চিংড়ির হেক্টরপ্রতি উৎপাদন

বাংলাদেশের চেয়ে ১৪ গুণ বেশি ভারতে, ইন্দোনেশিয়ায় সাত গুণ

বাংলাদেশে ২০২৩ সালে চিংড়ির হেক্টরপ্রতি উৎপাদন ছিল দশমিক ৫ টন। একই সময়ে প্রতিবেশী ভারতে এর পরিমাণ ছিল ৭ দশমিক শূন্য ৫ টন। সে অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ভারতে চিংড়ির হেক্টরপ্রতি উৎপাদন ছিল বাংলাদেশের চেয়ে ১৪ গুণেরও বেশি।

বাংলাদেশে ২০২৩ সালে চিংড়ির হেক্টরপ্রতি উৎপাদন ছিল দশমিক ৫ টন। একই সময়ে প্রতিবেশী ভারতে এর পরিমাণ ছিল ৭ দশমিক শূন্য ৫ টন। সে অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ভারতে চিংড়ির হেক্টরপ্রতি উৎপাদন ছিল বাংলাদেশের চেয়ে ১৪ গুণেরও বেশি।

একই বছরে ইন্দোনেশিয়ায় চিংড়ির হেক্টরপ্রতি উৎপাদন হয়েছে ৩ দশমিক ৬ টন, যা বাংলাদেশের তুলনায় সাত গুণেরও বেশি। রফতানি খাতে বাংলাদেশের আরেক প্রতিযোগী দেশ ভিয়েতনাম এ সময় প্রতি হেক্টরে চিংড়ি উৎপাদন করেছে ১ দশমিক ৪৭ টন বা বাংলাদেশের তুলনায় প্রায় তিন গুণ।

বাংলাদেশের মৎস্য অধিদপ্তর, ভারতের সামুদ্রিক পণ্য রফতানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এমপিইডিএ) এবং ভিয়েতনামের জাতীয় পরিসংখ্যান অফিসসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারি পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে। এসব পরিসংখ্যান বিবেচনার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রাকৃতিক পরিবেশ অনুকূল হলেও চিংড়ির উৎপাদনশীলতায় প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে বাংলাদেশ। এ উৎপাদনশীলতা স্থবির অবস্থায় রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) এক প্রাথমিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে বাগদা চিংড়ির হেক্টরপ্রতি গড় উৎপাদন মাত্র দশমিক ৩৩ টন। আর গলদা চিংড়ির ক্ষেত্রে তা দশমিক ৫২ টন।

বিষয়টিকে দেশের চিংড়ি খাতে কৃষকদের জ্ঞান ও বাস্তব চর্চার সীমাবদ্ধতা হিসেবে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে চিংড়ির উৎপাদন এখনো বাগদা ও গলদার সনাতনী চাষ পদ্ধতির ওপর নির্ভরশীল। এ নির্ভরশীলতায় সীমিত হয়ে পড়েছে খাতটির উদ্ভাবন ও প্রতিযোগী সক্ষমতা। যদিও পাশের দেশ ভারত এরই মধ্যে ভেনামি জাতের চিংড়ি চাষে সফল রূপান্তরের উদাহরণ তৈরি করেছে।

দেশটিতে এ রূপান্তরের সূচনা হয়েছিল অন্ধ্র প্রদেশে। আগে ভারতেরও চিংড়ি খাত ছিল পুরোপুরি গলদা ও বাগদানির্ভর। ২০০৯-১০ সালের দিকে অন্ধ্র প্রদেশে ভেনামির চাষ শুরু হয়। বর্তমানে দেশটির চিংড়ি রফতানি বাবদ পাওয়া আয়ের ৯৫ শতাংশই আসে ভেনামি থেকে। আর এ জাতের চিংড়ি উৎপাদনের মাধ্যমে অন্ধ্র প্রদেশ হয়ে উঠেছে দেশটির প্রধান চিংড়ি রফতানি কেন্দ্র।

