আগামীকাল শুরু দ্বিতীয় টেস্ট

অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে সতর্ক বাংলাদেশ

ডারউইনে ঐতিহাসিক জয় পাওয়া বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সামনে এবার সিরিজ জয়ের হাতছানি। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবার টেস্ট জিতে নেয়া টাইগাররা দ্বিতীয় টেস্টে ন্যূনতম ড্র করলেই সিরিজ জয়ের স্বপ্ন পূরণ করবে।

আর জিতলে তো কথাই নেই। তখন সিরিজ নিশ্চিত হবে ২-০তে। আগামীকাল বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায় ম্যাকাইতে শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। এ টেস্টে অস্ট্রেলিয়া প্রবল শক্তি নিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারে বলে শিষ্যদের সতর্ক করেছেন বাংলাদেশ দলের কোচ ফিল সিমন্স।

ডারউইনে প্রথম টেস্টে হাসান মাহমুদ ৯ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক। এছাড়া ৫ উইকেট নিয়ে অবদান রাখেন মেহেদী হাসান মিরাজ, আর এশিয়ার দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় নিজের প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন তানজিদ হাসান তামিম। দলগত নৈপুণ্যে জয়ের পর এবার আত্মবিশ্বাসী টাইগাররা নামছে সিরিজ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে।

ফিল সিমন্স জানালেন, তার দলের মধ্যে আত্মবিশ্বাস এখন তুঙ্গে। গতকাল সংবাদ সম্মেলনে ক্যারিবীয় কোচ বলেন, ‘টেস্ট ম্যাচ জিতলে আত্মবিশ্বাস তো থাকবেই। আমরা ভালো খেলেছি, একটি ভালো টেস্ট ম্যাচ জিতেছি। তাই আত্মবিশ্বাস অনেক উঁচুতে আছে।’

অস্ট্রেলিয়া ঘুরে দাঁড়াতে পারে বলে সিমন্স তার খেলোয়াড়দের সতর্ক করে দিয়ে বলেন ‘তাদের শুধু একটি কথাই বলতে হয়েছে এবং আমি সেটাই আবার বলব, অস্ট্রেলিয়া আরো কঠিনভাবে ফিরে আসবে। তাই আমাদের হয় ওই পারফরম্যান্সের মান ধরে রাখতে হবে, নয়তো আরো একটু ভালো করতে হবে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আমরা যদি মাত্র ১ শতাংশও উন্নতি করতে পারি, সেটাও নিশ্চিত করতে হবে। তবে আমরা জানি, তারা তাদের খেলার ধরন বদলাবে এবং আরো কঠিনভাবে আমাদের ওপর চড়াও হবে।’

ম্যাচের পরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘পরিকল্পনা হলো ব্যাটিং করা। টেস্ট ক্রিকেট পাঁচদিনের খেলা। দল যদি ওই পাঁচদিনের মধ্যে অন্তত ১১ ঘণ্টা ব্যাট করতে পারে, তাহলে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে পারবে। আমরা সেটাই করার চেষ্টা করছি। আমরা ব্যাট করতে চাই, প্রথম ইনিংসে বড় রান করতে চাই এবং নিশ্চিত করতে চাই, আমাদের কাছে পৌঁছাতে প্রতিপক্ষকে যেন অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হয়।’

ডারউইনে সাফল্য পাওয়ার নেপথ্যে কী ছিল? এ নিয়ে সিমন্স বলেন, ‘আমি দলের অনুশীলনগুলো দেখেছি। তিনদিনের ম্যাচের আগে আমরা কীভাবে অনুশীলন করেছি, তা দেখেছি। টেস্ট ম্যাচের আগের তিনদিন কীভাবে অনুশীলন করেছি, সেটাও দেখেছি। আমাদের কাজের ধরনে কোনো পরিবর্তন আসেনি। এমনকি আমরা ৫৪ রানে অলআউটের পরও কাজের ধরন বদলাইনি, পরিশ্রমের মাত্রাও কমেনি। এতেই আমার আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছিল যে ছেলেরা এটা চায় এবং তারা ভালো করতে চায়।’

আরও