স্বাধীনতার পর অর্ধশতকের বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়েছে। আমাদের শিক্ষা খাতকে ২০২৫ সালে দাঁড়িয়ে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন, বিশেষত উচ্চ শিক্ষাকে?
গত ৫০ বছরে আমাদের দেশের শিক্ষার মান নিচে নেমেছে। বিশেষ করে উচ্চ শিক্ষার মান। এ স্তরকে যখন আমরা বিদেশের সঙ্গে তুলনা করি তখন এ দেশের উচ্চ শিক্ষার মান নিয়ে চিন্তিত হই। আজকে বাংলাদেশে শিক্ষার বিস্তার সম্পর্কিত পরিসংখ্যান যদি দেখি তাহলে দেখব অনেক ধরনের উন্নতি হয়েছে। তার মধ্যে সাক্ষরতার হার অনেক বেড়েছে। নারী-পুরুষের শিক্ষার হার বেড়েছে। প্রাথমিক পর্যায় থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ছাত্রছাত্রীর অংশগ্রহণ বেড়েছে। এটি বৃদ্ধির কারণ জনসংখ্যা বৃদ্ধি। সংখ্যা বেড়েছে ঠিকই কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে গুণগত মানের। বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে আমরা উচ্চ শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে পারছি না। এবারের জুলাই বিপ্লব তরুণদের প্রতি বৈষম্য থেকে জেগে উঠেছিল। কারণ তাদের আমরা সুযোগ করে দিতে পারিনি। যখন তারা দেখল যে কোটাসহ বিভিন্ন কারণে তাদের বঞ্চিত করা হচ্ছে তখন তারা আন্দোলনে নেমেছে। আরেকটি কারণ হচ্ছে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে যেভাবে নকশা করা হয়েছে, সেখানে তাদের জন্য পর্যাপ্ত কর্মক্ষেত্র নেই। আমরাই সেটির ব্যবস্থা করতে পারিনি। সেখান থেকে জুলাই বিপ্লব শুরু হয়ে একটি সরকারকে রীতিমতো বিতাড়িত করেছে। বিগত সরকারের পতনের পরও কর্মক্ষেত্র তৈরিতে কোনো কর্মসূচি কিন্তু আমরা দেখছি না। শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করার জন্য আমাদের যে ধরনের কাজ করা দরকার তা এখনো করতে পারিনি। শিক্ষার গুণগত মান উন্নতি করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনো পিছিয়ে রয়েছে। আমরা তরুণ ছাত্র-ছাত্রীদের ডিগ্রি দিয়ে এগিয়ে নিচ্ছি ঠিকই কিন্তু তাদের বিশ্বের সঙ্গে, ইন্ডাস্ট্রিজের জন্য যোগ্য করে তুলছি না। ফলে কর্মসংস্থানের সঙ্গে একাডেমিয়ার এক ধরনের গ্যাপ থেকে যাচ্ছে। গ্র্যাজুয়েটরা সার্টিফিকেট অর্জন করলেও সেটি কর্মক্ষেত্রের প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কারণ আমরা শ্রেণীকক্ষে কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা দিতে পারছি না। কর্মক্ষেত্রের প্রয়োজনীয়তা এবং একাডেমিক শিক্ষার মধ্যে ঘাটতি রয়ে গেছে। এটি আমাদের পদ্ধতিগত সমস্যা। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রাথমিক পর্যায় থেকে ওপরের স্তরে প্রতিটি ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়ে যাচ্ছে। প্রত্যেক স্তরে ঘাটতি রেখে একজন গ্র্যাজুয়েট বের হয়ে চাকরির বাজারে যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারছে না। কারণ তার দক্ষতার ঘাটতি রয়েছে। আমাদের জানতে হবে সমাজের জন্য, ইন্ডাস্ট্রির জন্য, বিশ্ববাজারের জন্য কোনো দক্ষতাটি শিক্ষার্থীর দরকার।