তবে বাংলাদেশে বাগদা চাষে সেমি-ইনটেনসিভ পদ্ধতির প্রয়োগ এরই মধ্যে সাফল্যের সম্ভাবনা দেখিয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় চিংড়ির উৎপাদনশীলতা পৌঁছেছে হেক্টরপ্রতি ৪ দশমিক ৫১ টনে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশে বৈজ্ঞানিক কৃষি ব্যবস্থাপনা গ্রহণ ও সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করাটা এখন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ হিমায়িত খাদ্য রফতানি অ্যাসোসিয়েশন এবং আর্ক সি ফুডস লিমিটেডের পরিচালক আরমান হাসান বলেন, ‘বাংলাদেশে চিংড়ি চাষ হয় সনাতন পদ্ধতিতে। খুলনা-বাগেরহাট অঞ্চলে যেসব ঘের আছে, সেগুলোয় এক ফুট গভীরতা পানিতেও চাষ হচ্ছে। সেখানে কোনো ধরনের খাদ্য দেয়া হয় না। পানির গভীরতা কম হওয়ায় অনেক সময় সূর্যের তাপে পোনা মারা যায়। ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ঘেরের সব চিংড়ি মারা যায়। বায়োসিকিউরিটি বা জৈব নিরাপত্তার বিষয়গুলো মানা হয় না। ফলে অনেক সময় পোনা মারা যায়। সব মিলিয়ে কৃষক বা চাষীদের জ্ঞানগত ঘাটতির জায়গাটুকুও রয়ে গেছে। আবার দেশে চিংড়ির উৎপাদন বৃদ্ধি নিয়ে কার্যকর গবেষণা তেমন একটা নেই। বিনিয়োগেরও ঘাটতি রয়েছে। এগুলোসহ নানা কারণে দেশে উৎপাদন কম হচ্ছে।’

বাগদা থেকে ভেনামি চাষ বেশি সুবিধাজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাগদার চেয়ে ভেনামির উৎপাদন ঘনত্ব অনেক বেশি। একই পরিমাণ পানিতে যতটুকু বাগদা চাষ করা হয়, ভেনামি তার চেয়ে বেশি করা যায়। এছাড়া উৎপাদন বাড়াতে পুকুরকে অন্তত চার-পাঁচ ফুট গভীর করা প্রয়োজন। তবে এটিও কৃষকের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ এক্ষেত্রে কৃষকের জন্য খননযন্ত্র সংগ্রহ ও ব্যয় নির্বাহের বিষয়টিও জড়িত। আর চিংড়ির জন্য ভালো ফিড প্রয়োজন। ভালো প্রজাতির পোনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেজন্য পোনাকে পুকুরে ছাড়ার আগে সেগুলো রোগ প্রতিরোধী কিনা, তা যাচাই করে নিতে হবে। পাশাপাশি কৃষকদের প্রশিক্ষিত করতে হবে। ভেনামি চাষ এবং বায়োসিকিউরিটির বিষয়টি নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশেও অন্যান্য দেশের মতো উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হবে।’

উৎপাদন না বাড়ায় রফতানিতে বহু গুণ পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ

ওয়ার্ল্ড ইন্টিগ্রেটেড ট্রেড সলিউশনের (ডব্লিউআইটিএস) তথ্যমতে, চিংড়ি খাতে বাংলাদেশের চেয়ে ভারতের রফতানি আয় প্রায় ১৩ গুণ বেশি। ইন্দোনেশিয়ায় তিন গুণ এবং ভিয়েতনামের রফতানি আয় বাংলাদেশের ৩ দশমিক ৩৯ গুণ বেশি। অথচ ২০১০ সালে চিংড়ি রফতানিতে বাংলাদেশের আয় ছিল ৭৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার। আর ভারতের রফতানি আয় ছিল ৮৮ কোটি ৩০ লাখ। অর্থাৎ বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবধান ছিল ২২ কোটি ২০ লাখ ডলারের। ওই সময় বাংলাদেশের চেয়ে ইন্দোনেশিয়ার রফতানি মাত্র ১ কোটি ২০ লাখ ডলার বেশি ছিল। তবে ভিয়েতনামের সঙ্গে রফতানির পার্থক্যটা ছিল অনেক বেশি, ৭৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার।

