তথ্য চুরির অভিযোগে ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে এক্সএআইয়ের মামলা

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, এক্সএআই-এর সোর্স কোড, ডেটা সেন্টার পরিচালনায় দক্ষতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানার উদ্দেশ্যে সাবেক কর্মীদের প্রলুব্ধ করেছে ওপেনএআই। এতে আরো বলা হয়, ওপেনএআই ‘অবৈধ উপায়ে সাবেক কর্মীদের গোপনীয়তা ও চুক্তিগত দায়িত্ব ভঙ্গ করতে প্রলুব্ধ করেছে।’

বাণিজ্যিক গোপন তথ্য চুরির অভিযোগে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই-এর বিরুদ্ধে মামলা করেছে ইলন মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কোম্পানি এক্সএআই। বুধবার ক্যালিফোর্নিয়ার ফেডারেল কোর্টে এ মামলা দায়ের করা হয়। খবর দ্য গার্ডিয়ান।

মামলায় বলা হয়েছে, ওপেনএআই ইচ্ছাকৃতভাবে এক্সএআই-এর সাবেক কর্মীদের নিয়োগ দিয়ে তাদের গোপন তথ্য হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে। চ্যাটবট গ্রোক সংক্রান্ত প্রযুক্তি ও ব্যবসায়িক পরিকল্পনার তথ্য হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ এআইয়ের বিরুদ্ধে।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, এক্সএআই-এর সোর্স কোড, ডেটা সেন্টার পরিচালনায় দক্ষতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানার উদ্দেশ্যে সাবেক কর্মীদের প্রলুব্ধ করেছে ওপেনএআই। এতে আরো বলা হয়, ওপেনএআই ‘অবৈধ উপায়ে সাবেক কর্মীদের গোপনীয়তা ও চুক্তিগত দায়িত্ব ভঙ্গ করতে প্রলুব্ধ করেছে।’

এক্সএআই-এর দাবি, তারা সাবেক প্রকৌশলী শুয়েচেন লি’র বিরুদ্ধে পৃথকভাবে গোপন তথ্য চুরির তদন্ত চালানোর সময় এ ষড়যন্ত্রের তথ্য পায়। ওই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি কোম্পানির গোপন নথি ওপেনএআই-এ নিয়ে গেছেন। এ ছাড়া সাবেক ইঞ্জিনিয়ার জিমি ফ্রেত্যুর ও এক অজ্ঞাতনামা উচ্চপদস্থ আর্থিক কর্মকর্তাকেও নিয়োগ দিয়েছে ওপেনএআই। এ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এক্সএআই-এর বাণিজ্যিক গোপন তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

মামলার নথিতে একটি ইমেইলের স্ক্রিনশটও প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, মাস্কের আইনজীবী অ্যালেক্স স্পাইরো গত জুলাইয়ে এক সাবেক এক্সএআই কর্মকর্তাকে গোপনীয়তা ভঙ্গের অভিযোগে নোটিশ পাঠান। ওই কর্মকর্তা পাল্টা এক লাইনের ইমেইলে অশালীন ভাষায় জবাব দেন।

ইলন মাস্ক ও ওপেনএআই প্রধান স্যাম অল্টম্যানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই দ্বন্দ্ব চলছে। ২০১৫ সালে দুজন মিলে ওপেনএআই প্রতিষ্ঠা করলেও ২০১৮ সালে মাস্ক কোম্পানি ছাড়েন। পরবর্তীতে অল্টম্যানের নেতৃত্বে ওপেনএআই মাইক্রোসফটের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করে।

আরও