটি সুযোগ পান মিকেল ওইয়ারসাবাল। আর্জেন্টাইন বক্সের ঠিক বাইরে বল পেয়ে তাৎক্ষণিক শট নেন তিনি। তবে তার সে চেষ্টা সহজেই রুখে দেন গোলরক্ষক। পরের মিনিটেই বাম প্রান্ত থেকে গোলপোস্ট বরাবর একটি নিচু জোরালো শট নেন কুকুরেয়া। শটটি গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেও, ব্যাক পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায়।

    ম্যাচের ৪৪ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখা লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে চোটের কারণে তুলে নিলেন স্কালোনি। মাঠে নেমেছেন নিকোলাস ওতামেন্দি। এরপর আরো কয়েক দফা চেষ্টা করেও গোলের দেখা পাইয়নি কোনো দলই। গোলশূন্যভাবে শেষ হয় প্রথমার্ধ।

    দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোন্সালেসকে উঠিয়ে নেন স্কালোনি। তার পরিবর্তে মাঠ আসেন পারেদেস। আর্জেন্টিনা তাদের চিরচেনা ৪-৫-১ ফর্মেশনে ফিরে যায়।

    এর পরের মিনিটেই স্পেনের হয়ে বোনা লক্ষ্যের দিকে একটি শট নিয়েছিলেন। কিন্তু তা গোলে পরিণত হয়নি। পর মুহূর্তেই রদ্রিকে পেছন থেকে ধাক্কা মেরে হলুদ কার্ড দেখেন বদলি নামা লিয়ান্দ্রো পারেদেস।

    ম্যাচের ৫৬ মিনিটে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ চিরে বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন ওইয়ারসাবাল। কিন্তু বক্সের প্রান্তে এসে পাস দিতে গিয়ে আক্রমণের গতি ও ধার হারিয়ে ফেলেন তিনি। সেই সুযোগে বলটি ক্লিয়ার করে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ।

    ৫৮তম মিনিটে মন্তিয়েলের পরিবর্তে মাঠে নামেন মোলিনা। রাইট-ব্যাক পজিশনে এটি আর্জেন্টিনার সরাসরি পরিবর্তন। ৬২ মিনিটে একসঙ্গে দুজনকে বদলি করে স্পেন। মিকেল ওইয়ারসাবাল ও ফাবিয়ান রুইজের পরিবর্তে মাঠে আসেন ফেরান তোরেস ও পেদ্রি।

    এর কিছু পরই বক্সের ঠিক বাইরে থেকে ওলমো একটি ডিপিং ড্রাইভ শট নেন। গোলরক্ষক মার্টিনেসের সামনে এসে ড্রপ খেয়ে স্পিন করে বল মাঠের বাইরে কর্নারে চলে যাওয়ায় এ যাত্রায় বেঁচে যায় আর্জেন্টিনা।

    দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে যায় স্পেন। হাইড্রেশন ব্রেকের ঠিক ইয়ামালের ক্রস থেকে ফেরান তোরেসের দারুণ এক হেড থামিয়ে দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।

    ৭০তম মিনিটে রোমেরো এবং দে পলের পরিবর্তে মাঠে নামেন মেদিনা এবং সিমিওনে। এরপরই ছন্দে ফেরার চেষ্টা করে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাক অ্যালিস্টার বলের দখল ফিরে পেয়ে স্পেনের সীমানায় থাকা ফাঁকা জায়গায় বাড়িয়ে দেন। এ পাস থেকে অবশ্য কোনো সুযোগ তৈরি হয়নি, তবে আর্জেন্টিনা ওপরের দিকে উঠে এসে বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করে। যদিও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। আবারও পাল্টা আক্রমণে উঠে আসে স্পেন।

    ৭৪তম মিনিটে ওলমো এবং বোনার পরিবর্তে মাঠে নামেন মেরিনো এবং উইলিয়ামস। ৭৬তম মিনিটে বক্সের প্রান্তে কিছুটা জায়গা তৈরি করে নিয়েছিলেন পেদ্রি। কিন্তু তার নেয়া শটটি সরাসরি গোলরক্ষকের গায়ে চলে যায়।