ডব্লিউআইটিএসের হিসাবে, ২০২৪ সালে বাংলাদেশের চিংড়ির রফতানি আয় মাত্র ৩৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার। বিপরীতে ভারতের রফতানি আয় ছিল ৪২৯ কোটি ৩০ লাখ ডলার। ইন্দোনেশিয়া ওই সময় চিংড়ি রফতানিতে ১০৬ কোটি ২০ লাখ ডলার আয় করে। আর ভিয়েতনাম ১৮০ কোটি ২০ লাখ ডলারের চিংড়ি রফতানি করেছে গত বছর।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভারত ও ভিয়েতনামে কাঁচামালের মূল্য খুবই কম। ভেনামি চিংড়ি প্রকল্পে তাদের খরচ কম, উৎপাদন বেশি। বিপরীতে বাংলাদেশে উৎপাদন কম। কাঁচামালের দামও বেশি। বেশি জনসংখ্যার এ দেশে স্থানীয় বাজারেও চিংড়ির ব্যাপক চাহিদা। ফলে রফতানিতে পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ।

চিংড়ির উৎপাদন বাড়াতে প্রয়োজন প্রযুক্তির ব্যবহার

বাংলাদেশে চিংড়ি চাষের ঘেরগুলো এখনো অধিকাংশ ক্ষেত্রে সনাতনী পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়। এখানে পানির লবণমাত্রা, অক্সিজেনের মাত্রা এবং রোগ ঝুঁকি পর্যবেক্ষণের মতো মৌলিক কাজও হাতেকলমে করা হয়। ফলে অধিকাংশ সময় চাষীরা নিশ্চিত ফল পেতে পারেন না। অন্যদিকে বৈশ্বিক চিংড়ি বাজারে যারা এগিয়ে আছে, তারা প্রযুক্তিভিত্তিক উৎপাদন ব্যবস্থায় যোগ দিয়েছে। বাংলাদেশকেও বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে প্রযুক্তিকেন্দ্রিক ব্যবস্থায় দ্রুত রূপান্তর করা জরুরি। সেন্সরভিত্তিক জলমান পর্যবেক্ষণ, অটোমেটেড এয়ারেশন, ঘের পর্যায়ের বায়োসিকিউরিটি ব্যবস্থা এবং বৈজ্ঞানিক খাদ্য ব্যবস্থাপনার মতো প্রযুক্তি প্রয়োগ করলে দেশের চিংড়ি উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে উৎপাদন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবস্থায় রূপান্তরের জন্য স্বল্প সুদে ঋণ, প্রশিক্ষণ এবং মাঠ পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ নিয়োগের ব্যবস্থা অপরিহার্য। এর মাধ্যমে চাষীরা আধুনিক পদ্ধতিতে উৎপাদন বাড়াতে পারবেন এবং আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী রফতানিযোগ্য চিংড়ি উৎপাদনে সক্ষম হবেন।

এসিআই এগ্রোলিংকের বিজনেস ডিরেক্টর সৈয়দ মো. ইশতিয়াক বলেন, ‘বিশ্ববাজারে বাংলাদেশী চিংড়ির যে পরিমাণ চাহিদা আছে, আমরা তার ৩০ শতাংশও সরবরাহ করতে পারছি না। ভারতসহ প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে চিংড়ির উৎপাদন ব্যয় অনেক বেশি। এ ব্যয়ের ৮০ শতাংশই যাচ্ছে ফিড কেনার পেছনে। উৎপাদন ব্যয় কমাতে হলে সবার আগে ফিডের দাম কমাতে হবে। একই সঙ্গে চাষীদের জন্য স্বল্প সুদের ঋণ নিশ্চিত করতে হবে। চিংড়ি চাষে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি চাষীদের দক্ষ ও সচেতন করে গড়ে তুলতে হবে।’