বাংলাদেশে প্রাথমিক থেকে উচ্চ শিক্ষা পর্যায়ে যে ব্যবস্থা রয়েছে তার মধ্যে অনেকগুলো অপ্রয়োজনীয় ও সনাতনী। সে ব্যবস্থা থেকে বের হয়ে এসে বিশ্বমানের শিক্ষা দেয়ার জন্য প্রয়োজন যুগোপযোগী শিক্ষা পদ্ধতি। কিন্তু বাংলাদেশে শিক্ষা ব্যবস্থা এক ধরনের আমলাতান্ত্রিক জালে আটকে আছে। এখানে যারা দায়িত্বে রয়েছেন তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে দৈনিক কাঠামোয় ফেলে দিচ্ছেন। শিক্ষাঙ্গনের দরকার নিজের স্বাধীনতা। এ ব্যবস্থায় নমনীয়তা আনতে হবে যেখানে প্রতিষ্ঠানের স্বাধীনতা থাকবে। কিন্তু আমাদের ঘিরে রাখা হয় অনেকগুলো আইন দিয়ে, যা আমাদের সংকুচিত করে। শিক্ষার পরিবেশকে মুক্ত না করে সংকুচিত করলে ইন্ডাস্ট্রিতে যোগ্য লোকবল দিতে প্রতিবদ্ধকতা তৈরি হয়। এ ধরনের প্রতিবন্ধকতাগুলো সরিয়ে পরিবেশকে আরো অনেক নমনীয় করতে হবে। এ নমনীয়তার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একসময় এগিয়ে যাবে।
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সব পর্যায়েই উপযুক্ত শিক্ষকের অভাব রয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। বিষয়টাকে কতটা যথাযথ বলে মনে করেন? বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় মানসম্মত শিক্ষক নিশ্চিতকরণে কী করণীয়?
ভালো শিক্ষক তখনই আসবে যখন ভালো গ্র্যাজুয়েট তৈরি হবে। সেজন্য শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে। উন্নত বিশ্বের মতো করে চিন্তা করতে হবে। এখানে বারবার কারিকুলাম পরিবর্তন করে এক্সপেরিমেন্ট করলে হবে না। উন্নত বিশ্বের প্রক্রিয়া অনুসরণ ও প্রয়োগ করতে হবে। পাশাপাশি দেশের ইতিহাস, ভাষা, সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণা করতে পারি। বাংলাদেশে নতুন করে কোনো পদ্ধতির প্রয়োজন নেই। পৃথিবীতে চলমান উন্নত ব্যবস্থাগুলো প্রয়োগ করতে হবে। এর জন্য সেই মানের শিক্ষক তৈরি করতে হবে। আমরা শিক্ষক নিয়োগ করি শিক্ষক হওয়ার বিবেচনায় না, বরং চাকরি দেয়ার বিবেচনায়। যার ফলে প্রকৃত শিক্ষক তৈরি হচ্ছে না। শিক্ষক হয়ে ওঠার জন্য যে প্রশিক্ষণ, সুবিধা দেয়া প্রয়োজন সেটিও দিচ্ছি না। কিন্তু আমরা বারবার কারিকুলাম নিয়ে কথা বলি। যিনি পড়াবেন তিনি কতটুকু প্রস্তুত এবং তার সমসাময়িক ও বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান আছে কিনা সেটি দেখি না। ফলে আমাদের এ ঘাটতি থেকে যাবে।
এখানে আরেকটি বিষয় রয়েছে। বাংলাদেশে এ পর্যন্ত যত কারিকুলাম তৈরি হয়েছে সবগুলোয় একমুখী শিক্ষা ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু এর সঙ্গে আমি দ্বিমত পোষণ করি। এ দেশে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন আর্থসামাজিক ব্যবস্থায় বেড়ে ওঠে। কিন্তু তার অবস্থানকে আমলে না নিয়ে সবাইকে একমুখী করে ইউনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করার তাগিদ দেয়া হয়। এটি কোনো দিনও বাংলাদেশে সম্ভব না এবং প্রযোজ্যও নয়। কারণ আমরা সবাইকে সমান সুযোগ দিয়ে বড় করতে পারি না। সবাইকে এক পাইপলাইন থেকে কোনো দিন শিক্ষা দেয়া সম্ভব না।
গবেষণার ক্ষেত্রে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পিছিয়ে রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণায় বরাদ্দ কম। বিষয়টি কীভাবে দেখেন?
