এ অপরাধে রানার্সআপ আর্জেন্টিনার তিন খেলোয়াড়কে কঠোর শাস্তি দিয়েছে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। সবচেয়ে বড় শাস্তি পেয়েছেন ৩২ বছর বয়সী মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। তাকে ১০ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটি। স্পেনের এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরা ও গাভিকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়ার জন্য এ শাস্তি পেলেন পারেদেস।
এছাড়া আর্জেন্টিনার ২৮ বছর বয়সী ডিফেন্ডার নাহুয়েল মলিনাকে ৭ ম্যাচ ও ২৫ বছর বয়সী অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার থিয়াগো আলমাদাকে এক ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পারেদেস ও মলিনাকে ৯০ হাজার ডলার এবং আলমাদাকে ৩০ হাজার ডলার জরিমানা করেছে ফিফা।
২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত আর্জেন্টিনার ১০টি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে। এ ১০টি ম্যাচে তিনি খেলতে পারবেন না।
অপরাধ কম হলেও শাস্তি পেয়েছেন স্পেনের গাভি। বার্সার এ তারকাকে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর ওয়েম্বলিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে স্পেনের নেশন্স লিগের ম্যাচে খেলতে পারবেন না তিনি।
শাস্তি পেয়েছেন আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবের্তো আয়ালাও। তাকে তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা ও ৩০ হাজার ডলার জরিমানা করা হয়েছে।
শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে (এএফএ) ১ লাখ ১০ হাজার ডলার জরিমানা করেছে ফিফা। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের পর খেলোয়াড়দের ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে রাজনৈতিক ব্যানার প্রদর্শন এবং গ্যালারিতে সমর্থকদের বৈষম্যমূলক স্লোগানের কারণেই এ শাস্তি দেয়া হয়। একই সঙ্গে এএফএকে বর্ণবাদবিরোধী বিভিন্ন প্রকল্পে ১ লাখ ডলার খরচের নির্দেশ দিয়েছে ফিফা। বিশ্বজয়ের এ আসর থেকে প্রাইজমানি হিসেবে ফিফার কাছ থেকে ৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার পেয়েছে আর্জেন্টিনা।
আর্জেন্টিনার ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছে এ শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করবে তারা। আপিল প্রত্যাখ্যাত হলে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালতে যাওয়ার পরিকল্পনাও আছে তাদের।