বাংলাদেশের সঙ্গে সিরিজটা উত্তেজনাপূর্ণ হবে: ড্যারেন স্যামি

আজ সোমবার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশকে নিয়ে স্যামি বলেন, ‘বাংলাদেশ সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার মাঠে জিতেছে। তারা অনেক ভালো করছে। ভালো কিছু খেলোয়াড় উঠে আসছে। আমাদেরও তাই। আমি আশা করি, উত্তেজনাপূর্ণ একটা সিরিজ হবে।’ এরপর হেসে বললেন, ‘তবে পরিশেষে, ফল আমাদের পক্ষেই যাবে।’

বুধবার (২৮ অক্টোবর) শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার দুই টেস্টের সিরিজ। দুই দল এখন পর্যন্ত ২২ টেস্টে মুখোমুখি হয়েছে, যার মধ্যে ১৫টিতেই জিতেছে ক্যারিবীয়রা, বাংলাদেশের জয় ৫টি। এরপরও প্রতিপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশকে সমীহ করছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দলটির হেড কোচ ড্যারেন স্যামি মনে করেন, এটি দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ সিরিজ হবে।

আজ সোমবার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশকে নিয়ে স্যামি বলেন, ‘বাংলাদেশ সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার মাঠে জিতেছে। তারা অনেক ভালো করছে। ভালো কিছু খেলোয়াড় উঠে আসছে। আমাদেরও তাই। আমি আশা করি, উত্তেজনাপূর্ণ একটা সিরিজ হবে।’ এরপর হেসে বললেন, ‘তবে পরিশেষে, ফল আমাদের পক্ষেই যাবে।’

জয়ের তাড়না নিয়ে স্যামি বলেন, ‘আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চলমান সাইকেলে শীর্ষ ৫ এর মধ্যে থাকতে পারলে বোর্ডের সঙ্গে ছেলেদের আর্থিক সুযোগ সুবিধাগুলো নিয়ে দরকষাকষি করা যাবে। আইসিসির কাছ থেকেও বোর্ড ভালো একটা প্রাইজমানি পাবে। এটা চলতি সাইকেলের শেষ ২ টেস্ট, শেষ সুযোগ। কাজেই আমরা ভালো করতে চাই।’

সিরিজ শুরুর আগে ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুলকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। আবুধাবিতে ত্রিদেশীয় সিরিজে বাজেভাবে হারের কারণেই এ সিদ্ধান্ত নেয় বোর্ড। সংবাদ সম্মেলনে প্রধান কোচ ফিল সিমন্সের কাছে এসব বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জাননা, তার মনোযোগ এখন মাঠের ক্রিকেটে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ জাতীয় দলের সাবেক এ কোচ বলেন, ‘আসল বিষয় হলো, আমরা কীভাবে নিজেদের কাজটা করি, সিরিজের জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নিই। আমার মনে হয়, গত তিন-চার দিনে এখানে যে দলটি ছিল, তারা দারুণ কাজ করেছে। তারা নিজেদের কাজ করেছে। এখন পুরো দল একসঙ্গে হচ্ছে। আগামী দুই দিনে আমরা কী করি, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। বাইরে কী ঘটছে, সেটা নয়; দল হিসেবে প্রস্তুতির জন্য আমরা কী করছি, সেটাই আসল।’

দলের প্রস্তুতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি খুশি। কারণ, এখানে যে খেলোয়াড়েরা ছিল, তারা নিজেদের করণীয় কাজগুলো করেছে। এখন আমাদের হাতে দুই দিন সময় আছে। এই সময়ে সাদা বলের ক্রিকেট খেলে আসা খেলোয়াড়েরা দলের সঙ্গে যোগ দেবে, সবাই একসঙ্গে মিলে প্রস্তুতি নেব। এই দুই দিনেই আমরা সবকিছু গুছিয়ে নেব।’

বাংলাদেশের সামনে এখন বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ছয়টি ম্যাচ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুটি টেস্টের পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আর দুটি। ফেব্রুয়ারিতে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুই টেস্ট দিয়ে শেষ হবে বাংলাদেশের এই চক্রের অভিযান। ফাইনালে খেলার সমীকরণে টিকে থাকতে বাকি ছয় টেস্টের অন্তত চারটিতে জিততে হবে বাংলাদেশকে। সিমন্স অবশ্য ফাইনালে খেলার স্বপ্ন দেখছেন। তিনি বলেন, ‘এবারই প্রথম আমাদের সেখানে খেলার সুযোগ তৈরি হয়েছে। আমার মনে হয়, ম্যাচগুলোর জন্য সবাই পুরোপুরি প্রস্তুত থাকবে।’

আরও