স্মার্টফোনের দাম বাড়তে পারে: শাওমি

এদিকে, চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সার্ভারে ব্যবহৃত মেমোরি চিপের দাম দ্রুত বাড়ছে। স্যামসাংসহ বিভিন্ন বড় নির্মাতারা উচ্চগতির মেমোরি উৎপাদনে গুরুত্ব দিচ্ছে আর মোবাইলে ব্যবহৃত চিপের উৎপাদন কমাচ্ছে।

বিশ্ববাজারে মেমোরি চিপের দাম রেকর্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে আগামী বছর স্মার্টফোনের খুচরা দাম আরো বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে শাওমি। প্রতিষ্ঠানটির মতে, দাম বাড়লেও তা উৎপাদন খরচ সামলানোর জন্য যথেষ্ট হবে না। খবর রয়টার্স।

শাওমির প্রেসিডেন্ট লু ওয়েইবিং বলেন, মেমোরি চিপের দাম বাড়ার কারণে আগামী বছরে এ চাপ চলতি বছরের তুলনায় আরো বেশি হবে। তিনি বলেন, ভোক্তারা খুচরা দামে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখতে পারেন। তবে শুধু দাম বাড়ানোই খরচ সামাল দেয়ার জন্য যথেষ্ট নয়।

এদিকে, চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সার্ভারে ব্যবহৃত মেমোরি চিপের দাম দ্রুত বাড়ছে। স্যামসাংসহ বিভিন্ন বড় নির্মাতারা উচ্চগতির মেমোরি উৎপাদনে গুরুত্ব দিচ্ছে আর মোবাইলে ব্যবহৃত চিপের উৎপাদন কমাচ্ছে।

গত মাসে শাওমি জানায়, মেমোরি চিপের দামের কারণে নতুন রেডমি কে৯০ নিয়ে কিছু ভোক্তাদের মধ্যে হতাশা দেখা গেছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওমডিয়ার তথ্যানুযায়ী, তৃতীয় প্রান্তিকে বিশ্ববাজারে শাওমি ৪ কোটি ৩৩ লাখ স্মার্টফোন বিক্রি করেছে। আগের বছরের তুলনায় এ সংখ্যা ০ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। বর্তমান বাজারে তাদের অংশীদারিত্ব এখন ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে শাওমির আয় দাঁড়ায় ১১ হাজার ৩১০ কোটি ইউয়ান, যা বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের চেয়ে কিছুটা কম। একই দিন হংকং বাজারে শেয়ারমূল্য ২ দশমিক ৮১ শতাংশ কমে। তবে চলতি বছর এখন পর্যন্ত শেয়ারমূল্য বেড়েছে ১৮ দশমিক ২ শতাংশ।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তাদের মোট আয়ের এক চতুর্থাংশ এসেছে বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি), কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অন্যান্য নতুন উদ্যোগ থেকে। এ সময় সমন্বিত নিট মুনাফা বছরে ৮০ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ১৩০ কোটি ইউয়ান।

ইভি খাতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে শাওমি

বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম স্মার্টফোন নির্মাতা শাওমি ইভি খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে যাচ্ছে। সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে তাদের ইভি থেকে আয় দাঁড়ায় ২ হাজার ৮৩০ কোটি ইউয়ান, যা আগের দুই প্রান্তিকের চেয়ে বেশি। প্রথমবারের মতো ইভি ও নতুন উদ্যোগ থেকে ৭০০ কোটি ইউয়ান পরিচালন মুনাফা অর্জনের কথা নিশ্চিত করেছে শাওমি। এ সময়ে ইভি সরবরাহ বেড়ে দাঁড়ায় ১ লাখ ৮ হাজার ৭৯৬ ইউনিটে।

আরও