লিওনেল মেসি বিদায়বেলায় পেলেন লাখো ভক্তের ভালোবাসা। গত সপ্তাহে বুয়েনস এইরেসে বেনিনের বিপক্ষে বিদায়ী ম্যাচে মেসিকে সম্মাননা জানাতে সম্ভাব্য সব ধরণের আয়োজনই রেখেছিল আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশন। ঠিক একই সময়ে জাতীয় দলে অনেকটা ব্রাত্য হয়ে পড়েছেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। গত মাসে পর্তুগাল জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে করে বের হয়ে যাওয়ায় রোনালদোকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশন (এফপিএফ)। তবে চূড়ান্ত শাস্তির বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি ফেডারেশন।
শনিবার এক বিবৃতিতে এফপিএফ জানিয়েছে, ৪১ বছর বয়সী রোনালদোর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়টি তাদের ডিসিপ্লিনারি ইনভেস্টিগেশন কমিশনে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টিকে জরুরি হিসেবে বিবেচনা করছে ফেডারেশন।
গত সপ্তাহে ডেনমার্কের বিপক্ষে উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচের আগে পর্তুগালের কোচ জর্জে জেসুসের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে কোপেনহেগেনে দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যান রোনালদো। মূলত নরওয়ে ম্যাচে না খেলানোর পর ডেনমার্ক ম্যাচেও একাদশে থাকছেন না জেনে তিনি ক্যাম্প ছেড়ে যান।
পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে রোনালদো অভিযোগ করেন, দলে তার ভূমিকা নিয়ে দেয়া প্রতিশ্রুতি দুবার ভঙ্গ করেছেন জেসুস। পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যমের খবর, দলের মধ্যে নিজের ভূমিকা নিয়ে কোচের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছিলেন রোনালদো।
এফপিএফ জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত রোনালদো সাময়িক নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবেন। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে না। পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতীয় দলের ক্যাম্প থেকে স্বেচ্ছায় চলে যাওয়ার ঘটনায় এফপিএফের নিয়মে এক থেকে ছয় মাস পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিষেধাজ্ঞার বিধান রয়েছে। পাশাপাশি আর্থিক জরিমানাও হতে পারে রোনালদোর।