বিষয়টি সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে সত্য নয়। যেমন আমাদের (নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি) জন্য সত্য নয়। আমরা গবেষণায় দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে বেশি খরচ করি। এ বছরই শিক্ষকদের ১১ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছি। যার ফল আমরা পাচ্ছি। দেশের কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় যেহেতু সুযোগ দিচ্ছে তারা ভালোও করছে। আমি মনে করি একজন শিক্ষককে গবেষণার জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় সুযোগ দেয়া উচিত। সবাইকে যে সমান সুযোগ দিতে হবে সেটি কিন্তু না। উন্নত বিশ্বেও সবাই গবেষণা করে না। এখানে সুযোগ দিতে হবে যারা গবেষণার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং যাদের আগ্রহ আছে। আমাদের সে সুযোগ করে দিতে হবে। নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় কিন্তু সে জায়গায় কাজ করছে। আমাদের একটি জিনিস মাথায় রাখতে হবে সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে অনেক বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। সেজন্য উন্নতমানের ল্যাব, যন্ত্রপাতি দরকার। আমরা জাতি হিসেবে কিন্তু এখনো গবেষণামনস্ক হয়ে উঠতে পারিনি। শুধু আমাদের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সে জায়গায় সফল হয়েছে। গবেষণা বিষয়টি অনেক অ্যাডভান্স বিষয়। যেখানে আমরা শিক্ষাদানের বিষয়টিতেই অনেক পিছিয়ে সেখানে জ্ঞান সৃষ্টি অনেক দূরের বিষয়। জ্ঞান দান যখন উন্নতমানের হবে তখন নতুন জ্ঞান সৃষ্টি হবে।
বৈশ্বিক বাজারে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য বাংলাদেশের গ্র্যাজুয়েট প্রফেশনালদের কোনো ইতিবাচক ব্র্যান্ড তৈরি হয়নি। উচ্চ শিক্ষার পর কোয়ালিটি জবে এটা একটা নেতিবাচক প্রভাব রাখছে। আপনি কী ভাবছেন এ বিষয়ে?
বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের গ্র্যাজুয়েটরা এখনো আকর্ষণীয় হয়ে ওঠেনি। আমরা এখনো যোগ্য গ্র্যাজুয়েট তৈরি করতে পারছি না। তবে আমাদের প্রতিভাবান ছাত্র রয়েছে। তারা উন্নত বিশ্বে গিয়ে পড়াশোনা করছে, বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানে অবদান রাখছে, চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করছে। তবে পরিসংখ্যানে এখনো পিছিয়ে। আপনি যদি দক্ষ গ্র্যাজুয়েট তৈরি করতে না পারেন তাহলে বৈশ্বিক বাজারে সুযোগ নিতে পারবেন না। এখান থেকে যে সম্ভব না তা কিন্তু নয়। সমস্যা হলো আমরা গ্র্যাজুয়েটদের সার্টিফিকেট দিয়ে রাস্তায় ছেড়ে দিই, দক্ষ করে গড়ে তুলি না এবং প্রয়োজনীয় প্রযুক্তির জ্ঞান তাদের নেই। এগুলো ক্লাসরুমের জ্ঞান দ্বারা সম্ভব না। এর জন্য রাষ্ট্রের, প্রতিষ্ঠানের, সমাজের, ইন্ডাস্ট্রির সহযোগিতা দরকার। সে জায়গায় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি জাপান ও চীনের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করে শত শত বাংলাদেশী শিক্ষার্থীকে ওই সব দেশে চাকরি দিচ্ছে। এ দেশে সমস্যা হচ্ছে আমরা এখনো জ্ঞানের জায়গায় রেজাল্টকে গুরুত্ব দিচ্ছি। বাংলাদেশে শিক্ষা ব্যবস্থাকে একটি রেজাল্টভিত্তিক জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রেজাল্টের বাইরে যে একজন ছাত্রের অন্য ক্ষেত্রে জ্ঞান রয়েছে রাষ্ট্র সেটাকে গুরুত্ব দেয় না। যার কারণে একজন শিক্ষার্থীর মৌলিক জ্ঞান গুরুত্ব পায় না। দেশ, সমাজ, পরিবার, প্রতিষ্ঠান সবাই তার রেজাল্ট দেখে বিচার করে। আমাদের রেজাল্টভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে চিন্তা না করে প্রাসঙ্গিক অন্যান্য জ্ঞানকে গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি ছেলে-মেয়েদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান দিতে হবে যেন ভবিষ্যতে সে এগিয়ে যেতে পারে। তাই আমাদের উচিত বিভিন্ন কো-কারিকুলাম কার্যক্রমের মাধ্যমে একজন মানুষের সুপ্ত প্রতিভা-সম্ভাবনাকে বের করে আনা। এসব জায়গা আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত আসন না থাকায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু। কিন্তু বলা হয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ধনিক শ্রেণীর সন্তানরা ভর্তি হয়। এ বিষয়ে আপনার মতামত কী?