দেশে চিংড়ির উৎপাদন বাড়লে দাম কমে আসবে জানিয়ে সৈয়দ মো. ইশতিয়াক বলেন, ‘চিংড়ির উৎপাদন কমে যাওয়ায় আমাদের প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানাগুলো বসে আছে। কারখানাগুলো সচল রাখার পাশাপাশি বেকারত্ব রোধে আমরা ‘রফতানির জন্য আমদানি’ এমন একটি নীতি চাচ্ছি। এ নীতির আওতায় বিদেশ থেকে কম দামে কাঁচামাল আমদানি করে, সেটিতে ভ্যালু অ্যাড করে রফতানি করা যাবে। মূল্য সংযোজনের লক্ষ্যে সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চিংড়ি আমদানির অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ের অভাবে কাজটি শুরু করা যাচ্ছে না।’

মানসম্মত চিংড়ি পোনা নিশ্চিতে এসপিএফ সনদ বাধ্যতামূলক করতে হবে

দেশে চিংড়ির অধিকাংশ পোনা অঙ্কুরেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। হ্যাচারিগুলোতে মান যাচাইয়ের কার্যকর কোনো পদ্ধতি না থাকায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগজীবাণুমুক্ত চিংড়ি নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার চিংড়িচাষী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, অনেক সময় প্রায় ৯০ শতাংশ পোনা খামারে ছাড়ার পর মারা যায়। এর মূল কারণ হলো এসপিএফ (স্পেসিফিক প্যাথোজিন ফ্রি) সনদ না থাকা। এ সনদ না থাকায় রোগবাহী পোনাকে আলাদা করা যায় না। এসপিএফ পরীক্ষা নির্দিষ্ট পরিবেশে পোনা নির্বাচন করে সম্পন্ন করা হয়। এ সনদের মাধ্যমে চাষীরা সুস্থ, দ্রুতবর্ধনশীল এবং উচ্চ হারে বেঁচে থাকা পোনা নিশ্চিত করতে পারেন।

খাতসংশ্লিষ্টরা মনে করেন, চাষাবাদে রোগজীবাণু বা সংক্রমণ সৃষ্টিকারী চিংড়িকে পরিহার করে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এসপিএফ সনদ বাধ্যতামূলক করা দরকার। এটি দেশীয় চিংড়ি খাতকে প্রযুক্তিনির্ভর, রোগমুক্ত এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চিংড়ি থেকে ভ্যালু অ্যাডেড পণ্য উৎপাদনে বাড়বে রফতানি আয়

বৈশ্বিকভাবে চিংড়ি নানা ধরনের খাবার ও প্রক্রিয়াজাত পণ্যের উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। চিংড়ি থেকে তৈরি হয় বিস্কুট, স্ন্যাকস, প্রোটিন পাউডার, নুডলস, স্যান্ডউইচ, সমুচা, টেম্পুরা, স্প্রিং রোল, চিপসসহ নানা পণ্য। কিন্তু বাংলাদেশ এখনো মূলত হিমায়িত চিংড়ি রফতানি করে আসছে। দেশীয় চিংড়ি কোনো ব্র্যান্ড আকারে তৈরি না হওয়ায় এর ব্যবহার সীমিত রয়েছে—প্রধানত বাঙালি রেস্তোরা ও হেঁশেলে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএফইএ) জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও আছিয়া সী ফুডস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. তারিকুল ইসলাম জহীর বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বিশ্ববাজারে “‍ভ্যালু অ্যাডেড” চিংড়ি পণ্যের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। “‍রেডি টু কুক” বা “‍রেডি টু ইট” এবং পিল্ড অ্যান্ড ডেভেইন (প্রক্রিয়াজাত ও প্রস্তুত) পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে তুলনামূলক বেশি মূল্য পায়। চিংড়িকে প্রক্রিয়াজাত ও প্রস্তুত পণ্যে রূপান্তর করলে রফতানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সক্ষমতাও বাড়বে। এজন্য প্রয়োজন উপযুক্ত নীতি, উদ্যোগ ও সহায়তা। এর মাধ্যমে চাষী ও উদ্যোক্তারা প্রযুক্তিনির্ভর ও মানসম্পন্ন ভ্যালু অ্যাডেড পণ্য উৎপাদনে এগিয়ে যেতে পারবেন।’

আরও