মোহামেদ সালাহর পাস থেকে জিকো সহজেই বল জালে জড়ান এবং উচ্ছ্বাসে জার্সি খুলে উদযাপনও করেন। কিন্তু কয়েক মিনিট পর ভিএআরের হস্তক্ষেপে গোলটি বাতিল করে দেন রেফারি। রেফারির ব্যাখ্যা ছিল, গোল হওয়ার আগে আক্রমণ গড়ে ওঠার সময় মিসরের একজন খেলোয়াড় আর্জেন্টিনার ফুটবলারকে ফাউল করেন। সেই কারণেই ভিডিও সহকারী রেফারির (ভিএআর) পরামর্শে গোলটি বাতিল করা হয়। তবে এ সিদ্ধান্ত নিয়েই শুরু হয় চরম বিতর্ক। ম্যাচের ধারাভাষ্যকারদের অনেকেই মন্তব্য করেন, গোলের আগের সেই ঘটনাটি ভিএআরের পর্যালোচনার আওতায় পড়ে না। ফলে সিদ্ধান্তটি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
ফুটবলের আইন প্রণয়নকারী সংস্থা আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ডের (আইএফএবি) ‘ল’স অব দ্য গেম’ অনুযায়ী, গোল হওয়ার আগে আক্রমণ গড়ে ওঠার সময় যদি ফাউল, হ্যান্ডবল বা অফসাইডের মতো কোনো আক্রমণকারী দলের অপরাধ ঘটে থাকে, তাহলে ভিএআর সেই ঘটনা পর্যালোচনা করে রেফারিকে সিদ্ধান্ত বদলানোর পরামর্শ দিতে পারে। অর্থাৎ যদি ভিএআর মনে করে যে গোলের আগে আক্রমণ শুরুর সময় ফাউল হয়েছিল, তাহলে নিয়ম অনুযায়ী সেই গোল বাতিল করার সুযোগ রয়েছে। ফলে সিদ্ধান্তটি বিতর্কিত হলেও তা ফুটবলের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী নেয়া হয়েছে বলেই ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।