যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৫০০ শহর ও জনপদে ড্রোনে পণ্য সরবরাহের পরিকল্পনা করছে অ্যামাজন। চলতি বছরের শেষ নাগাদ এ সম্প্রসারণের কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে ই-কমার্স জায়ান্টটির। খবর ইন্ডিয়া টুডে।
ড্রোন দিয়ে পণ্য সরবরাহের পরিকল্পনা অ্যামাজনের জন্য নতুন নয়। এক দশকেরও বেশি আগে কোম্পানিটির প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস প্রথম এ ধারণা সামনে আনেন। লক্ষ্য ছিল ছোট পণ্য কয়েক মিনিটের মধ্যে গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়া। তবে নিয়ন্ত্রক জটিলতা, প্রযুক্তিগত সমস্যা, কর্মী ছাঁটাই ও বিভিন্ন এলাকার মানুষের শব্দ ও গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে প্রকল্পটি ধীরে এগিয়েছে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি মেট্রোপলিটন এলাকায় ড্রোন ডেলিভারি সেবা ‘প্রাইম এয়ার’ চালু রয়েছে। পরিষেবাটি আরো ছয়টি এলাকায় শিগগিরই চালু হতে পারে বলে জানায় অ্যামাজন।
বর্তমানে বেশির ভাগ ড্রোন ডেলিভারি প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন হয়। তবে অ্যামাজনের দাবি, কিছু পণ্য অর্ডার দেয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই পৌঁছে যায়। প্রাইম এয়ারের ড্রোন সর্বোচ্চ ৫ পাউন্ড বা প্রায় ২ দশমিক ৩ কেজি ওজনের পণ্য বহন করতে পারে। অপারেটিং কেন্দ্র থেকে সর্বোচ্চ ৭ দশমিক ৫ মাইল বা প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত যেতে পারে এগুলো।
এদিকে ড্রোনের ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে ডেলিভারি কর্মীদের চাকরি নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তবে এখনই মানবচালিত ডেলিভারি পুরোপুরি বাদ দেয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানায় অ্যামাজন। কারণ ড্রোন এখনো ছোট ও হালকা পণ্য এবং স্বল্প দূরত্বের সরবরাহে বেশি কার্যকর। বিপরীতে মানবচালিত ডেলিভারি গাড়ি বড় ও বিভিন্ন ধরনের পণ্য অনেক দূরের ঠিকানায় পৌঁছে দিতে পারে।