    ৭৭ ও ৭৮তম মিনিটে পরপর দুটি কর্ণার পায় স্পেন। তবে সেখান থেকেও কোনো গোলের দেখা পায়নি তারা।

    ৮১তম মিনিটে গোলের আরেকটি সুযোগ হাতছাড়া করে স্পেন। ডান প্রান্ত থেকে উইলিয়ামস চিপ করে বল বাড়িয়ে দেন এবং লাপোর্তে সেটি হেড করার জন্য তেড়ে আসেন। কিন্তু তার নেয়া হেডটি সরাসরি গোলরক্ষকের হাতে চলে যায়।

    ৮৭তম মিনিটে ইনসাইড-রাইট পজিশনে বল পেয়ে যান টরেস। এবার তাকে বল বাড়িয়ে দিয়েছিলেন মেরিনো। তবে নিজের ডান কাঁধের ওপর দিয়ে আসা বলটিকে তিনি টেনে গোলপোস্টের দিকে রাখতে পারেননি।

    যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে পাউ কুবারসিকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় এনজো ফার্নান্দেজকে। সেখান থেকে ফ্রি কিক নেন ইয়ামাল। তবে তার সেই শট রুখে দেন মার্টিনেজ। দ্বিতীয়ার্ধও শেষ হয় গোলশূন্যভাবেই।

  • ২০ জুলাই, ২০২৬

    টরেসের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট!

    ৮৭তম মিনিটে ইনসাইড-রাইট পজিশনে বল পেয়ে যান টরেস। এবার তাকে বল বাড়িয়ে দিয়েছিলেন মেরিনো। তবে নিজের ডান কাঁধের ওপর দিয়ে আসা বলটিকে তিনি টেনে গোলপোস্টের দিকে রাখতে পারেননি।

  • ২০ জুলাই, ২০২৬

    আরেকটি সুযোগ হাতছাড়া স্পেনের

    ডান প্রান্ত থেকে উইলিয়ামস চিপ করে বল বাড়িয়ে দেন এবং লাপোর্তে সেটি হেড করার জন্য তেড়ে আসেন। কিন্তু তার নেয়া হেডটি সরাসরি গোলরক্ষকের হাতে চলে যায়।

  • ২০ জুলাই, ২০২৬

    এবার স্পেনের দায়িত্ব উইলিয়ামস এবং মেরিনোর কাঁধে

    ওলমো এবং বােনার পরিবর্তে মাঠে নামলেন মেরিনো এবং উইলিয়ামস।

  • ২০ জুলাই, ২০২৬

    আরো দুই পরিবর্তিন আর্জেন্টিনার

    রোমেরো এবং দে পলের পরিবর্তে মাঠে নামলেন মেদিনা এবং সিমিওনে।

  • ২০ জুলাই, ২০২৬

    ভয়ঙ্কর চেহারায় ইয়ামাল

    একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে স্পেন। হাইড্রেশন ব্রেকের ঠিক ইয়ামালের ক্রস থেকে ফেরান তোরেসের দারুণ এক হেড থামিয়ে দিলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।

  • ২০ জুলাই, ২০২৬

    স্পেনের দুই পরিবর্তন

    ৬২ মিনিটে একসঙ্গে দুজনকে বদলি করল স্পেন। মাঠে নামলেন ফেরান তোরেস ও পেদ্রি। মাঠ ছাড়লেন মিকেল ওইয়ারসাবাল ও ফাবিয়ান রুইজ।

  • ২০ জুলাই, ২০২৬

    আর্জেন্টিনা দলে আরেকটি পরিবর্তন

    মন্তিয়েলের পরিবর্তে মাঠে নামলেন মোলিনা। রাইট-ব্যাক পজিশনে এটি সরাসরি পরিবর্তন।

  • ২০ জুলাই, ২০২৬

    দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখল আর্জেন্টিনা

    রদ্রিকে পেছন থেকে ধাক্কা মেরে হলুদ কার্ড দেখলেন দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামা লিয়ান্দ্রো পারেদেস।

