বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানো এখন অনেক সহজ

মো. সালেহ জোহা,

গ্রাহক, প্রাইম এক্সচেঞ্জ কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড

আমাকে এ সম্মাননা ও স্বীকৃতি দেয়ার জন্য আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ। বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই প্রাইম এক্সচেঞ্জ প্রাইভেট লিমিটেডকে।

প্রাইম এক্সচেঞ্জের যাত্রার শুরু থেকেই আমি এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে আসছি। ৯০-এর দশকে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী প্রয়াত সাইফুর রহমান সিঙ্গাপুরে একটি সরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর উদ্যোগের উদ্বোধন করেছিলেন। সে অনুষ্ঠানে আমিও উপস্থিত ছিলাম। তখন সিঙ্গাপুরে বৈধ পথে দেশে টাকা পাঠানোর সহজ ও পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না। কিন্তু সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতি অনেক বদলেছে। এখন প্রাইম এক্সচেঞ্জসহ বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর সুযোগ সহজ করেছে। বিশেষ করে প্রাইম এক্সচেঞ্জের অনলাইন প্লাটফর্মের মাধ্যমে এখন খুব সহজেই দেশে টাকা পাঠানো যায়। আগে টাকা পাঠাতে ব্রাঞ্চে গিয়ে সময় দিতে হতো। এখন ঘরে বসেই নিজের সুবিধামতো অনলাইনে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারছি। এটি আমাদের মতো প্রবাসীদের জন্য বড় একটি সুবিধা। বর্তমানে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রবাসীদের সেবায় এগিয়ে আসায় আমরা আরো স্বস্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারছি। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা পাঠালে মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের মাধ্যমে প্রতারণার ঝুঁকি থাকে না। কষ্ট করে উপার্জন করা অর্থ নিরাপদে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়া যায়। আমি মনে করি, প্রবাসীদের আরো বেশি করে বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত করতে এ ধরনের সহজ ও নিরাপদ সেবা আরো বাড়ানো প্রয়োজন। এতে একদিকে প্রবাসীরা উপকৃত হবেন, অন্যদিকে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহও আরো বাড়বে।

আরও