এটি সঠিক নয়। আমাদের নর্থ সাউথে এখন ৮০ শতাংশ ছাত্র-ছাত্রী দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসে। এখানে মফস্বলের ছেলেমেয়েরা পড়ছে। ধনীর সন্তানরা পড়ছে পূর্ণ টিউশন ফি দিয়ে আর গরিব ঘরের সন্তানরা পড়ছে টিউশন ফির সহযোগিতা নিয়ে। এ নিয়ে মানুষের মধ্যে ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। মানুষ বুঝতে পারে না যে পৃথিবীতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোই সবচেয়ে বেশি সুনামধারী। আমি মনে করি সবার পড়াশোনার দায়িত্ব রাষ্ট্রের নেয়া উচিত। কিন্তু কোনো রাষ্ট্র তো সেটি পারেনি, পারবেও না। আমরা যদি বলি সব বাচ্চার স্কুলে যাওয়া উচিত একই সুবিধা নিয়ে। সেটা কি আমরা করতে পারব? যখন এক্ষেত্রে আমরা ভিন্ন কোনো উপায় বের করি সেটিরও বিরোধিতা করা হয়। অন্য প্রতিষ্ঠানের চেয়ে নর্থ সাউথ ভিন্নভাবে কাজ করে। আমরা আর্থিক সহযোগিতা, ফেলোশিপ দিয়ে থাকি, যা সবার জন্য প্রযোজ্য। তাই বলছি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে সেই বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে টিউশন ফি থেকে সবকিছু বজায় রাখে। এ টিউশন ফি পাবলিকের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র দেয় আর প্রাইভেটে ব্যক্তি দেয়। কিন্তু মাথাপিছু হিসেবে এটি সবার কাছ থেকে যাচ্ছে। আমাদের সেভাবে চিন্তা করতে হবে।
এবারের শিক্ষা দিবসের প্রতিপাদ্যে এআইয়ের কথা বলা হয়েছে, যা খুবই প্রাসঙ্গিক। কিন্তু আমি যদি এখন এআইয়ের একটি প্রোগ্রাম চালু করতে চাই তাহলে যে প্রতিবন্ধকতা রয়েছে সেগুলাে পেরিয়ে আসতে তিন বছর সময় লাগবে। যখন শুরু করব তখন পৃথিবীর প্রয়োজনে এটি আর থাকবে না। তাই এখানে নমনীয়তা থাকতে হবে যে প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষক যেটি পড়ানোর চেষ্টা করবে সেটির জন্য সব সুযোগ করে দিতে হবে। কিন্তু আমাদের নিয়ন্ত্রণ করে রাখা হয়ে। যারা নিয়ন্ত্রণ করছে তাদের আবার জ্ঞানের অভাব আছে। তাদের সত্যিকারের জ্ঞান নেই। এটা বাংলাদেশের উচ্চ শিক্ষার সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা। এখানে যে বিষয়টি আপনি পরিচালনা করতে পারছেন না সেটিই আপনি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। যখন প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে তখন খারাপ জিনিসটি হারিয়ে যাবে আর ভালোটি টিকে থাকবে।
শ্রুতলিখন: এবিএস ফরহাদ