  • ২০ জুলাই, ২০২৬

    মাঠে নামলেন পারেদেস

    গোন্সালেস মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর মাঠে নামলেন পারেদেস। আর্জেন্টিনা তাদের চিরচেনা ৪-৫-১ ফর্মেশনে ফিরে গেছে।

  • ২০ জুলাই, ২০২৬

    গোলশূন্য প্রথমার্ধ, বলের দখলে এগিয়ে স্পেন

    বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্যভাবেই। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকে দফায় দফায় আক্রমণ করে গেলেও এ অর্ধে শেষ পর্যন্ত গোলের দেখা পায়নি স্পেন।

    ম্যাচের শুরু থেকেই বেশ আক্রমণাত্মক ছিল দুদলই। প্রথম সুযোগও আসে মাত্র চার মিনিটের মাথায়। বক্সের ভেতর দারুণ ওয়ান-টু পাসের পর ফাইনাল ম্যাচের প্রথম সুযোগটি পান ইয়ামাল। তবে সংকীর্ণ কোণ থেকে নেয়া তার শটটি গোলরক্ষক মার্টিনেজ আটকে দেন। এরপরই আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ থেকে আবার বলের নিয়ন্ত্রণ নেয় স্পেন। সেখান থেকে বল পেয়ে আরেকবার লক্ষ্যভেদের চেষ্টা করেন ইয়ামাল। কিন্তু সে চেষ্টাও ব্যর্থ হয় দিবু কারণে।

    এরপরই আসে আর্জেন্টিনার কাউন্টার অ্যাটাক। স্প্যানিস রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে বল নিয়ে এগিয়ে যান মেসি। কিন্তু প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক সিমোন দ্রুত নিজের লাইন ছেড়ে বেরিয়ে এসে বলটি ক্লিয়ার করেন। ষোলোতম মিনিটে ফাউলের শিকার হন মেসি। স্পেনের বক্সের বাইরে থেকে ফ্রি-কিক নিলেও গোলের দেখা পাননি।

    ম্যাচের ৩৭তম মিনিটে আরেকটি সুযোগ পান মিকেল ওইয়ারসাবাল। আর্জেন্টাইন বক্সের ঠিক বাইরে বল পেয়ে তাৎক্ষণিক শট নেন তিনি। তবে তার সে চেষ্টা সহজেই রুখে দেন গোলরক্ষক। পরের মিনিটেই বাম প্রান্ত থেকে গোলপোস্ট বরাবর একটি নিচু জোরালো শট নেন কুকুরেয়া। শটটি গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেও, ব্যাক পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায়।

    ম্যাচের ৪৪ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখা লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে চোটের কারণে তুলে নিলেন স্কালোনি। মাঠে নেমেছেন নিকোলাস ওতামেন্দি।

  • ২০ জুলাই, ২০২৬

    স্পেনকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা কুকুরেয়ার

    বাম প্রান্ত থেকে গোলপোস্ট বরাবর নিচু শট নেন কুকুরেয়া। শটটি গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেও, ব্যাক পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায়।

  • ২০ জুলাই, ২০২৬

    ওইয়ারসাবাল পেলেন তার প্রথম সুযোগ!

    আর্জেন্টাইন বক্সের ঠিক বাইরে বল পান মিকেল ওইয়ারসাবাল। সেখান থেকে তার নেয়া তাৎক্ষণিক শটটি সহজেই রুখে দেন গোলরক্ষক।

  • ২০ জুলাই, ২০২৬

    চাপে আর্জেন্টিনা, ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে স্পেন

    শক্তিশালী স্পেনের আক্রমণভাগের দুর্দান্ত পাসিং ও বল দখলের লড়াইয়ে শুরু থেকেই বেশ বেগ পেতে হচ্ছে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যদের। ম্যাচের শুরুর দিকে স্পেনের প্রেসিংয়ের কারণে মাঝমাঠ ও রক্ষণভাগে কিছুটা চাপ দেখা যাচ্ছে।

  • ২০ জুলাই, ২০২৬

    কাউন্টার অ্যাটাকে স্প্যানিশ রক্ষণ চিরে বেরিয়ে গেলেন মেসি

    স্পেনের আক্রমণের পরই কাইন্টার অ্যাটাকে রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে বল নিয়ে এগিয়ে যান মেসি। কিন্তু স্পেনের গোলরক্ষক সিমোন দ্রুত নিজের লাইন ছেড়ে বেরিয়ে এসে শট নেন।

  • ২০ জুলাই, ২০২৬

    আর্জেন্টিনার রক্ষণ ভেঙে বক্সে ঢুকে পড়লেন ইয়ামাল!

