এর মাধ্যমে রেমিট্যান্স প্রেরকদের সঞ্চয় ও বিনিয়োগে যুক্ত করার পাশাপাশি সরকারি সেবা, স্বাস্থ্যসেবা, বীমা ও বিমানবন্দরে বিশেষ সুবিধা দেয়া সম্ভব।
প্রত্যেক প্রবাসীর জন্য এনআরবি হিসাবের সঙ্গে ‘ফ্যামিলি ওয়ালেট’ চালু করা যেতে পারে, যাতে স্বামী-স্ত্রী, সন্তান ও বাবা-মাকে সহজে অর্থ দেয়া যায়।
একই সঙ্গে বিদেশ থেকেই জমি-ফ্ল্যাটের মালিকানা যাচাই, নিবন্ধন ও অর্থ পরিশোধের ডিজিটাল ব্যবস্থা করতে হবে।
বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ, নিরাপদ ও স্বচ্ছ হলে আনুষ্ঠানিক চ্যানেলই প্রবাসীদের স্বাভাবিক পছন্দ হয়ে উঠবে। অভিবাসী কর্মী থেকে তারা রেমিট্যান্স প্রেরক হয়ে উঠেছেন। এরপর রেমিট্যান্স প্রেরক থেকে সঞ্চয়কারী ও বিনিয়োগকারী হবেন।
শেষ পর্যন্ত তারা বাংলাদেশের আজীবনের অংশীজনে পরিণত হবেন। এভাবেই রেমিট্যান্সকে আর্থিক প্রবাহ থেকে দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় সম্পদে রূপান্তর সম্ভব।