এশিয়া কাপ

‘ভারত ক্রিকেটকে অসম্মান করেছে’, ক্ষুব্ধ সালমান আগা

প্রেস কনফারেন্সে আগা বলেন, ‘ভারত যা করেছে তা খুবই হতাশাজনক। তারা আমাদের অসম্মান করেনি, বরং ক্রিকেটকেই অসম্মান করেছে। ভালো দলগুলো এমনটা করে না। আমরা গিয়ে আমাদের মেডেল ও ট্রফির সঙ্গে ছবি তুলেছি কারণ সেটা আমাদের দায়িত্ব ছিল। কিন্তু ভারতের আচরণ অত্যন্ত অসম্মানজনক।’

এশিয়া কাপ ফাইনালে ভারতের কাছে হারের পর সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ উগরে দিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আগা। দুবাইয়ে রোববার অনুষ্ঠিত রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে পাকিস্তান শেষ ওভারে হেরে গেলেও আসল আলোচনার জন্ম হয় ম্যাচ-পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহকে ঘিরে।

ফাইনালে ভারতের জয়ের পর প্রায় দেড় ঘণ্টা বিলম্বিত হয় ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠান। ভারতীয় দল এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল সভাপতি ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির হাত থেকে ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এরপর পাকিস্তান রানার্সআপ মেডেল গ্রহণ করলেও ভারতীয়রা খালি হাতে মাঠ ছাড়ে। পরে সূর্যকুমারের নেতৃত্বে তারা মঞ্চে দাঁড়িয়ে কাল্পনিক ট্রফি তুলে উদ্‌যাপন করে।

প্রেস কনফারেন্সে আগা বলেন, ‘ভারত যা করেছে তা খুবই হতাশাজনক। তারা আমাদের অসম্মান করেনি, বরং ক্রিকেটকেই অসম্মান করেছে। ভালো দলগুলো এমনটা করে না। আমরা গিয়ে আমাদের মেডেল ও ট্রফির সঙ্গে ছবি তুলেছি কারণ সেটা আমাদের দায়িত্ব ছিল। কিন্তু ভারতের আচরণ অত্যন্ত অসম্মানজনক।’

আরো পড়ুন: ট্রফি ছাড়াই উদযাপন ভারতের, বিতর্ক ছাড়েনি পুরষ্কার বিতরণীকেও

ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবকে ব্যক্তিগতভাবে দোষারোপ করতে চাননি আগা। তার দাবি, ব্যক্তিগত পরিসরে সূর্যকুমার সবসময় সৌহার্দ্যপূর্ণ থেকেছেন। ‘টুর্নামেন্টের শুরুতে তিনি আমার সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন, এমনকি রেফারির মিটিংয়েও। কিন্তু ক্যামেরার সামনে সেটা করতে দেননি। আমার মনে হয় তিনি নির্দেশ মানছেন, ব্যক্তিগতভাবে হলে তিনি অবশ্যই হাত মেলাতেন।’

হ্যান্ডশেক এড়ানো নিয়ে আগা বলেন, ‘ক্রিকেট ইতিহাসে কখনও শুনিনি প্রতিপক্ষ দল হাত মেলায়নি। এটা খেলার স্পিরিটের পরিপন্থী। আজকের উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে যা ঘটেছে—ভারতের ট্রফি না নেওয়া ও কাল্পনিক ট্রফি তুলে ধরা—এসব এরই ফল।’

আগা মনে করেন, ভারতীয় দলের এই আচরণ দুই দেশের তরুণ সমর্থকদের জন্য ভয়ংকর বার্তা দিচ্ছে। ‘আমি শুধু পাকিস্তানের অধিনায়ক নই, একজন ক্রিকেট ভক্তও। যদি কোনো বাচ্চা ভারত বা পাকিস্তানে এটা দেখে, তাহলে আমরা খুবই খারাপ দৃষ্টান্ত স্থাপন করছি। আমাদের রোল মডেল হওয়া উচিত, কিন্তু এই আচরণে অনুপ্রেরণা নয়, হতাশাই ছড়াচ্ছে।’

আরও