    ম্যাচের প্রথম ভাগেই বক্সের ভেতর একটি দারুণ ওয়ান-টু পাসের পর প্রথম সুযোগটি পান ইয়ামাল। তবে সংকীর্ণ কোণ থেকে নেয়া তার শটটি গোলরক্ষক মার্টিনেজ আটকে দেন।

  • ২০ জুলাই, ২০২৬

    বিশ্বকাপ ফাইনাল: শিরোপার লড়াই শুরু

    ২০২৬ বিশ্বকাপের শিরোপার লড়াই শুরু হয়েছে।

  • ২০ জুলাই, ২০২৬

    মাঠে আর্জেন্টাইন ও স্প্যানিশ ফুটবলাররা

    স্টেডিয়ামজুড়ে তখন উত্তেজনার ঢেউ। উল্লাসে মেতে উঠেছেন দর্শকরা। এর মাঝেই খেলোয়াড়রা বিশ্বকাপ ট্রফির পাশ দিয়ে হেঁটে মাঝ মাঠের বৃত্তের দিকে এগিয়ে গেলেন। এরপর একে একে দুই দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়।

  • ২০ জুলাই, ২০২৬

    জেনিফার হাডসন, রবি উইলিয়ামস ও নিকোল শেরজিঙ্গার পর মাঠে টম ক্রুজ

    বিশ্বকাপ ফাইনাল শুরুর আগে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পারফর্ম করলেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেছেন অস্কারজয়ী শিল্পী জেনিফার হাডসন। এরপর মাঠে আসেন রবি উইলিয়ামস ও নিকোল শেরজিঙ্গার।

    তাদের পার্ফর্মেন্স শেষে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে মাঠে উপস্থাপন করেছেন দুই বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনার মারিও কেম্পেস ও স্পেনের আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা। এরপরই মাঠে আসেন অভিনেতা টম ক্রুজ।

শুরুর একাদশে তিন পরিবর্তন আর্জেন্টিনার, আগের স্কোয়াডেই স্পেন

বিশ্বকাপ ফাইনালের শুরুর একাদশে তিন পরিবর্তন এনেছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। অন্যদিকে শুরুর একাদশে কোনো পরিবর্তন আনেনি স্পেন। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রোববার দিবাগত ১টায়।

আজকের ম্যাচে আর্জেন্টিনার শুরু একাদশে লেফট-ব্যাক পজিশনে নাউয়েল মলিনার জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন গঞ্জালো মন্তিয়েল, জুলিয়ানো সিমেওনের জায়গায় শুরুতেই নামছেন রদ্রিগো দে পল, আর লেয়ান্দ্রো পারেদেসের জায়গায় ঢুকেছেন নিকো গোন্সালেস।

এর আগে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ১৪ বার মুখোমুখি হয়েছে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। দুই দলেরই জয় সমান ছয়টি করে, বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে।

আর্জেন্টিনা একাদশ: এমিলিয়ানো মার্তিনেস, গঞ্জালো মন্তিয়েল, রদ্রিগো দে পল, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেস, নিকোলাস তালিয়াফিকো, এন্সো ফের্নান্দেস, নিকো গোন্সালেস, আলেক্সিস মাক আলিস্তের, লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেস।

স্পেন একাদশ: উনাই সিমন, পেদ্রো পররো, পাউ কুবার্সি, এমরিক লাপোখ্ত‌, মার্ক কুকুরেইয়া, রদ্রি, ফাবিয়া রুইস, লামিন ইয়ামাল, দানি ওলমো, অ্যালেক্স বায়েনা, মিকেল ওইয়ারসাবাল।

আরও