ব্যবহারকারীদের তথ্য সংগ্রহে ও গ্রাহকদের মনিটরিং পরিষেবা দেয়ার জন্য ভয়েজার ল্যাবসের বিরুদ্ধে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলার অভিযোগ তুলেছে মেটা। এর বিপরীতে মামলাও করেছে প্রতিষ্ঠানটি। খবর টেকটাইমস।
দ্য ভার্জের তথ্যানুযায়ী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কঠিন সমস্যার সমাধান প্রদানে ভয়েজার ল্যাবস বিশ্বে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। বাস্তবে প্রতিষ্ঠানটি বিপুল ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং এখানে থাকা কনটেন্টের ওপর নজরদারি করে বলে অভিযোগ উঠেছে।
২০২১ সালে দ্য গার্ডিয়ান জানায়, ভবিষ্যতে যারা অপরাধে লিপ্ত হতে পারে এমন লোকদের শনাক্তে লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ বিভাগকে (এলএপিডি) সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছিল ভয়েজার ল্যাবস। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মেটার মামলার বিষয়টি ১২ জানুয়ারি প্রকাশ্যে আসে। সেখানে ভয়েজার ল্যাবস
পরিষেবা গ্রহণের শর্ত ভঙ্গ করেছে বলে জানানো হয়।
২০২২ সালের ১১ নভেম্বর করা মামলায় মেটা দাবি জানিয়ে বলে, ভয়েজার ল্যাবস অবৈধভাবে তাদের নজরদারি সফটওয়্যার ব্যবহার করেছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানটি ৩৮ হাজারের বেশি ভুয়া ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট খোলে এবং সেগুলো পরিচালনার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের তথ্য সংগ্রহ করে। এগুলো ছাড়াও ভয়েজার ল্যাবস টুইটার, ইউটিউব, টেলিগ্রামসহ অন্যান্য মেসেজিং ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছে।