চ্যাম্পিয়নস লিগ

ইন্টার-বধ করে আর্সেনালের ‘পারফেক্ট সেভেন’, জেসুসের স্বপ্নের রাত

ছোটবেলায় টিভিতে দেখা সান সিরো স্টেডিয়ামে গোল করা ছিল জেসুসের আজন্ম লালিত স্বপ্ন।

সান সিরোর ঐতিহাসিক আঙিনায় ইন্টার মিলানকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোয় নিজেদের জায়গা দাপটের সঙ্গে নিশ্চিত করল মিকেল আর্তেতার আর্সেনাল। আসরে টানা সাত ম্যাচে সাত জয়।

ইউরোপীয় ফুটবলে এখন চলছে গানারদের জয়গান! সান সিরোর ঐতিহাসিক আঙিনায় ইন্টার মিলানকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোয় নিজেদের জায়গা দাপটের সঙ্গে নিশ্চিত করল মিকেল আর্তেতার আর্সেনাল। আসরে টানা সাত ম্যাচে সাত জয়—আর্সেনাল যেন এখন এক অপ্রতিরোধ্য গোলমেশিন!

১১ মাসের দীর্ঘ ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা গ্যাব্রিয়েল জেসুসের জন্য এটি ছিল এক আবেগের রাত। ছোটবেলায় টিভিতে দেখা সান সিরো স্টেডিয়ামে গোল করা ছিল তার আজন্ম লালিত স্বপ্ন। সেই স্বপ্নে রঙ চড়িয়ে কাল করলেন জোড়া গোল। ম্যাচের শুরুতেই ইউরিয়েন টিম্বারের পাস থেকে বল জালে জড়িয়ে আর্সেনালকে লিড এনে দেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা। বিরতির ঠিক আগে সাকার কর্নার থেকে ট্রোসার্ডের হেড পোস্টে লেগে ফিরে এলে ফিরতি বলে গোল করে দলকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন তিনি। জেসুস নিজেই জানান, গোল করার পর তার চোখে অশ্রুসজল হয়ে পড়েছিল।

ম্যাচের অষ্টম মিনিটে পেতার সুচিচের গোলে ইন্টার সমতায় ফিরলেও আর্সেনালের অদম্য মানসিকতার সামনে তারা টেকেনি। দ্বিতীয়ার্ধে লাউতারো মার্তিনেজ পেনাল্টির আবেদন করলেও রেফারি তাতে সাড়া দেননি। উল্টো ম্যাচের শেষ দিকে বদলি হিসেবে নামা ভিক্টর ইয়োকেরেস বক্সের বাইরে থেকে এক বুলেট গতির শটে বল জালে জড়িয়ে ইন্টারের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন।

আর্সেনাল বর্তমানে প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে সাত পয়েন্টে এগিয়ে আছে। ইন্টারের মতো বড় দলকে তাদেরই মাঠে হারিয়ে আর্তেতা প্রমাণ করলেন, তার দল এখন যেকোনো ট্রফি জেতার জন্য প্রস্তুত। সাবেক সিটি ডিফেন্ডার ম্যানুয়েল আকাঞ্জি আর্সেনালকে ‘সেরা’ মানতে দ্বিধা করলেও, কালকের পারফরম্যান্সের পর পুরো ইউরোপ এখন গানারদের নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য হবে।

আরও